প্রচলিত নাকি ভার্চুয়াল কোর্ট চলবে, কী মত আইনজীবীদের?

মুহাম্মদ ফজলুল হক
মুহাম্মদ ফজলুল হক মুহাম্মদ ফজলুল হক , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:০৬ পিএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২১

মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে স্থবির হয়ে পড়েছিল পুরো বিশ্ব। অর্থনীতিসহ সব খাতের ওপর পড়ে এর বিরূপ প্রভাব। করোনার শুরুর দিকেই বন্ধ হয়ে যায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট। পরে আইনজীবীদের দাবির মুখে প্রথম দিকে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে ভার্চুয়ালি বিচার কাজ শুরু হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট এবং আপিল বিভাগে বিচার কাজ চালু হয়। এখন আপিল বিভাগের পৃথক দুটি বেঞ্চ এবং হাইকোর্ট বিভাগে ভার্চুয়াল ও অ্যাকচুয়াল (প্রচলিত)—উভয় পদ্ধতিতেই চলছে বিচারিক কাজ।

নতুন বছর ২০২১-এ ভার্চুয়াল নাকি (শারীরিক উপস্থিতিতে) অ্যাকচুয়াল—কোনটিকে প্রাধান্য দিচ্ছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা, এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে জানা গেল নানা সমস্যার কথা। আইনজীবীদের অভিযোগ, উচ্চ আদালতে নামমাত্র ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে মামলা চলে। ক্লার্ক বা অন্য কাউকে পাসওয়ার্ড নিতে সশরীরে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে যেতে হয়, কোর্ট থেকে শুধু জুম লিংক দেয়া হয়। অ্যাফিডেভিট করার জন্য মক্কেলকে সশরীরে কোর্টে আসতে হয়। ওকালতনামা ভার্চুয়ালি করা সম্ভব হয় না। বিচারপতিদের সঙ্গে আইনজীবীদের ইন্টারেকশনেও সমস্যা তৈরি হয়।

আইনজীবীরা বলছেন, সবকিছুই করতে হয় শারীরিক উপস্থিতিতে, কেবল শুনানি হয় ভার্চুয়ালি। তাই পরিপূর্ণ অনলাইন অর্থাৎ ভার্চুয়াল ব্যবস্থা না হলে শারীরিক উপস্থিতিতেই মামলার কার্যক্রম পরিচালিত হোক। তবে কেউ কেউ বলছেন, এখন সব বেঞ্চই ভার্চুয়ালি পরিচালিত হোক।

দেশের সর্বোচ্চ আদালত ভার্চুয়াল নাকি শারীরিক উপস্থিতি কোন পদ্ধতিতে চলবে, এ বিষয়ে নতুন বছরে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি-না জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও স্পেশাল অফিসার মো. সাইফুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আপনারা জানেন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ নতুন করে গঠন করা হয়েছে। এখনো যে অবস্থায় আছে সেভাবেই চলবে। ভার্চুয়াল এবং অ্যাকচুয়াল দুটোতেই চলছে।’

মহামারির সময়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম ভার্চুয়ালি নাকি অ্যাকচুয়ালি, কোন পদ্ধতিতে হওয়া উচিত সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক ট্রেজারার অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নি জাগো নিউজকে বলেন, ‘ভার্চুয়ালি আমাদের খুবই অসুবিধা হচ্ছে, প্র্যাকটিকালি অ্যাকচুয়াল কোর্ট হলে যেটা আমরা সবসময় করে অভ্যস্ত- মামলা মেনশন, বিওদের (বেঞ্চ অফিসার) সঙ্গে কথা বলা, কোর্টে জজ সাহেবদের সামনা-সামনি অ্যাপিয়ারেন্স থাকে। আর ভার্চুয়ালি বারবার লাইন কেটে যায়। কথা বলার সময় অডিও চলে যায়, ভিডিও লাইন কেটে যায়। সাংঘাতিক রকমের ডিস্টার্ব হয়, এভাবে মামলায় সমস্যা হয়। কারণ মামলায় কথা বলতে একটা ফ্লো লাগে, ওইটাতে আমরা খুব অসুবিধার মুখোমুখি হই।’

এই আইনজীবী বলেন, ‘তবে এটাও সত্যি যে এখন পর্যন্ত করোনায় আমাদের সুপ্রিম কোর্টেই বোধ হয় ৭০ জনের মতো আইনজীবী মারা গেছেন । আর সারাদেশে শত শত আইনজীবী মারা গেছেন। সেই হিসেবে যদি সুপ্রিম কোর্টে সবই ভার্চুয়াল হয়, তাহলে এটাকে আরও কিভাবে মডার্ন করা যায় সেটি চিন্তা করতে হবে।’

ফাহিমা নাসরিন মুন্নি বলেন, ‘আমাদের সুপ্রিম কোর্টে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক যাতায়াত করে থাকে। এখন করোনার সময় হয়তো একটু কমতে পারে, তারপরও কিন্তু সংখ্যাটা অনেক বড়। এখন যদি কোর্টটা ভার্চুয়ালি হয়, অ্যাফিডেভিট করার জন্য মক্কেল, ক্লার্ক এবং আইনজীবীকে কোর্টে সশরীরে যেতে হয়, তাহলে এই ভার্চুয়াল করে লাভটা কী? আমি উকিল চেহারা দেখাবো কম্পিউটারে, ল্যাপটপে কিংবা ফোনে, এটাতো ভার্চুয়াল না। ভার্চুয়াল হলে পুরোপুরি ভার্চুয়াল হতে হবে। কিন্তু অ্যাকচুয়ালি আর ভার্চুয়ালি যে মিকচার কোর্ট করেছেন, এখন এটা আমাদের সাংঘাতিকভাবে হ্যাসেল দিচ্ছে।’

ফাহিমা নাসরিন মুন্নি আরও বলেন, ‘করোনাকালে যে সুরক্ষা নেয়ার কথা সেগুলো আমরা নেবো। অ্যাকচুয়াল কোর্ট আগের মতো না হলেও পেশা বাঁচিয়ে রাখা এবং বিচারপ্রার্থীদের কথা চিন্তা করে বেশি সংখ্যক কোর্ট দেয়া উচিত। আমরা যখন দিনে কমপক্ষে পাঁচটা মামলা করতে পারতাম এখন সপ্তাহে একটা মামলাও করতে পারি না। হাইকোর্টে এরপরেও যদি অ্যাকচুয়াল এবং ভার্চুয়াল পাশাপাশি থাকে তাহলে ভার্চুয়াল কোর্টের টপ টু বটম ভার্চুয়ালি হতে হবে। তা না হলে ভার্চুয়াল পন্থা আমাদের কোনো সুফল দিতে পারছে না।’

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইয়াদিয়া জামান জাগো নিউজকে বলেন, ‘ভার্চুয়ালি পদ্ধতিতে কোর্ট চলায় বিশেষ করে উচ্চ আদালতে খুব বেশি অসুবিধা হওয়ার কথা না। কারণ উচ্চ আদালত তো ফ্যাকচুয়াল ম্যাটারগুলো দেখে না, লিগ্যাল ম্যাটারই দেখে। মানে, উচ্চ আদালতে যখন মামলাগুলো আসে ট্রায়াল শেষ করেই। সাক্ষ্য, প্রমাণ ইত্যাদি সিভিল ও ক্রিমিনাল সব মামলাতে ট্রায়াল কোর্টেই হয়। তারপরে উচ্চ আদালতে শুনানিতে তেমন কোনো অস্বস্তি মনে হচ্ছে না, বরং আমার মতে সুবিধাই মনে হয়। তবে উচ্চ আদালতে ভার্চুয়াল এবং অ্যাকচুয়াল দুটো পদ্ধতি থাকতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার কাছে ইন্টারনেট কোনো সমস্যা মনে হয়নি। তবে, এটা ঠিক যে কোর্ট পরিচালনার জন্য ইন্টারনেটের ফাস্ট গতি লাগবে এবং এটা অবশ্যই দরকার। কারণ ইন্টারনেটের গতি যদি না থাকে তাহলে সমস্যা হয়। ইন্টারনেটে সমস্যা একদিন আমারও হয়েছিল। তারপরও চেষ্টা থাকতে হবে, চেষ্টা থাকলে সবই সম্ভব।’

আইনজীবী কুমার দেবুল দে বলেন, ‘ভার্চুয়ালি সুবিধার চেয়ে অসুবিধাটাই বেশি। আদালতে ভার্চুয়ালি শুনানি চলছে, সবকিছুই ম্যানুয়ালি। শারীরিক উপস্থিতিতে সব কাজ করার পরে কিন্তু হিয়ারিংটা ভার্চুয়ালি হচ্ছে। প্র্যাকটিক্যালি সমস্যা হচ্ছে, ভার্চুয়ালি একটি বেঞ্চে দুইজন বিচারপতি আলাদা বসলেন, তাদের যদি ছোটখাট কোনো বিষয়ে কথা থাকে, নিজেদের ডিসকাশনের ব্যাপারে, সেটাও আমরা শুনি। তারা তো মাইক্রোফোন অন করা অবস্থায় দূরের আরেকজনের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না। তাছাড়া আমাদের ইন্টারনেটের যে ব্যবস্থা সেটা এখনো ওই স্ট্যান্ডার্ডে যায়নি যে ভার্চুয়ালি হিয়ারিং সম্ভব। সবসময় ইন্টারাপ্টেটেড হয়। অনেক সমস্যা হয়। একটা হিয়ারিং করলাম, হুট করে লাইন কেটে গেলো, আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলাম, পরে আর ঢুকতে পারছি না। মাঝে মাঝে বিচারক কী বলছেন আইনজীবীরা শোনেন না। আমরা কী বলছি ওনারা শুনছেন না বা আমরা বিচারপতি ও আইনজীবী কথা বলছি, অন্য একজন মাঝ দিয়ে অনলাইনে ঢুকে গেলো, এমন অনেক সমস্যা। আরও ব্যাপার হলো, ফিজিক্যাল কোর্টে আমরা অনেক কিছুই সরাসরি দেখে বুঝতে পারি। কিন্তু ভার্চুয়ালি অনেক সময় আমরা সতর্ক থাকি যে আমারটা দেখা যাচ্ছে কি-না, আমার কথা শোনা যাচ্ছে কি-না, টেনশনেও থাকতে হয়। মূলত ফিজিক্যাল কোর্টের কোনো বিকল্প নেই। ভার্চুয়াল কোর্ট রেগুলার সমাধান নয়। আমার কাছে মনে হচ্ছে শারীরিক উপস্থিতি কোর্ট চালু করা খুবই দরকার।’

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, ‘ভার্চুয়াল থেকে পুরোপুরি অ্যাকচুয়াল হওয়ার মতো সিচ্যুয়েশন এখনো আসেনি দেশে। তবে ভার্চুয়ালি কোর্ট আরও বাড়িয়ে দেয়া যায় কি-না, আর আস্তে আস্তে অ্যাকচুয়ালে চলে আসা যায় কি-না ভেবে দেখা যায়। এখন শীতের সময়, কোনো কিছু খুব বেশি পরিবর্তন করা ঠিক হবে না। এছাড়া করোনার সেকেন্ড ওয়েভের একটি বিষয় আছে। আমার মনে হয় ভার্চুয়ালি আরও কোর্ট বাড়ানো যায়।’

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘ভার্চুয়াল কোর্ট এটা নতুন সংযোজন। বিচারপতিদের সেফটি মোডে থাকার সুযোগ হয়েছে। আমার মনে হয় সেকেন্ড ওয়েভটা কাভার করা পর্যন্ত আরও কোর্ট বাড়িয়ে দিলে আমাদের জন্যই ভালো হতো। তবে আল্টিমেটলি অ্যাকচুয়ালে চলে আসতেই হবে। নইলে কতো দিন এভাবে থাকা।’

ভার্চুয়াল এবং অ্যাকচুয়াল শুনানির বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের অপর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জাগো নিউজকে বলেন, ‘ভার্চুয়াল পদ্ধতি কোনো স্থায়ী পদ্ধতি নয়। আমি মনে করি ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বাংলাদেশের আদালত পরিচালনা করার সুযোগ নেই। তবে বিশেষ প্রয়োজনে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনার সুযোগ থাকা উচিত। যেন কোনো ব্যক্তিবর্গ বা সিনিয়র আইনজীবীরা কখনো যদি ভার্চুয়ালি শুনানি বা আলোচনা করতে চান তাহলে করতে পারেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি (ভার্চুয়াল) সাধারণ নিয়ম হওয়া উচিত নয়।’

তিনি বলেন, ‘করোনাকালীন পরিবেশে এটি ঠিক আছে। তবে ভার্চুয়ালি শুধু মামলার শুনানি হলেই চলবে না, আদেশগুলোও ভার্চুয়ালি দিতে হবে। অনলাইন সিস্টেমে যেটাকে ই-জুডিশিয়ারি বলে, সেটাতে প্রজেক্টে বলা আছে যে, মামলা দায়ের থেকে শুরু করে একেবারে নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই যেন অনলাইন পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা যায়, এটার নামই হলো ই-জুডিশিয়ারি।’

jagonews24

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের অপর আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব জাগো নিউজকে বলেন, ‘ভার্চুয়াল পদ্ধতিটা সময়ের প্রয়োজনে উদ্ভাবিত একটি পদ্ধতি। প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়েও ভার্চুয়ালে একটা রিট বেঞ্চ থাকতে পারে। যারা কোর্টে আসতে পারে না- সিনিয়র আইনজীবী বয়সের কারণে, অসুস্থতার কারণে বা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। এটা কিন্তু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটা মাধ্যম হতে পারে যে, উভয়পক্ষের আইনজীবী কোর্টে উপস্থিত না হয়েও একটা কনভেনিয়েন্ট জায়গা থেকে শুনানি করার সুযোগ পেতে পারেন।’

ভার্চুয়াল পদ্ধতির সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশে যে প্রবলেম হলো, ইন্টারনেটের গতিটা খুবই স্লো। একটু পরপর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ধরুণ আমি কী বলছি বিচারপতি কোনো কিছুই বুঝতে পারছেন না, বা বিচারপতি কী বলছেন আমরা কিছুই শুনছি না, অর্ডার একটা হয়ে গেছে। এই যে ইন্টারেকশন, এটা স্মুথলি না থাকলে কিন্তু ভার্চুয়ালি সমস্যা হচ্ছে। আরও একটা বিষয় হচ্ছে- কোর্ট ম্যানেজমেন্টের কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। দেখা গেলো- একটি বেঞ্চে মেনশন করা ডিফিকাল্ট হয়ে গেছে, আমরা আইনজীবীরা যে যার মতো করে তাড়াহুড়ো, কিছুটা চিল্লাপাল্লা শুরু করে দেই। কে কার আগে বলবে, কোর্ট ম্যানেজমেন্ট অর্থাৎ ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে কোর্ট পরিচালনার জন্য একটা সুন্দর গাইডলাইন তৈরি করা যেতে পারে। যদিও একটি প্র্যাকটিস ডাইরেকশন আছে, এটা কিন্তু খুবই শর্ট।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভার্চুয়াল পদ্ধতি চলমান থাকতে পারে কোভিড-১৯ না থাকলেও। একটা অল্টারনেটিভ পদ্ধতি থাকা উচিত। যেহেতু এটা শুরু হয়েছে। ভার্চুয়াল কোর্টে যেসব সমস্যা রয়েছে সেগুলো সরকার এবং সুপ্রিম কোর্টকে এগিয়ে আসতে হবে, সঙ্গে সঙ্গে আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা দরকার।’

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নুসরাত জাহান বলেন, আমার কাছে মনে হচ্ছে এখন যেভাবে সীমিত আকারে ফিজিক্যাল ও ভার্চুয়াল কোর্ট চলছে; করোনাকালে এভাবে কোর্টগুলো চললেই ভালো হয়। কারণ আপনারা দেখছেন বিভিন্ন জায়গায় করোনা কিন্তু অনেক বেড়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে এই শীতকালটা। নিউজে দেখেছি ভ্যাকসিন নেয়ার পরও উন্নত বিশ্বের কোন একটা দেশে ২৪০ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিদিন আইনজীবীদের কোর্ট, ক্লায়েন্ট, ক্লার্কসহ বিভিন্ন জনের সংস্পর্শে আসতে হয়। আইনজীবীরা অন্যান্য অফিসের কর্মকর্তাদের মতো একটি নির্দিষ্ট রুমের মধ্যে বসে অফিস করেন না। করোনাকালের এই সময়টা একটা বিশেষ পরিস্থিতি। এই পরিস্থিতিতে আগে হচ্ছে আমাদের বেঁচে থাকা, সেই সঙ্গে কাজও করতে হবে।

তিনি বলেন, ভার্চুয়াল কোর্টে অনেক সময় ইন্টারনেট ডিসকানেক্ট হয়ে যায়। এসময় বিচারপতিরা মামলায় ব্যতিক্রম কিছু করেন না। পরে যখন আইনজীবীরা আবার কানেক্ট হয়ে কোর্টকে সমস্যার কথা বলেন, তখন সেটা আদালত অ্যাকসেপ্ট করে নেন। আপাতত ভার্চুয়াল কোর্টে বড় ধরনের তেমন কোনো সমস্যা অনুভব করছি না।

ভার্চুয়াল এবং অ্যাকচুয়াল পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আতিকুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমার মনে হয় ভার্চুয়াল পদ্ধতিটাই খুব ভালো। এই পদ্ধতি নিয়ে আস্তে আস্তে চর্চা হতে একটু সময় লাগবে। ভার্চুয়াল কোর্ট অনেক ভালো, কারণ কোর্টে আসতে ক্লায়েন্টদের এবং আইনজীবীদের যে সময় নষ্ট হয়, এই সময়ে আইনজীবীরা পড়াশোনা করতে পারেন, মনোযোগী হতে পারেন। সিরিয়ালের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা কোর্টে গিয়ে বসে থাকতে হয় না। বিচারিক সময় পাওয়া যায়।’

কিশোরগঞ্জ থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে উচ্চ আদালতে মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী এএম জামিউল হক ফয়সাল জাগো নিউজকে বলেন, ‘একটা পরিস্থিতির কারণে পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যে ভার্চুয়াল ছাড়া চলবে না। কিন্তু দেখা গেল, একইসঙ্গে ভার্চুয়াল এবং অ্যাকচুয়াল দুই পদ্ধতি চলাতে আইনজীবীরা অনেক সমস্যায় পড়েন। তাই আদালতের কার্যক্রম যে কোনো একটা মাধ্যমে চলে যাওয়া উচিত।’

ভার্চুয়াল পদ্ধতি নিয়ে আইনজীবীদের নানা অভিযোগের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘সমস্যার কথা আমাদের কেউ কিছু বলেনি। তবে প্রথম দিকে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে কোর্ট চালু হওয়ার পরে যেসব সমস্যার কথা অবগত করা হয়েছিল সেগুলোর বিষয়ে সঙ্গে সঙ্গে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। এখন তো জানামতে কোনো সমস্যাই হচ্ছে না। আদালতের শুনানিতে যদি নতুন কোনো সমস্যা হয়ে থাকে সেটা আমাদের না জানালে কী ব্যবস্থা নেবো?’

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে ২০২০ সালের ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে নিয়মিত আদালত বন্ধ রাখা হয়। এ অবস্থায় বিচারপ্রার্থীদের কথা বিবেচনা করে ভার্চুয়াল আদালত পদ্ধতি চালু করা হয়। এরপরে ওই বছরের ৯ মে এ বিষয়ে অধ্যাদেশ জারি করে বিল আকারে জাতীয় সংসদে পাস করা হয়। অধ্যাদেশ জারির পর ১১ মে থেকে সারাদেশে ভার্চুয়াল আদালত কার্যক্রম শুরু হয়, যা অব্যাহত রয়েছে।

তবে, আইনজীবীদের পক্ষ থেকে ভার্চুয়াল আদালত ব্যবস্থা নিয়ে আপত্তি তোলায় এবং নিয়মিত আদালত খুলে দেয়ার দাবির প্রেক্ষাপটে তাদের ভার্চুয়াল আদালত পদ্ধতি নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে আইন মন্ত্রণালয়।

এফএইচ/এমআরআর/এইচএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২৪,১৪,৭১,৩৮২
আক্রান্ত

৪৯,১৪,০৯০
মৃত

২১,৮৬,৯৯,৫০৫
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৫,৬৫,৪৮৮ ২৭,৭৬৮ ১৫,২৭,৮৬২
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪,৫৭,৯২,৫৩২ ৭,৪৪,৫৪৬ ৩,৫৩,৭৪,৫৯৫
ভারত ৩,৪০,৮১,০৪৯ ৪,৫২,৩২১ ৩,৩৪,৩১,৭১৬
ব্রাজিল ২,১৬,৪৪,৪৬৪ ৬,০৩,৩২৪ ২,০৭,৯৪,৪৯৭
যুক্তরাজ্য ৮৪,৪৯,১৬৫ ১,৩৮,৫৮৪ ৬৯,১৬,৪৩৯
রাশিয়া ৭৯,৯২,৬৮৭ ২,২৩,৩১২ ৭০,০০,৬২৪
তুরস্ক ৭৬,৫৪,২৭৭ ৬৭,৬২৩ ৭০,৮৯,৭৬৬
ফ্রান্স ৭০,৮৯,০৫২ ১,১৭,২৬৫ ৬৮,৭৮,৩৬৮
ইরান ৫৭,৮৪,৮১৫ ১,২৪,০৭৫ ৫৩,২৪,১০৮
১০ আর্জেন্টিনা ৫২,৭২,৫৫১ ১,১৫,৬৬৬ ৫১,৩৯,৬১৫
১১ স্পেন ৪৯,৮৪,৩৮৬ ৮৬,৯৭৪ ৪৮,২৫,৭৯৪
১২ কলম্বিয়া ৪৯,৮১,৫৩২ ১,২৬,৮৬৫ ৪৮,২৫,২৬৫
১৩ ইতালি ৪৭,১৭,৮৯৯ ১,৩১,৫৪১ ৪৫,০৮,৭৮৯
১৪ জার্মানি ৪৩,৯৩,২২১ ৯৫,৪৫৪ ৪১,৪৭,০০০
১৫ ইন্দোনেশিয়া ৪২,৩৪,৭৫৮ ১,৪২,৯৫২ ৪০,৭৩,৪১৮
১৬ মেক্সিকো ৩৭,৫৭,০৫৬ ২,৮৪,৩৮১ ৩১,১৭,২৫৪
১৭ পোল্যান্ড ২৯,৩৯,৫৯০ ৭৬,১১২ ২৬,৭৫,৮২১
১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৯,১৬,৫৯৩ ৮৮,৬১২ ২৮,০৫,১৮৬
১৯ ফিলিপাইন ২৭,২০,৩৬৮ ৪০,৬৭৫ ২৫,৯৮,০৫২
২০ ইউক্রেন ২৬,৩৫,১৭০ ৬০,৬৩৩ ২৩,২৫,৯৯৭
২১ মালয়েশিয়া ২৩,৯০,৬৮৭ ২৭,৯২১ ২২,৭০,৫২০
২২ পেরু ২১,৯০,০০৯ ১,৯৯,৮৪৩ ১৭,২০,৬৬৫
২৩ নেদারল্যান্ডস ২০,৪৭,৭১১ ১৮,২৪৮ ১৯,৬৩,০১০
২৪ ইরাক ২০,৩৫,৪৫৩ ২২,৭৫৬ ১৯,৬৭,৮৬২
২৫ থাইল্যান্ড ১৭,৯৩,৮১২ ১৮,৩৩৬ ১৬,৬৮,২৫০
২৬ জাপান ১৭,১৪,৩০৮ ১৮,০৯২ ১৬,৮৮,২৯৯
২৭ চেক প্রজাতন্ত্র ১৭,০৮,৯২৫ ৩০,৫৪৫ ১৬,৬২,৭৪২
২৮ কানাডা ১৬,৭৯,৮৬৯ ২৮,৪৯৩ ১৬,১৫,৯৯২
২৯ চিলি ১৬,৭০,৭৫০ ৩৭,৬০৯ ১৬,২২,১৬৮
৩০ রোমানিয়া ১৪,৫৭,২৬০ ৪১,৭৮১ ১২,৩৮,৮৩২
৩১ ইসরায়েল ১৩,১৬,৩১৭ ৭,৯৯৯ ১২,৯০,১৬১
৩২ বেলজিয়াম ১২,৭৯,৮৬৯ ২৫,৭৪৭ ১১,৮৬,৩৭৪
৩৩ পাকিস্তান ১২,৬৪,৩৮৪ ২৮,২৬৯ ১২,০৯,৮৭৮
৩৪ সুইডেন ১১,৬১,৯৩৩ ১৪,৯১৬ ১১,৩০,৮৫২
৩৫ পর্তুগাল ১০,৭৯,৮০৬ ১৮,০৯৭ ১০,৩১,৪০০
৩৬ সার্বিয়া ১০,৪৮,৮৩৫ ৯,১০৫ ৯,১৭,২১৭
৩৭ মরক্কো ৯,৪২,১৩২ ১৪,৫৪৪ ৯,২১,৬২৮
৩৮ কিউবা ৯,৩৪,৯৬৫ ৮,০৫৮ ৯,১৮,১৬৭
৩৯ কাজাখস্তান ৯,১৬,৫০৪ ১১,৭২৭ ৮,৫৮,৬৬১
৪০ ভিয়েতনাম ৮,৬৪,০৫৩ ২১,১৯৪ ৭,৯১,৮৪৪
৪১ সুইজারল্যান্ড ৮,৫৪,৫৯০ ১১,১৭১ ৮,০৭,৫৯২
৪২ জর্ডান ৮,৪১,৪৮৯ ১০,৮৭৯ ৮,১৫,৪০৩
৪৩ হাঙ্গেরি ৮,৩৩,১১৫ ৩০,৩৫১ ৭,৯০,৬৪৬
৪৪ নেপাল ৮,০৫,০৩৭ ১১,২৮৪ ৭,৮১,৪৫৬
৪৫ অস্ট্রিয়া ৭,৭৫,৭৮২ ১১,১৬৭ ৭,৪২,৪৬১
৪৬ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৭,৩৮,৫৮৬ ২,১২০ ৭,৩২,২৯৫
৪৭ তিউনিশিয়া ৭,১০,৯০৬ ২৫,০৯৮ ৬,৮৪,৪০৩
৪৮ গ্রীস ৬,৯৩,৮৮৬ ১৫,৩৭৫ ৬,৫১,১৬৯
৪৯ জর্জিয়া ৬,৬২,৩৩৪ ৯,৪৬৮ ৬,১২,৪৮১
৫০ লেবানন ৬,৩৩,৯০৯ ৮,৪২৫ ৬,০৭,৭৬০
৫১ গুয়াতেমালা ৫,৮৮,০৬৯ ১৪,৩৩০ ৫,৬১,৪৩৪
৫২ বেলারুশ ৫,৭১,৯৮৭ ৪,৪০২ ৫,৪৫,২৪৫
৫৩ কোস্টারিকা ৫,৫১,১৪৪ ৬,৭৯৭ ৪,৭০,০৫৬
৫৪ সৌদি আরব ৫,৪৭,৯৩১ ৮,৭৬৩ ৫,৩৬,৯৪৭
৫৫ বুলগেরিয়া ৫,৪০,৬১৯ ২২,২৭৪ ৪,৫৭,৮৬০
৫৬ শ্রীলংকা ৫,৩১,৬৪৮ ১৩,৪৮৪ ৪,৯২,৬২১
৫৭ ইকুয়েডর ৫,১৩,০২৬ ৩২,৮৯৯ ৪,৪৩,৮৮০
৫৮ বলিভিয়া ৫,০৬,৪৭৭ ১৮,৮৩২ ৪,৬৮,৪২৮
৫৯ আজারবাইজান ৫,০২,২০৭ ৬,৭৬৫ ৪,৭৮,৪০৩
৬০ মায়ানমার ৪,৮৭,৮৫৩ ১৮,৩৫৯ ৪,৪০,২৫৯
৬১ পানামা ৪,৭০,২৬৪ ৭,২৯১ ৪,৬০,৬৬৭
৬২ প্যারাগুয়ে ৪,৬০,৫২৯ ১৬,২২৮ ৪,৪৪,০০৬
৬৩ স্লোভাকিয়া ৪,৩৭,৩৮৫ ১২,৮৪৬ ৪,০৩,১৬০
৬৪ ক্রোয়েশিয়া ৪,২৭,৯১৪ ৮,৮৯৬ ৪,০৮,৭৩৪
৬৫ ফিলিস্তিন ৪,১৭,৯৬৬ ৪,৩১৭ ৪,০২,০১৫
৬৬ আয়ারল্যান্ড ৪,১৫,১১৪ ৫,৩০৬ ৩,৬৭,৩৮১
৬৭ কুয়েত ৪,১২,৩৩২ ২,৪৫৭ ৪,০৯,৩০৮
৬৮ ভেনেজুয়েলা ৩,৯২,৭৬২ ৪,৭১৯ ৩,৭২,৮৬৩
৬৯ উরুগুয়ে ৩,৯১,০৪৪ ৬,০৬৯ ৩,৮৩,৩৯৯
৭০ হন্ডুরাস ৩,৭২,১৭৯ ১০,০৯৭ ১,১৩,৬৭৬
৭১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩,৭০,৪৫১ ৪,০৮৭ ৩,৫৮,৭৭৭
৭২ ডেনমার্ক ৩,৬৮,৬৫১ ২,৬৮৫ ৩,৫৭,২৯৫
৭৩ লিথুনিয়া ৩,৬৮,৬৪১ ৫,৪৩৯ ৩,২৯,২৬৫
৭৪ ইথিওপিয়া ৩,৫৯,২৪৭ ৬,২১৭ ৩,২৮,৯৬২
৭৫ লিবিয়া ৩,৪৯,৯৯০ ৪,৮৮৩ ২,৭৯,৫৩২
৭৬ দক্ষিণ কোরিয়া ৩,৪৩,৪৪৫ ২,৬৬৮ ৩,১১,৭৮১
৭৭ মঙ্গোলিয়া ৩,৩৮,১৫১ ১,৫৪১ ৩,০৭,১৯২
৭৮ মিসর ৩,১৮,৪৫৬ ১৭,৯৭০ ২,৬৮,৮৪৩
৭৯ মলদোভা ৩,১৬,৫২৯ ৭,২৪১ ২,৯৫,৬০৪
৮০ স্লোভেনিয়া ৩,০৮,১৩৬ ৪,৬৩৮ ২,৯১,২৩০
৮১ ওমান ৩,০৪,০৫৪ ৪,১০৫ ২,৯৯,৪২৪
৮২ আর্মেনিয়া ২,৮১,৯৯১ ৫,৭৭৮ ২,৫৩,৯৩৬
৮৩ বাহরাইন ২,৭৬,১১৮ ১,৩৯১ ২,৭৪,০৭৬
৮৪ কেনিয়া ২,৫২,০৩৩ ৫,২২৩ ২,৪৫,২৫৪
৮৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪৩,৯১৪ ১১,১১০ ১,৯২,২১৮
৮৬ কাতার ২,৩৭,৯২৯ ৬০৮ ২,৩৬,৪২৩
৮৭ জাম্বিয়া ২,০৯,৫২১ ৩,৬৫৮ ২,০৫,৬৬৭
৮৮ নাইজেরিয়া ২,০৯,২৯৮ ২,৮৩৭ ১,৯৭,১৪৩
৮৯ আলজেরিয়া ২,০৫,২৮৬ ৫,৮৭২ ১,৪০,৭৫৮
৯০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৯৭,০৯১ ৬,৯৪০ ১,৮৩,২২৭
৯১ নরওয়ে ১,৯৬,৩৫১ ৮৮৪ ৮৮,৯৫২
৯২ লাটভিয়া ১,৮৫,৬১৪ ২,৮৯০ ১,৫৭,৮৭৭
৯৩ বতসোয়ানা ১,৮১,৮৫৬ ২,৩৮৬ ১,৭৮,১২৪
৯৪ উজবেকিস্তান ১,৮০,৯৫৮ ১,২৮৭ ১,৭৬,৮৮৬
৯৫ কিরগিজস্তান ১,৭৯,৮৪৫ ২,৬৩৪ ১,৭৪,৬৪৬
৯৬ আলবেনিয়া ১,৭৭,৯৭১ ২,৮২০ ১,৬৮,৮৮৩
৯৭ এস্তোনিয়া ১,৭২,৫১৪ ১,৪২৯ ১,৫৩,৯২০
৯৮ আফগানিস্তান ১,৫৫,৭৬৪ ৭,২৪৩ ১,২৭,০৩৪
৯৯ মোজাম্বিক ১,৫১,১০২ ১,৯২৬ ১,৪৮,১৮৭
১০০ ফিনল্যাণ্ড ১,৪৯,৮৯৭ ১,১১৬ ৪৬,০০০
১০১ সিঙ্গাপুর ১,৪৮,১৭৮ ২৩৩ ১,২১,৯৬৫
১০২ অস্ট্রেলিয়া ১,৪৫,৩১৪ ১,৫৪৩ ১,১০,০৯২
১০৩ মন্টিনিগ্রো ১,৩৭,৭৬৯ ২,০২৩ ১,৩০,৯১০
১০৪ জিম্বাবুয়ে ১,৩২,৩৬৮ ৪,৬৫৮ ১,২৬,৩০৮
১০৫ ঘানা ১,২৯,৪৪০ ১,১৬৭ ১,২৫,৮৩৯
১০৬ নামিবিয়া ১,২৮,৩২৮ ৩,৫৩৮ ১,২৩,৮৮০
১০৭ উগান্ডা ১,২৫,১৮৬ ৩,১৮৫ ৯৬,৩৭৮
১০৮ সাইপ্রাস ১,২০,৬৪০ ৫৬৩ ৯০,৭৫৫
১০৯ কম্বোডিয়া ১,১৬,৬৬৫ ২,৬৫৮ ১,১০,৮৭০
১১০ এল সালভাদর ১,১০,১৮৮ ৩,৪৭৭ ৯২,১৭৩
১১১ রুয়ান্ডা ৯৯,১৪৫ ১,৩১৩ ৪৫,৫০৬
১১২ ক্যামেরুন ৯৮,৪০২ ১,৫৫০ ৮০,৪৩৩
১১৩ চীন ৯৬,৫৪৬ ৪,৬৩৬ ৯১,৩৯৪
১১৪ জ্যামাইকা ৮৭,৩৮৯ ২,১১০ ৫৫,৪৬২
১১৫ মালদ্বীপ ৮৬,১৬৫ ২৩৮ ৮৪,৬২৭
১১৬ লুক্সেমবার্গ ৭৯,৭২০ ৮৩৯ ৭৭,৪৪৭
১১৭ সেনেগাল ৭৩,৮৬৬ ১,৮৭১ ৭১,৯৭০
১১৮ অ্যাঙ্গোলা ৬২,৮৪২ ১,৬৬৪ ৫০,৬২৬
১১৯ মালাউই ৬১,৭১৬ ২,২৯২ ৫৬,৮২৫
১২০ আইভরি কোস্ট ৬১,০৩৮ ৬৮২ ৫৯,৪৪৭
১২১ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৫৭,২৬৯ ১,০৮৯ ৫০,৯৩০
১২২ গুয়াদেলৌপ ৫৪,১৫২ ৭৩১ ২,২৫০
১২৩ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫৪,১১৪ ১,৬০০ ৪৮,১৪১
১২৪ রিইউনিয়ন ৫৪,০২৪ ৩৭০ ৫৩,৫২০
১২৫ ফিজি ৫১,৭০১ ৬৬৩ ৪৮,২২১
১২৬ সুরিনাম ৪৬,৪৪৭ ১,০২২ ২৭,০৭১
১২৭ ইসওয়াতিনি ৪৬,৩৬৩ ১,২৩৩ ৪৪,৯১২
১২৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৩,৩৭৬ ২৯৫ ৯,৯৯৫
১২৯ মাদাগাস্কার ৪২,৮৯৮ ৯৫৮ ৪২,৫৪৫
১৩০ মার্টিনিক ৪২,১৬৭ ৬৩৮ ১০৪
১৩১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪০,১৭৮ ৬৩৩ ৩৩,৫০০
১৩২ সুদান ৩৯,৫৫০ ৩,০৩৮ ৩২,৮৭২
১৩৩ সিরিয়া ৩৯,০৮৬ ২,৪০৮ ২৫,০১৫
১৩৪ কেপ ভার্দে ৩৮,০৪০ ৩৪৭ ৩৭,২৮১
১৩৫ মালটা ৩৭,৪৫৩ ৪৫৯ ৩৬,৩৩০
১৩৬ মৌরিতানিয়া ৩৬,৬৭৭ ৭৮৮ ৩৫,৪৪৬
১৩৭ গায়ানা ৩৪,৪৫৫ ৮৭০ ২৯,৭৩২
১৩৮ গ্যাবন ৩৩,৪৪২ ২১৩ ২৭,৮৭৯
১৩৯ লাওস ৩২,০২৯ ৪০ ৬,৫৫৮
১৪০ গিনি ৩০,৫৭২ ৩৮৫ ২৯,২৩৩
১৪১ তানজানিয়া ২৬,০৩৪ ৭২৪ ১৮৩
১৪২ টোগো ২৫,৮৯৯ ২৩৯ ২৫,১৯৪
১৪৩ বেনিন ২৪,৫৬০ ১৬১ ২৩,৯৭১
১৪৪ পাপুয়া নিউ গিনি ২৪,০৪১ ২৬৬ ১৯,৮৪০
১৪৫ বেলিজ ২৩,৯৯০ ৪৬১ ২০,৭২৪
১৪৬ হাইতি ২২,৯৩৩ ৬৫৭ ২০,০৪৩
১৪৭ সিসিলি ২১,৮৩৩ ১১৯ ২১,৪৩০
১৪৮ বাহামা ২১,৫৮০ ৫৯০ ১৯,৬৮৩
১৪৯ লেসোথো ২১,৫৩০ ৬৫৫ ১১,৯৯৭
১৫০ সোমালিয়া ২১,২৬৯ ১,১৮০ ৯,৯২৭
১৫১ মায়োত্তে ২০,৪৩৯ ১৮১ ২,৯৬৪
১৫২ পূর্ব তিমুর ১৯,৭১৪ ১১৯ ১৯,৪৯৬
১৫৩ বুরুন্ডি ১৯,৫৫৫ ৩৮ ৭৭৩
১৫৪ তাজিকিস্তান ১৭,০৮৬ ১২৪ ১৬,৯৬০
১৫৫ কিউরাসাও ১৬,৯৩৪ ১৭১ ১৬,৪৮৭
১৫৬ মরিশাস ১৬,৬২১ ১২৯ ১,৮৫৪
১৫৭ তাইওয়ান ১৬,৩৩৭ ৮৪৬ ১৫,৩৫২
১৫৮ নিকারাগুয়া ১৫,৭৩৭ ২০৬ ৪,২২৫
১৫৯ আরুবা ১৫,৭২০ ১৭০ ১৫,৩৯৫
১৬০ মালি ১৫,৬১৯ ৫৫৭ ১৪,৪৭৮
১৬১ কঙ্গো ১৫,৫১৪ ২২২ ১২,৪২১
১৬২ এনডোরা ১৫,৩৩৮ ১৩০ ১৫,১৩৯
১৬৩ বুর্কিনা ফাঁসো ১৪,৭৩৪ ২০৩ ১৪,১৬৪
১৬৪ জিবুতি ১৩,৩৯৬ ১৭৯ ১৩,০৬১
১৬৫ বার্বাডোস ১২,৯৬৮ ১১৯ ৯,৩৩০
১৬৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১২,৮৪০ ১৫৬ ১২,২৬৩
১৬৭ আইসল্যান্ড ১২,৪৫৫ ৩৩ ১১,৯২৩
১৬৮ হংকং ১২,২৯৫ ২১৩ ১১,৯৯২
১৬৯ সেন্ট লুসিয়া ১২,২২৮ ২৩৬ ১১,৪৩৯
১৭০ দক্ষিণ সুদান ১২,১৮৪ ১৩০ ১১,৭২৬
১৭১ চ্যানেল আইল্যান্ড ১২,১৭৪ ৯৮ ১১,৬৫৬
১৭২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১১,৪৬৯ ১০০ ৬,৮৫৯
১৭৩ ব্রুনাই ১০,৮৬০ ৭৩ ৮,০৪৫
১৭৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৯,৯৭৭ ২৪১ ৫৮
১৭৫ গাম্বিয়া ৯,৯৪৬ ৩৩৯ ৯,৬০০
১৭৬ ইয়েমেন ৯,৫২৬ ১,৮০৪ ৬,০৫৪
১৭৭ আইল অফ ম্যান ৮,৫৭৮ ৫৪ ৭,৬৮১
১৭৮ ইরিত্রিয়া ৬,৭৭৪ ৪৫ ৬,৬৭৭
১৭৯ সিয়েরা লিওন ৬,৩৯৬ ১২১ ৪,৩৯৩
১৮০ নাইজার ৬,১৭০ ২০৪ ৫,৮৫৮
১৮১ গিনি বিসাউ ৬,১৩০ ১৪১ ৫,৩৯৬
১৮২ লাইবেরিয়া ৫,৯১৫ ২৮৬ ৫,৪৫৮
১৮৩ জিব্রাল্টার ৫,৭৫৮ ৯৮ ৫,৪৯৯
১৮৪ গ্রেনাডা ৫,৭৩৪ ১৯২ ৫,৩৯৫
১৮৫ বারমুডা ৫,৫৬৭ ৯৫ ৫,১২২
১৮৬ সান ম্যারিনো ৫,৪৭০ ৯১ ৫,৩৪৩
১৮৭ চাদ ৫,০৬৭ ১৭৪ ৪,৮৭৪
১৮৮ নিউজিল্যান্ড ৫,০৫৫ ২৮ ৪,৩৭৫
১৮৯ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৪,৬২৩ ৫৩ ২,৮৫৩
১৯০ সিন্ট মার্টেন ৪,৪৪৪ ৭১ ৪,৩০৯
১৯১ কমোরস ৪,১৮৬ ১৪৭ ৪,০১৬
১৯২ ডোমিনিকা ৪,১৫৩ ২৮ ৩,৮৪১
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৩,৮৮৮ ৯৫ ৩,০৬৯
১৯৪ সেন্ট মার্টিন ৩,৮১৯ ৫৫ ১,৩৯৯
১৯৫ লিচেনস্টেইন ৩,৪৯০ ৬০ ৩,৩৯০
১৯৬ মোনাকো ৩,৩৫৮ ৩৩ ৩,২৮৪
১৯৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৯২৫ ২৩ ২,৮৫৫
১৯৮ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২,৭২৫ ৩৭ ২,৬৪৯
১৯৯ ভুটান ২,৬১৭ ২,৬০৫
২০০ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২,৫৫০ ২১ ১,৮৩৫
২০১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ২,৩৩৫ ১৯ ৬,৪৪৫
২০২ সেন্ট বারথেলিমি ১,৫৮৮ ৪৬২
২০৩ ফারে আইল্যান্ড ১,৩৫০ ১,২৬১
২০৪ কেম্যান আইল্যান্ড ১,০১১ ৮২৭
২০৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২০৬ এ্যাঙ্গুইলা ৬৬৮ ৫৮৭
২০৭ গ্রীনল্যাণ্ড ৬৫৪ ৬৯১
২০৮ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৮
২০৯ ম্যাকাও ৭৭ ৬৬
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৮ ৬৭
২১১ মন্টসেরাট ৪১ ৩১
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ৩২ ৩২
২১৩ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ পালাও
২১৮ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৯ ভানুয়াতু
২২০ সামোয়া
২২১ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]