জীবন সংগ্রামে মধ্য-নিম্নবিত্তের চাপা কান্না

প্রদীপ দাস
প্রদীপ দাস প্রদীপ দাস , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৩৮ পিএম, ২০ এপ্রিল ২০২১

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশে দ্বিতীয় দফায় কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন) জারি হয়েছে। আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত এই লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে সরকার। দীর্ঘমেয়াদি এই লকডাউনে গভীর সঙ্কটে পড়েছেন মুচি থেকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ। নিম্ন আয়ের মানুষ তিনবেলা দু-মুঠো ভাত যোগাতেও হিমশিম খাচ্ছেন।

অন্যদিকে গত লকডাউনের প্রভাব কিছুটা কাটিয়ে না উঠতেই নতুন করে লকডাউনে পড়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে আছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। সার্বিকভাবে ভয়াবহ সঙ্কটে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ।

এদিকে গত বছর লকডাউনে নানা ধরনের প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করলেও এবার তেমন উদ্যোগও লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। হতদরিদ্ররাও সরকারের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত তেমন সাহায্য-সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলেও তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

লকডাউনে পড়ে সৃষ্ট দুর্ভোগ-কষ্টের কথা রাজধানীর নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে শুনেছে জাগো নিউজ। কেউ বলেছেন চরম অর্থকষ্টের কথা, কেউ বলেছেন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা। কেউ আবার স্বপ্ন সাজানোর পথে হোঁচট খাওয়ার কথা বলতে গিয়ে হয়েছেন আবেগতাড়িত।

jagonews24

লকডাউনের কারণে আগের মতো ভাড়া মিলছে না, বলছেন রিকশাচালকরা

‘মাত্র ২০ টাকা কামাইছি, দুপুরে খাওয়াও সম্ভব নয়’
স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েকে নিয়ে ভাড়া বাসায় রাজধানীতেই থাকেন মহেশ দাস। মিরপুর ১০ নম্বর মোড়ে জুতা রং ও সেলাইয়ের কাজ করেন তিনি। কিন্তু লকডাউনে পরিবার নিয়ে বেশ বিপাকে আছেন। একদিকে যেমন দোকান খুলে ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না, অন্যদিকে তেমন কাজও পাচ্ছেন না। দিনশেষে ৪০ থেকে ৫০ টাকার বেশি ঘরে তুলতে পারছেন না বলে জানান মহেশ। এতে অনেকটা অর্ধাহারে পরিবার নিয়ে দিনাতিপাত করছেন তিনি।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে মহেশ জাগো নিউজকে বলেন, ‘সকালে রুটি আর ভাজি খেয়ে বাইর হইছি। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় পানি নিয়ে আসছি। সেই পানি খেয়েই এখনো আছি। লকডাউন বহুত কষ্টের মধ্যে ফেলে দিছে। সকাল থেকে পুলিশ তিনবার উঠাই দিছে, তারপরও আইসা বসছি। বইসা ১০ টাকা ১০ টাকা, মোট ২০ টাকার কাজ করলাম। এখন আমি যে দুপুরে কিছু খাবো, ওইটাও আর সম্ভব না।’

jagonews24

মিরপুর ১০ নম্বর মোড়ে ফলের দোকান চালান রেজাউল শেখ। তার ভাষ্য লকডাউনে ব্যবসা নেই

তিনি বলেন, ‘সরকারের কাছ থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা পাই নাই। কষ্ট বলেই তো লকডাউনের মধ্যে কাস্টমার না থাকার পরেও এখানে বসে আছি।’

‘দুই কার্টন আপেল, পাঁচ কেজি মাল্টা, অর্ধেক আঙুর পচে গেছে’
ঢাকায় এসে তিন সপ্তাহ আগে মিরপুর ১০ নম্বর মোড়ে ফলের দোকান দিয়েছেন মো. রেজাউল শেখ। প্রথম সপ্তাহ লাভের মুখ দেখলেও দুই সপ্তাহ ধরে বিক্রি কম, এর মধ্যে আবার কিছু মালামালে পচন ধরেছে। এতে লোকসানের মুখে পড়েছেন তিনি।

রেজাউল শেখ বলেন, ‘নিয়মিত দোকান করতে পারি না। সকাল ১০টায় খুলি, বিকেল ৩টায় বন্ধ করে ফেলতে হয়। ৩টার উপরে গেলে পুলিশ ধাওয়া দেয়। কাঁচামাল তো পচে যায়। টেনশনে থাকি। এই তিনদিনে দুই কার্টন আপেল ফেলছি। মাল্টা পাঁচ কেজির মতো ফেলে দিছি। আর আঙুর গেছে প্রায় অর্ধাঅর্ধি। আঙুর বেশি পচে। তারপর থেকে আর আঙুর আনি না। সবমিলিয়ে আমার প্রায় সাড়ে চার হাজার টাকার মাল পচে গেছে।’

jagonews24

অনেক রিকশাচালকের অভিযোগ, লকডাউনে প্রায়ই তাদের রিকশার গদি নিয়ে যান পুলিশ কর্মকর্তারা

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের আইন তো মানতে অইবো। কিন্তু পেটতো আর মানে না। কিস্তি, বাসা ভাড়া এগুলো তো আর মানবো না। নিজের একটা খরচ আছে। গ্রামের বাড়িতে থাকা বউ-বাচ্চাদের জন্য টাকা পাঠাতে হচ্ছে। অথচ ব্যবসায় লাভ নাই, বরং ক্ষতির মধ্যে আছি। সবমিলিয়ে বর্তমানে একটু কষ্টে আছি।’

‘রিকশার গদি খুইলে রাখে, রুজি বন্ধে হয়ে যায়’
ঝিনাইদহের কালিগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে মা, বউ, এক ছেলে ও এক মেয়ে থাকে রিকশাচালক মো. মজিবরের। গত বছর জারি হওয়া প্রথম দফার লকডাউন কেটে গেলে ঢাকায় আসেন তিনি। তারপর মাত্র একবার তিনি গ্রামের বাড়িতে গেছেন। সংসার চালাতে ঢাকায় রিকশা চালিয়ে যাচ্ছেন অনবরত।

লকডাউনে রিকশা চালানোর বিষয়ে মজিবর বলেন, ‘রাস্তাঘাটে গদি-মদি খুইলে রাখছে পুলিশ। অনেক সময় তো যাত্রী নামায়ে দিতেছে। খুবই কষ্টে আছি। বাড়িতে ছেলেপেলে, মা আছে। তারা রোজা থাকে। তাদের তো একটা আহার আছে। আমরা তো অইডা পারছি না দিতে। আমাদের গদি খুইলে রাখছে। আমাদের রুজিই বন্ধে হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘রিকশা চলে। কিন্তু কহন কী করছে, সেইডাই তো বলা যাচ্ছে না। কাইলকা এইরহম ১৪ নম্বর বইসে আছি, গপ কইরে মোটরসাইকেল এসে গদি খুইলে নিয়ে গেল। কী করবেন কন, কিছু করার নাই। পরে এক ঘণ্টা রাইখা আবার দিয়া দিলে। ইনকাম আছে। কিন্তু করতে তো পারছি না। ভয়ে ভয়ে এভাবে তো করা যায় না। চুরি করছি না, বদমাইশি করছি না, রুজি করবো তাও ভয়। এইডা একটা দেশ হইলো বলেন?’

jagonews24

দক্ষিণ মণিপুরের কুষ্টিয়া স্যালুনে কাজ করছেন মো. মুস্তাফিজ রহমান

লকডাউনে অনেকে শপিংশল, দোকানপাট খুলতে পারছে না। আপনারা তো রিকশা চালাতে পারছেন। এর জবাবে মজিবর বলেন, ‘ওদের তো আছে। আমাদের তো কিছু নেই। আমাদের তো শরীরের ওপর দিয়ে চলে। আমাগে শরীরডা অচল থাকলে হাড়ি শিকেয় থাকে। শরীর চললে সংসার চলে।’

‘রিকশা না বের করলে বাড়িতে বাপ-মা-বউ-বাচ্চা তিনবেলা খেতেও পারবে না’
বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) মিরপুর ১০ নম্বর থেকে যাত্রী নিয়ে মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বরে যাচ্ছিলেন রিকশাচালক মো. ফরিদ। অল্প এগোতেই পুলিশ তার রিকশা আটকায়। যাত্রীকে নামিয়ে দিয়ে তার রিকশা উল্টিয়ে দেয়। তারপর রিকশার সিট নিয়ে চলে যায় পুলিশ। সিটের জন্য দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করেন ফরিদ। একপর্যায়ে লোকমুখে শুনতে পারেন সিট আর দেবে না পুলিশ। তারপর মহাজনের কাছে গিয়ে আরেকটি সিট নিয়ে রিকশা চালাতে বের হন ফরিদ।

তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘মহাজন বলেন, সিটের দাম প্রায় ৫০০ টাকা। তুমি সিটটা দিয়ে চলে আইলা? মহাজন সিটের টাকা চেয়েছে, কিন্তু এখনও আমি কিছু বলি নাই।’

ফরিদের গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ে। সেখানে তার মা, বাবা, বউ, ছেলেমেয়ে আছে। তিনি বলেন, ‘কী করবো, আমাদের তো না বের হলে চলে না। দিন আনি, দিন খাইতে হয়। এহন লকডাউন দিছে সরকার, এক সপ্তাহের যদি খাওনদাওন দিত, তাও দেয় না। বাড়িতে এহন সবাই রোজা। আমি যদি রিকশা না বাইর করি, বাড়িতে ঠিকমতো তিনবেলা ভাত খেতে পারবে না।’

লকডাউনের শুরুতে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার জন্য রওনা দিয়েছিলেন ফরিদ। কিন্তু সিট ভাড়া ১৫০০ থেকে দুই হাজার টাকা করে চেয়েছে। এত টাকা দিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য ছিল না ফরিদের।

jagonews24

‘মুড়ি মটকা’ রেস্তোরাঁর কর্মচারী মো. বুলবুল ইসলাম বলেন, দোকান খোলার খরচও উঠছে না এবারের লকডাউনে

তিনি বলেন, ‘এহন আমাদের গরিবদের খুব অবস্থা খারাপ। লকডাউনে ইনকাম করতে পারছি না। বাড়িতে গেলে জিনিসপত্রের দাম বেশি। চালের কেজি ৫০ টাকা। চলা খুব কঠিন।’

‘যারা বড়লোক তারা ঘর থেকে বের হয় না। তাদের খাবার আছে। যারা গার্মেন্টস কর্মী, তারা তো ৩০ টাকা ভাড়া দেবে না। ওরা তো হিসাব করে চলে’, বলেন এই রিকশাচালক।

‘বিক্রি নেই, ফার্নিচার বানিয়ে জমা করছি’
রাজধানীর দক্ষিণ মণিপুর এলাকার শাহাবুদ্দিন ফার্নিচারে ১০ জনের বেশি লোক কাজ করেন। লকডাউনেও তাদের কাজ থেমে নেই। দোকানের শাটার বন্ধ করে চলে তাদের কাজ। কাজ চললেও সেসব ফার্নিচার বিক্রি করতে পারছেন না তারা।

এই ফার্নিচার দোকানের রং মিস্ত্রি মো. রফিকুল জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা কাজ করতেছি, কিন্তু মহাজন কোনো মাল বিক্রি করতে পারছেন না। এবার প্রথম যে লকডাউন দিয়েছে, তারপর থেকেই বিক্রি কমে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘ফার্নিচার আমরা বানিয়েও বিক্রি করি, আবার অর্ডার দিলেও সেটা বানিয়ে দিই। কিন্তু বর্তমানে কোনো কাজের অর্ডার পাইতেছি না। আমরা এখন যা বানাচ্ছি, সেগুলো স্টোরেজে রাখতেছি।’

এখন পর্যন্ত সবারই বেতন হচ্ছে। এভাবে ঘাটতি দিতে থাকলে সামনের দিনগুলোয় কাজ বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন রফিকুল।

‘আমরা দুর্ভিক্ষের মধ্যে আছি’
গত বছর লকডাউনের সময় কুষ্টিয়ার গ্রামের বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন মো. মুস্তাফিজ রহমান। কাজ না থাকায় সেই সময় কঠিন আর্থিক সঙ্কটে পড়ে যান। সেই হিসাব করে এবার লকডাউন দিলেও গ্রামের বাড়িতে না গিয়ে ঢাকাতেই আছেন তিনি। বর্তমানে তিনি দক্ষিণ মণিপুরের কুষ্টিয়া স্যালুনে কাজ করছেন।

মুস্তাফিজ রহমান বলেন, ‘কাস্টমার আগের মতো হয় না। অনেকটাই কম। দোকান তো মনে করেন খুলতেই পারি না। সকাল ৯টা বাজলে খুলি, চোর-পুলিশ চোর-পুলিশ খেলার মতো চলে। সন্ধ্যার পরে আর খোলা হয় না। পুলিশ এসে ঝামেলা করে। ধরে নিয়ে গেলে এক হাজার টাকা নেয়, তারপর ছেড়ে দেয়। আমরা এভাবেই আছি। আমাদের অবস্থা খুব শোচনীয়। এদিকে দোকানভাড়া, বাসাভাড়া, নিজেদের খরচ—আমরা খুবই দুর্ভিক্ষের মধ্যে আছি।’

jagonews24

এবারের লকডাউনে খাবারের কষ্টটা বেশি পেতে হচ্ছে ভবঘুরেদের

তিনি বলেন, ‘কাস্টমার আগের চেয়ে অনেক কম। কাস্টমার অনেকে আসে। অনেকে ভয়ে ভয়ে আসে না। আগে প্রতিদিন দেড় হাজার থেকে দুই হাজার টাকা আয় করতে পারতাম। এখন যা আয় হয়, তা ভাড়া ও খাওয়া-দাওয়ায় চলে যায়।’

‘দোকানটা খুললে একটা খরচ আছে, সেটাও উঠছে না’
বিভিন্ন ফলের জুস, ড্রিংকস, চাসহ পানীয় বিক্রি করে মিরপুর স্টেডিয়ামের কাছের রেস্তোরাঁ ‘মুড়ি মটকা’। এর কর্মচারী মো. বুলবুল ইসলাম বলেন, ‘বেচাকেনা আগের মতো নাই। একদমই কম, নাই বললেই চলে। আগে ১০ হাজার টাকা বিক্রি হলে এখন ৫০০ টাকাও বিক্রি হচ্ছে না। রাস্তাঘাটে আগের মতো লোক নাই। ব্যবসা ঠিকমতো না হওয়ায় প্রতিদিনই লস আসছে। দোকানটা খুললেই একটা খরচ আছে। এখনও তো সেই খরচও উঠছে না। খুব খারাপ অবস্থায় আছি। তারপরও ব্যবসাটা চালু রাখার জন্য দোকান খোলা রাখছেন মালিক। এজন্য আমাদের বেতনও সমস্যা হচ্ছে। কিছু কিছু দিয়ে আমাদেরকে চালিয়ে নিচ্ছে।’

ভবঘুরেদেরও খাবার কষ্ট বেড়েছে
লকডাউনে ভিক্ষাবৃত্তিও তুলনামূলকভাবে বেড়েছে। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর মিরপুর-১০ নম্বর মোড়ে এক তরমুজের দোকানে দেখা যায়, একজন তরমুজ কিনে টাকা দিচ্ছেন। ক্রেতার কাছ থেকে ভিক্ষা নেয়ার জন্য তিনজন ভিক্ষুক হাত পেতে আছেন।

যারা ভিক্ষা করতেন কিংবা ভবঘুরে ছিলেন, এই লকডাউনে যেন তাদেরও কষ্ট কিছুটা বেড়েছে। আগে ডিশ-অ্যান্টেনার কাজ করলেও গত দুই বছর ধরে ভবঘুরে জীবনযাপন করছেন মো. সুজন। থাকেন ফুটপাত-ওভারব্রিজে। লকডাউনের মধ্যে খাবার জুটছে কীভাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হোটেল-টোটেল থেকে খাবার চেয়ে নিয়ে খাই। লকডাউনের মধ্যে কম হোটেল খোলা থাকে। আগে মানুষ খাবার দিয়া যাইতো রাতে। এখন দেয় না। একবেলা খাইলে আরেকবেলা না খেয়ে থাকা লাগে।’

পিডি/ইএ/এইচএ/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৬,৪৩,১৬,২৭০
আক্রান্ত

৩৪,০৬,০২৭
মৃত

১৪,৪২,৯২,৮০৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৭,৮০,৮৫৭ ১২,১৮১ ৭,২৩,০৯৪
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৩৭,৪৭,৪৩৯ ৬,০০,৫৩৩ ২,৭২,০২,৩০৯
ভারত ২,৫২,২৮,৯৯৬ ২,৭৮,৭৫১ ২,১৫,৯৬,৫১২
ব্রাজিল ১,৫৬,৬১,১০৬ ৪,৩৬,৮৬২ ১,৪১,৫২,৪৩৩
ফ্রান্স ৫৮,৮১,১৩৭ ১,০৭,৮১২ ৫১,৫২,৫৬৬
তুরস্ক ৫১,২৭,৫৪৮ ৪৪,৯৮৩ ৪৯,৬১,১২০
রাশিয়া ৪৯,৫৭,৭৫৬ ১,১৬,৫৭৫ ৪৫,৭২,২২৬
যুক্তরাজ্য ৪৪,৫২,৭৫৬ ১,২৭,৬৮৪ ৪২,৭৯,২৬৭
ইতালি ৪১,৬২,৫৭৬ ১,২৪,২৯৬ ৩৭,১৫,৩৮৯
১০ স্পেন ৩৬,১৫,৮৬০ ৭৯,৪৩২ ৩৩,৩৩,৫৮৭
১১ জার্মানি ৩৬,০৮,২৯২ ৮৬,৮৭০ ৩৩,২০,৩০০
১২ আর্জেন্টিনা ৩৩,৩৫,৯৬৫ ৭১,০২৭ ২৯,৭৩,২৬৭
১৩ কলম্বিয়া ৩১,৩১,৪১০ ৮১,৮০৯ ২৯,৩১,২৮০
১৪ পোল্যান্ড ২৮,৫৬,৯২৪ ৭১,৯২০ ২৬,০৯,২১৬
১৫ ইরান ২৭,৬৫,৪৮৫ ৭৭,২২২ ২২,৪২,০২৩
১৬ মেক্সিকো ২৩,৮২,৭৪৫ ২,২০,৪৮৯ ১৯,০৩,৪৯৪
১৭ ইউক্রেন ২১,৬০,০৯৫ ৪৮,৪৬৯ ১৮,৮২,৩৪৪
১৮ পেরু ১৮,৯৩,৩৩৪ ৬৬,৪৭১ ১৭,২০,৬৬৫
১৯ ইন্দোনেশিয়া ১৭,৪৮,২৩০ ৪৮,৪৭৭ ১৬,১২,২৩৯
২০ চেক প্রজাতন্ত্র ১৬,৫৪,২১৯ ২৯,৯৩৩ ১৫,৯৯,৮৮১
২১ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৬,১৫,৪৮৫ ৫৫,২৬০ ১৫,২৬,৬৩৮
২২ নেদারল্যান্ডস ১৬,০০,৯৯৩ ১৭,৪৫৬ ১৩,৭৭,৮৭৯
২৩ কানাডা ১৩,৩৪,১০৮ ২৪,৯৮৩ ১২,৪১,৫০০
২৪ চিলি ১২,৯২,০৯৬ ২৭,৯৩৪ ১২,২৫,৮৪৬
২৫ ফিলিপাইন ১১,৫৪,৩৮৮ ১৯,৩৭২ ১০,৮২,৭২৫
২৬ ইরাক ১১,৪২,৯২৫ ১৫,৯৯৫ ১০,৫০,৬৮৭
২৭ রোমানিয়া ১০,৭২,৯৭২ ২৯,৬৬২ ১০,২৭,৪১২
২৮ সুইডেন ১০,৩৭,১২৬ ১৪,২৭৫ ৮,৯৭,২৪৫
২৯ বেলজিয়াম ১০,৩২,৮৯৫ ২৪,৭২৩ ৯,১০,৬৫২
৩০ পাকিস্তান ৮,৮২,৯২৮ ১৯,৭৫২ ৭,৯৫,৫১১
৩১ পর্তুগাল ৮,৪২,৩৮১ ১৭,০০৯ ৮,০৩,১৯১
৩২ ইসরায়েল ৮,৩৯,১৫৯ ৬,৩৮৯ ৮,৩২,০৯৩
৩৩ হাঙ্গেরি ৭,৯৮,৯৫৫ ২৯,২৭৭ ৬,৪০,৯৬৪
৩৪ জর্ডান ৭,২৫,২৫৮ ৯,২৭৬ ৭,১০,৪৪৫
৩৫ সার্বিয়া ৭,০৭,০৩৩ ৬,৬৯৬ ৬,৭৯,২৫৬
৩৬ জাপান ৬,৮৩,১৭৫ ১১,৫০৮ ৫,৯৫,১৭৭
৩৭ সুইজারল্যান্ড ৬,৮২,১৬০ ১০,৭৪৪ ৬,২১,৬৯৫
৩৮ অস্ট্রিয়া ৬,৩৮,১৫৫ ১০,৪৯৯ ৬,১৮,৭৯৮
৩৯ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫,৪৭,৪১১ ১,৬৩৩ ৫,২৭,৫১৯
৪০ লেবানন ৫,৩৫,৯৫৪ ৭,৬৩১ ৫,০০,৮৭২
৪১ মরক্কো ৫,১৫,০২৩ ৯,১০৪ ৫,০৩,৪৮৩
৪২ মালয়েশিয়া ৪,৭৯,৪২১ ১,৯৯৪ ৪,৩২,৬০০
৪৩ নেপাল ৪,৬৪,২১৮ ৫,২১৫ ৩,৪৫,৫২৩
৪৪ সৌদি আরব ৪,৩৩,৯৮০ ৭,১৭৪ ৪,১৮,৯১৪
৪৫ বুলগেরিয়া ৪,১৪,৮৬৯ ১৭,৩৪৩ ৩,৬৪,৬৮২
৪৬ ইকুয়েডর ৪,১০,৮৭০ ১৯,৭৮৬ ৩,৫৪,৪৯৯
৪৭ স্লোভাকিয়া ৩,৮৭,৮৯২ ১২,২৪৮ ৩,৭১,৩৭১
৪৮ গ্রীস ৩,৭৮,৪৮৫ ১১,৪৭১ ৩,৪০,৬১২
৪৯ বেলারুশ ৩,৭৭,৫৩২ ২,৭১১ ৩,৬৭,৮৪০
৫০ পানামা ৩,৭১,১৪৫ ৬,২৯৭ ৩,৫৯,৪৮১
৫১ কাজাখস্তান ৩,৬২,০৩০ ৪,০৯৫ ৩,২০,২৪১
৫২ ক্রোয়েশিয়া ৩,৫০,৯৯৭ ৭,৭৬৫ ৩,৩৮,৩৬১
৫৩ বলিভিয়া ৩,৩৪,৮২৪ ১৩,৫৬৬ ২,৭৩,৪০৩
৫৪ জর্জিয়া ৩,৩২,৪৪১ ৪,৪৯৯ ৩,১২,৩৪৯
৫৫ আজারবাইজান ৩,৩০,২৬৯ ৪,৭৯২ ৩,১৫,৪১৫
৫৬ তিউনিশিয়া ৩,২৭,৪৭৩ ১১,৮৯৯ ২,৮৮,৯৩৫
৫৭ প্যারাগুয়ে ৩,১৫,৫৪৭ ৭,৬৯২ ২,৬২,৩৩৬
৫৮ ফিলিস্তিন ৩,০৪,০৭৪ ৩,৪৩৭ ২,৯৩,৮০৮
৫৯ কুয়েত ২,৯২,৪৯০ ১,৬৯৬ ২,৭৮,৮২৪
৬০ কোস্টারিকা ২,৮৮,৬২৬ ৩,৬২৫ ২,২৪,৩৫৪
৬১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,৭৭,৯১৯ ৩,৫৮৯ ২,৩৪,০৯৮
৬২ ডেনমার্ক ২,৬৭,৩৩৯ ২,৫০৩ ২,৫১,৬৬৫
৬৩ লিথুনিয়া ২,৬৬,৭৯৫ ৪,১২৬ ২,৪২,১০৩
৬৪ ইথিওপিয়া ২,৬৬,৬৪৬ ৪,০০৮ ২,২০,৬৪২
৬৫ আয়ারল্যান্ড ২,৫৬,০৩২ ৪,৯৪১ ২,৩৮,২৯৭
৬৬ মলদোভা ২,৫৩,৯৫৪ ৬,০৩৪ ২,৪৫,০৩১
৬৭ স্লোভেনিয়া ২,৪৯,৪২৪ ৪,৩২৭ ২,৩৭,৬৩০
৬৮ মিসর ২,৪৬,৯০৯ ১৪,৩৮৮ ১,৮২,০২৪
৬৯ উরুগুয়ে ২,৪২,৯০৬ ৩,৫২১ ২,১২,০৫১
৭০ গুয়াতেমালা ২,৪১,৫২৮ ৭,৮৯৩ ২,২২,০৪৯
৭১ হন্ডুরাস ২,২৭,৫১৬ ৫,৯৭০ ৮২,৯২০
৭২ আর্মেনিয়া ২,২১,১৩৯ ৪,৩৪৬ ২,০৯,২২২
৭৩ ভেনেজুয়েলা ২,১৬,৪১৫ ২,৪১১ ২,০০,৩৮১
৭৪ কাতার ২,১৩,৪৮৫ ৫৩২ ২,০৭,৭৯৬
৭৫ ওমান ২,০৭,১০৯ ২,২১৯ ১,৯১,৫৩৯
৭৬ বাহরাইন ২,০২,৫৫৬ ৭৫২ ১,৮৫,৬১৯
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,০২,৪৯০ ৯,০৫১ ১,৬৯,৪৫৫
৭৮ লিবিয়া ১,৮২,০১২ ৩,০৯৭ ১,৬৮,৭৮৫
৭৯ নাইজেরিয়া ১,৬৫,৭৭৮ ২,০৬৭ ১,৫৬,৪১৫
৮০ কেনিয়া ১,৬৫,৫৩৭ ৩,০১৩ ১,১৩,৮৭৪
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৫৪,৭২৫ ৫,২৩০ ১,৪৬,০৪৩
৮২ শ্রীলংকা ১,৪৫,২০২ ৯৮১ ১,১৯,৬২৯
৮৩ মায়ানমার ১,৪৩,০৯৭ ৩,২১৩ ১,৩২,১২৩
৮৪ দক্ষিণ কোরিয়া ১,৩২,৮১৮ ১,৯০৪ ১,২২,৬৩১
৮৫ আলবেনিয়া ১,৩২,০৩২ ২,৪৩৫ ১,২৫,৪১৯
৮৬ লাটভিয়া ১,২৮,৬৮৮ ২,২৮০ ১,১৭,৭৯৯
৮৭ এস্তোনিয়া ১,২৭,৫০০ ১,২২৯ ১,১৯,৪২৮
৮৮ কিউবা ১,২৫,৫১১ ৮১৪ ১,১৭,৭৪৯
৮৯ আলজেরিয়া ১,২৫,৪৮৫ ৩,৩৮১ ৮৭,৪৭৬
৯০ নরওয়ে ১,১৯,৫০০ ৭৭৪ ৮৮,৯৫২
৯১ থাইল্যান্ড ১,১৩,৫৫৫ ৬৪৯ ৬৯,৯১৮
৯২ কিরগিজস্তান ১,০০,৭৩২ ১,৭১১ ৯৩,৮৮৬
৯৩ মন্টিনিগ্রো ৯৮,৮৯৮ ১,৫৬২ ৯৫,৯৯৯
৯৪ উজবেকিস্তান ৯৭,০৬৮ ৬৭২ ৯২,৫৮২
৯৫ ঘানা ৯৩,৩৩৩ ৭৮৩ ৯১,২৫২
৯৬ জাম্বিয়া ৯২,৪৬০ ১,২৬১ ৯০,৮৬২
৯৭ চীন ৯০,৮৯৪ ৪,৬৩৬ ৮৫,৯৬৩
৯৮ ফিনল্যাণ্ড ৯০,৩৯৮ ৯৩৩ ৪৬,০০০
৯৯ ক্যামেরুন ৭৪,৯৪৬ ১,১৫২ ৭০,৪৯৭
১০০ এল সালভাদর ৭১,৪৭৯ ২,১৯৫ ৬৬,৯০৩
১০১ সাইপ্রাস ৭১,২৩১ ৩৪৭ ৩৯,০৬১
১০২ মোজাম্বিক ৭০,৪৬৩ ৮২৮ ৬৮,৭৩১
১০৩ লুক্সেমবার্গ ৬৯,০৬৫ ৮০৮ ৬৬,১৮৩
১০৪ আফগানিস্তান ৬৪,১২২ ২,৭৬২ ৫৫,১১৮
১০৫ সিঙ্গাপুর ৬১,৬৫১ ৩১ ৬১,১২৩
১০৬ নামিবিয়া ৫১,৩৯০ ৭২৩ ৪৮,৩৫৫
১০৭ বতসোয়ানা ৫০,৮০০ ৭৭৪ ৪৭,৪৭৭
১০৮ মঙ্গোলিয়া ৪৯,৫২৪ ২২১ ৪২,৭২১
১০৯ জ্যামাইকা ৪৭,৩৯৬ ৮৬৩ ২৩,২৮১
১১০ আইভরি কোস্ট ৪৬,৬৬১ ২৯৮ ৪৬,১১৫
১১১ মালদ্বীপ ৪৫,৯৫৬ ১০১ ২৮,৮৪৯
১১২ উগান্ডা ৪২,৮৫৯ ৩৪৭ ৪২,৪২৯
১১৩ সেনেগাল ৪০,৮৭২ ১,১২৭ ৩৯,৫৯৭
১১৪ মাদাগাস্কার ৪০,৩২৬ ৭৭৪ ৩৮,১৬৬
১১৫ জিম্বাবুয়ে ৩৮,৫৭২ ১,৫৮২ ৩৬,৩৪৯
১১৬ সুদান ৩৪,২৭২ ২,৪৪৬ ২৭,৯৪৯
১১৭ মালাউই ৩৪,২১৬ ১,১৫৩ ৩২,২৪১
১১৮ অ্যাঙ্গোলা ৩০,৭৮৭ ৬৭৭ ২৫,৯৯৫
১১৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৩০,৬২০ ৭৭৬ ২৬,৬০৩
১২০ মালটা ৩০,৪৮৬ ৪১৭ ২৯,৯৪১
১২১ অস্ট্রেলিয়া ২৯,৯৮৩ ৯১০ ২৮,৯০০
১২২ কেপ ভার্দে ২৮,২৮১ ২৫১ ২৫,৪৩২
১২৩ রুয়ান্ডা ২৬,২১৫ ৩৪৫ ২৪,৭৬৪
১২৪ গ্যাবন ২৩,৯০৯ ১৪৫ ২০,৫৫৬
১২৫ সিরিয়া ২৩,৭৮৮ ১,৭০৫ ২১,০৭৩
১২৬ কম্বোডিয়া ২২,৮৮৯ ১৫৬ ১৪,৩৪৩
১২৭ গিনি ২২,৮৩০ ১৫২ ২০,৪২১
১২৮ রিইউনিয়ন ২২,৬৪৪ ১৬৯ ২১,৬০৩
১২৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২১,৮৪৫ ১০৯ ৯,৯৯৫
১৩০ মায়োত্তে ২০,১৭৬ ১৭১ ২,৯৬৪
১৩১ মৌরিতানিয়া ১৮,৮৫৮ ৪৫৭ ১৮,১৩৩
১৩২ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৮,৮১৬ ১৪১ ১৮,৬৫৬
১৩৩ ইসওয়াতিনি ১৮,৫২৩ ৬৭২ ১৭,৮০৩
১৩৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১৬,৫৪৯ ২৯৪ ১০,৩৭০
১৩৫ গুয়াদেলৌপ ১৬,০১৭ ২২১ ২,২৪২
১৩৬ গায়ানা ১৫,৩৫২ ৩৪৪ ১৩,০৮৫
১৩৭ সোমালিয়া ১৪,৪৮৬ ৭৫৩ ৬,৩২৫
১৩৮ মালি ১৪,১৯৪ ৫১১ ৯,২৯০
১৩৯ পাপুয়া নিউ গিনি ১৩,৭০৭ ১৩৬ ১১,০৩৪
১৪০ এনডোরা ১৩,৫৫৫ ১২৭ ১৩,২১১
১৪১ হাইতি ১৩,৪৬০ ২৭১ ১২,৪৩৫
১৪২ বুর্কিনা ফাঁসো ১৩,৩৯৭ ১৬৪ ১৩,১৯৯
১৪৩ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৪৪ টোগো ১৩,২৭৯ ১২৫ ১১,৯০১
১৪৫ বেলিজ ১২,৭৪২ ৩২৩ ১২,৩৪২
১৪৬ কিউরাসাও ১২,২৫৬ ১২০ ১২,০৬৯
১৪৭ সুরিনাম ১২,১০৭ ২৩০ ১০,৩২৫
১৪৮ হংকং ১১,৮২৭ ২১০ ১১,৫৩৫
১৪৯ মার্টিনিক ১১,৭৩৬ ৯০ ৯৮
১৫০ জিবুতি ১১,৪৩৪ ১৫১ ১১,২৬৬
১৫১ কঙ্গো ১১,৩৪৩ ১৪৮ ৮,২০৮
১৫২ বাহামা ১১,২২৫ ২২১ ১০,০৮০
১৫৩ আরুবা ১০,৮৫৭ ১০৫ ১০,৬৭২
১৫৪ লেসোথো ১০,৭৯০ ৩২০ ৬,৪২৭
১৫৫ দক্ষিণ সুদান ১০,৬৫২ ১১৫ ১০,৪৬২
১৫৬ সিসিলি ৯,৭৬৪ ৩৫ ৭,৮২৬
১৫৭ বেনিন ৭,৯৯৫ ১০১ ৭,৬৫২
১৫৮ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৭,৬৯৪ ১১২ ৭,২৭৯
১৫৯ নিকারাগুয়া ৭,০৮৬ ১৮৪ ৪,২২৫
১৬০ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৬,৮৬৬ ৯৫ ৫,১১২
১৬১ ইয়েমেন ৬,৫৬৮ ১,২৯৪ ৩,০৪২
১৬২ আইসল্যান্ড ৬,৫৪৮ ২৯ ৬,৪৫৬
১৬৩ গাম্বিয়া ৫,৯৫৭ ১৭৫ ৫,৭০১
১৬৪ নাইজার ৫,৩৩৯ ১৯২ ৪,৯৭৫
১৬৫ সান ম্যারিনো ৫,০৮৭ ৯০ ৪,৯৭৪
১৬৬ চাদ ৪,৯০৪ ১৭৩ ৪,৬৯১
১৬৭ সেন্ট লুসিয়া ৪,৮১৮ ৭৬ ৪,৫২১
১৬৮ পূর্ব তিমুর ৪,৫৮৯ ১০ ২,৪০৬
১৬৯ ভিয়েতনাম ৪,৩৮৬ ৩৭ ২,৬৬৮
১৭০ বুরুন্ডি ৪,৩৪৭ ৭৭৩
১৭১ জিব্রাল্টার ৪,২৯১ ৯৪ ৪,১৯২
১৭২ চ্যানেল আইল্যান্ড ৪,১১১ ৮৬ ৩,৯৬৫
১৭৩ সিয়েরা লিওন ৪,১০৭ ৭৯ ৩,১০৪
১৭৪ বার্বাডোস ৩,৯৬৮ ৪৬ ৩,৯৩২
১৭৫ ইরিত্রিয়া ৩,৮৬৮ ১৪ ৩,৬৭৬
১৭৬ কমোরস ৩,৮৬৩ ১৪৬ ৩,৬৯৯
১৭৭ গিনি বিসাউ ৩,৭৪৬ ৬৭ ৩,৪৩৮
১৭৮ লিচেনস্টেইন ২,৯৯০ ৫৮ ২,৮৮৭
১৭৯ নিউজিল্যান্ড ২,৬৫৩ ২৬ ২,৬০৮
১৮০ মোনাকো ২,৪৯৪ ৩২ ২,৪৪৬
১৮১ বারমুডা ২,৪৭৭ ৩২ ২,২৮৪
১৮২ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৪০৪ ১৭ ২,৩৬৫
১৮৩ সিন্ট মার্টেন ২,২৯২ ২৭ ২,২২৯
১৮৪ তাইওয়ান ২,২৬০ ১৪ ১,১২৭
১৮৫ লাইবেরিয়া ২,১৩১ ৮৫ ২,০১৬
১৮৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ১,৯৪০ ১২ ১,৭৭৪
১৮৭ সেন্ট মার্টিন ১,৭৭৩ ১২ ১,৩৯৯
১৮৮ লাওস ১,৬৩৮ ৫৮২
১৮৯ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১,৫৯৯ ১৭ ৬,৪৪৫
১৯০ আইল অফ ম্যান ১,৫৯১ ২৯ ১,৫৫৮
১৯১ ভুটান ১,২৯৬ ১,১৭৭
১৯২ মরিশাস ১,২৮৭ ১৭ ১,১৪৫
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১,২৫১ ৪২ ১,১৮২
১৯৪ সেন্ট বারথেলিমি ৯৭৪ ৪৬২
১৯৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৯৬ ফারে আইল্যান্ড ৬৭০ ৬৬৭
১৯৭ কেম্যান আইল্যান্ড ৫৬৫ ৫৪৭
১৯৮ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯৯ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৬
২০০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২৪৮ ২০৯
২০১ ব্রুনাই ২৩২ ২২০
২০২ ডোমিনিকা ১৭৮ ১৭৬
২০৩ ফিজি ১৭৪ ১১৯
২০৪ গ্রেনাডা ১৬১ ১৬০
২০৫ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১২৪ ৫৮
২০৬ এ্যাঙ্গুইলা ১০৯ ৯৫
২০৭ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৩ ৬৩
২০৮ ম্যাকাও ৫০ ৪৯
২০৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৪৫ ৪৫
২১০ গ্রীনল্যাণ্ড ৩১ ৩১
২১১ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৫ ২৫
২১৩ মন্টসেরাট ২০ ১৯
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
২২০ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]