বিরূপ সময়ে সহায়তা কম, কখন ‘শ্রমিক কল্যাণ’ করবে ফাউন্ডেশন?

মাসুদ রানা
মাসুদ রানা মাসুদ রানা , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২২ এএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
শ্রমিকদের জন্য শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিল হলেও করোনাকালে তার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

দেশে প্রায় দেড় বছর ধরে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির অভিঘাত চলছে। এ মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারি-বেসরকারি অফিস-প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি ঘোষণাসহ দফায় দফায় বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে শ্রমজীবী মানুষদের। কিন্তু করোনাকালে জীবন ধারণে ন্যূনতম মৌলিক চাহিদা পূরণ নিয়ে তীব্র সংকটে থাকা শ্রমিকদের জন্য বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলের সহায়তার হাত আরও সংকুচিত হয়েছে। মহামারির তাণ্ডবে সহায়তা না বেড়ে উল্টো কমেছে।

ফাউন্ডেশনের এক হিসাবে দেখা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট তিন হাজার ৫৩৪ জন শ্রমিককে ১১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা সহায়তা দেয়া হয়। করোনা মহামারির মধ্যে গত অর্থবছর (২০২০-২১) তহবিল থেকে মোট সহায়তা পেয়েছেন এক হাজার ২৯৩ জন শ্রমিক, সহায়তার মোট পরিমাণ ছিল তিন কোটি ৫৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। আগের অর্থবছরের তুলনায় বিগত অর্থবছরে সহায়তার ক্ষেত্রে শ্রমিকের সংখ্যা কমেছে ৬৩ শতাংশ এবং টাকার পরিমাণ কমেছে ৭০ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফাউন্ডেশনের পরিচালনা বোর্ডের অনুমোদন ছাড়া শ্রমিকদের কোনো সহায়তা দেয়া যায় না। সাধারণ ছুটি ও বিধিনিষেধের কারণে কার্যালয় বন্ধ থাকায় নির্ধারিত সময়ে বোর্ড সভাগুলোও হয়নি। জানা যায়, বোর্ড চেয়ারম্যান শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ানের আগ্রহ কম থাকায় ভার্চুয়ালি বোর্ড সভারও আয়োজন করা যায়নি।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এরপর পরিস্থিতির ক্রমাবনতির মুখে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় পরে এ ছুটি দফায় দফায় বাড়ানো হয়। ২৬ মার্চ শুরু হওয়া এ সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকে টানা ৬৬ দিন, অর্থাৎ ওই বছরের ৩০ মে পর্যন্ত। গত বছরের শেষ দিকে সংক্রমণের নিম্নমুখী ধারা চলতি বছরের প্রথম দুই মাস অব্যাহত ছিল। গত মার্চ, বিশেষ করে এপ্রিল মাস থেকে আবারও সংক্রমণের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে শুরু করে। এ অবস্থায় গত ৫ এপ্রিল ফের শুরু হয় সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ। সবশেষ গত ১১ আগস্ট থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারি-বেসরকারি অফিস-প্রতিষ্ঠান, শিল্প-কারখানা, গণপরিবহন, দোকান ও শপিংমলসহ প্রায় সবই খুলে দেয় সরকার।

মহামারিকালে যে স্থবিরতা জাতীয় অর্থনীতিসহ সার্বিক কর্মকাণ্ডে নেমেছে, তাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে হয় শ্রমজীবী মানুষদের। এ সময়ে বহু মানুষ কর্ম হারিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে পড়েন চরম সংকটে।

শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন অনুযায়ী, কোনো শ্রমিক দুর্ঘটনাজনিত কারণে দৈহিক ও মানসিকভাবে স্থায়ী অক্ষম হলে, একই কারণে মারা গেলে, মরদেহের পরিবহন ও সৎকার, দুরারোগ্য চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত নারী শ্রমিকের মাতৃত্ব কল্যাণ, বিশেষ দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ আর্থিক প্রণোদনা, শ্রমিকদের জীবন বিমার জন্য যৌথ বিমা ব্যবস্থার প্রবর্তন করাসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক অনুদান ফাউন্ডেশন তহবিল থেকে দেয়া হয়।

এ পর্যন্ত শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে ২১০টি কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান লভ্যাংশ জমা দিয়েছে। এখন তহবিলে জমা টাকার পরিমাণ ৫৬৯ কোটি ৬ লাখ ৫৫ হাজার ১০২ টাকা।

শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, তহবিল থেকে এ পর্যন্ত মৃত, চিকিৎসা ও শিক্ষা খাতে মোট ১০ হাজার ৯৮৫ জন শ্রমিক ও তাদের পরিবারকে ৪৩ কোটি ২৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা সহায়তা দেয়া হয়েছে।

তহবিলে জমা টাকার অংকের তুলনায় সহায়তার পরিমাণ খুবই কম বলে মনে করেন শ্রমিক নেতারা। তারা বলেছেন, মহামারিকালে তহবিলের এ বিশাল অংকের অর্থ দিয়ে শ্রমিকদের কল্যাণে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া যেতো, কিন্তু ফাউন্ডেশন শ্রমিকদের দুঃসময়ে দক্ষতা দেখাতে পারেনি।

অবশ্য ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, তহবিলের পুরো টাকাই ব্যাংকে স্থায়ী আমানত হিসেবে রাখা আছে। এর মুনাফা দিয়ে মূলত শ্রমিকদের সহায়তা করা হচ্ছে।

ফাউন্ডেশনের হিসাব থেকে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৯২১ জনকে পাঁচ কোটি ৫৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এক হাজার ৪০৭ জন শ্রমিককে সাত কোটি ১২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে তিন হাজার ৮৩০ জনকে ১৫ কোটি ১৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ২০১৯-২০ অর্থবছরে তিন হাজার ৫৩৪ জনকে ১১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে এক হাজার ২৯৩ জন শ্রমিককে তিনি কোটি ৫৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১৭১ জন মৃত শ্রমিকের পরিবারকে, চিকিৎসার জন্য ৪৬৯ জন শ্রমিককে, ২৮১ জন শ্রমিকের সন্তানকে শিক্ষাসহায়তা দেওয়া হয়। পরের অর্থবছর ৬৬ জন মৃত শ্রমিকের পরিবার, চিকিৎসার জন্য এক হাজার ৫২ জন এবং ২৮১ জন শ্রমিকের সন্তানকে উচ্চশিক্ষার জন্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ২০১৮-১৯ অর্থবছর ১২৬ জন মৃত শ্রমিকের পরিবার, তিন হাজার ৪২২ জন শ্রমিককে চিকিৎসা ও ২৮২ জন শ্রমিকের সন্তানকে উচ্চশিক্ষার জন্য ফাউন্ডেশন তহবিল থেকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১০৩ জন মৃত শ্রমিকের পরিবার, চিকিৎসার জন্য তিন হাজার ২৩১ জন শ্রমিককে এবং ২১৮ জন শ্রমিকের সন্তান উচ্চশিক্ষায় সহায়তা পেয়েছেন।

সবশেষ অর্থবছর (২০১৯-২০) শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল থেকে মাত্র ৩৮ জন মৃত শ্রমিকের পরিবারকে অর্থসহায়তা দেয়া হয়েছে। এ সময়ে এক হাজার ২০০ জন শ্রমিককে চিকিৎসার জন্য সহায়তা দেওয়া হয় এবং উচ্চশিক্ষার জন্য ৫৫ জন শ্রমিকের সন্তানকে সহায়তা দেওয়া হয়।

‘শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধিত) বিধিমালা ২০১৫’ অনুযায়ী, অসচ্ছল শ্রমিকদের সন্তানদের সাধারণ শিক্ষার জন্য ২৫ হাজার টাকা এবং উচ্চশিক্ষার জন্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি মেডিকেল কলেজ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র সাপেক্ষে টিউশন ফি ও শিক্ষা উপকরণের জন্য সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়।

স্থায়ীভাবে অক্ষম বা মৃত্যু হলে কোনো শ্রমিক বা তার পরিবার তহবিল থেকে দুই লাখ টাকা, জরুরি চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা সহায়তা নিতে পারবেন। দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা সহায়তার বিধান রয়েছে।

অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত নারী শ্রমিকদের মাতৃত্ব কল্যাণে তহবিল থেকে ২৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া যাবে। বিশেষ দক্ষতা দেখানো শ্রমিকদের ২৫ হাজার টাকা সহায়তা দিতে পারে ফাউন্ডেশন।

শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের আইন অনুযায়ী, তিন মাস পর পর বোর্ড সভা হওয়ার কথা। কিন্তু করোনা মহামারির মধ্যে দেড় বছরে দুটি বোর্ড সভা হয়েছে। এর মধ্যে গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর ২২তম এবং চলতি বছরের ২১ জুন ২৩তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়।

jagonews24

করোনাকালে শ্রমিকরা আয়-ব্যয়ের তারতম্যে অনেক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন

ফাউন্ডেশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে জাগো নিউজকে বলেন, বোর্ড মিটিং না হলে আবেদন নিষ্পত্তি করা যায় না। বোর্ড মিটিং হচ্ছে চেয়ারম্যানের এখতিয়ার। তিনি সভা না ডাকলে তো করার কিছু নেই।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য নঈমুল আহসান জুয়েল জাগো নিউজকে বলেন, তিন মাস পর পর বোর্ড সভার কথা থাকলেও করোনার মধ্যে দীর্ঘদিন বোর্ড বসেনি। বোর্ডের সদস্য সংখ্যাও আমরা বাড়াতে বলেছি।

তিনি বলেন, আমরা শ্রমমন্ত্রী ও শ্রম সচিবকে বলেছিলাম, এ তহবিল যেহেতু শ্রমিকদের জন্য, ফলে করোনার মহামারিকালে সহায়তার অংশ হিসেবে শ্রমিকদের জন্য যেন ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। মহামারির শুরুর দিকে কিছু আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করেছি, অর্ধেক টাকাই চলে গেছে যারা ওখানে চাকরি করে তাদের গ্রামের বাড়িতে। আমি শ্রমিকদের আবেদনপত্র জমা দিয়েছি, দুই বছর ধরে পড়ে আছে। শ্রমিকরা কোনো সহায়তাও পাচ্ছেন না। এমনকি বিমার টাকাও না।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আশিকুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, ফাউন্ডেশনের তো টাকার অভাব নেই। করোনাকালে শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন। এ কঠিন সময়ে তহবিল থেকে শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে পারতো। বিরূপ সময়ে যদি শ্রমিকরা সহায়তা না-ই পান, তাহলে তাদের কল্যাণে গঠিত ফাউন্ডেশনে লাভ কী। এ সময়ে তো শ্রমিকদের বেশি সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল।

jagonews24

করোনা মহামারির কারণে গত দেড় বছরে কর্ম হারিয়েছে বহু মানুষ

এ বিষয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান জাগো নিউজকে বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল থেকে আইন ও বিধিমালা মেনে শ্রমিকদের সহায়তা দিতে হয়। আমরা চাইলেই কর্মহীন শ্রমিকদের সহায়তা দিতে পারি না। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের সাহায্য দিতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। করোনার সময় তো আমরা সহায়তা দিয়েছি। সেগুলো কি হাওয়ায় চলে গেছে? এখনো অনেক শ্রমিককে সহায়তা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি বলেন, শ্রমিকের টাকা একটি পবিত্র আমানত। এ আমানত যেখানে সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আমি পাপের ভাগিদার হতে রাজি নই। নিয়ম-নীতিমালার বাইরে আমাদের পক্ষে এর বেশি করা সম্ভব নয়।

ফাউন্ডেশনের বোর্ড মিটিং তিন মাস পর পর হওয়ার কথা থাকলেও সেটি না হওয়ার ব্যাখ্যা জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনার মধ্যে বোঝেন তো ভাই। সবাই ভার্চুয়াল মিটিং করছে, আমি ভার্চুয়ালের পক্ষে না। বার্গেনিংয়ের (কোনো বিষয়ে মত-দ্বিমত) যে বিষয়গুলো থাকে, সেগুলো ভার্চুয়ালি হয় না। করোনা চলে গেলে আমরা কাজও পূর্ণোদ্যমে করবো।

আরএমএম/এমকেআর/এইচএ/জেআইএম

আমরা শ্রমমন্ত্রী ও শ্রম সচিবকে বলেছিলাম, এ তহবিল যেহেতু শ্রমিকদের জন্য, ফলে করোনার মহামারিকালে সহায়তার অংশ হিসেবে শ্রমিকদের জন্য যেন ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। মহামারির শুরুর দিকে কিছু আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করেছি, অর্ধেক টাকাই চলে গেছে যারা ওখানে চাকরি করেন তাদের গ্রামের বাড়িতে। আমি শ্রমিকদের আবেদনগুলো জমা দিয়েছি, দুই বছর ধরে পড়ে আছে। শ্রমিকরা কোনো সহায়তাও পাচ্ছেন না। এমনকি বিমার টাকাও না

ফাউন্ডেশনের তো টাকার অভাব নেই। করোনাকালে শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন। এ কঠিন সময়ে তহবিল থেকে শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে পারতো। বিরূপ সময়ে যদি শ্রমিকরা সহায়তা না-ই পান, তাহলে তাদের কল্যাণে গঠিত ফাউন্ডেশনে লাভ কী। এ সময় তো শ্রমিকদের বেশি সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল

শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল থেকে আইন ও বিধিমালা মেনে শ্রমিকদের সহায়তা দিতে হয়। আমরা চাইলেই কর্মহীন শ্রমিকদের সহায়তা দিতে পারি না। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের সাহায্য দিতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। করোনার সময় তো আমরা সহায়তা দিয়েছি। সেগুলো কি হাওয়ায় চলে গেছে? এখনো অনেক শ্রমিককে সহায়তা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]