সাবেক পেসারকে বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নিয়োগ নিউজিল্যান্ডের

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৩৭ এএম, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটে বড় প্রশাসনিক পরিবর্তন এসেছে। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের (এনজেডসি)-এর নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক পেসার জিওফ এলট। গত বছর স্কট উইনিং পদত্যাগ করার পর এই গুরুত্বপূর্ণ পদটি শূন্য ছিল।

৫৪ বছর বয়সী এলট ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ১০টি টেস্ট ও ৩১টি ওয়ানডে খেলেছেন। বিশেষ করে ১৯৯৯ বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। ৯ ম্যাচে ২০ উইকেট নিয়ে তিনি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিদের একজন ছিলেন।

তবে এলটের এই নিয়োগের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে তার প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে ২০০২ সালে তিনি এনজেডসি প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড সদস্য ছিলেন। এরপর ২০০৮-২০১০ সাল পর্যন্ত এনজেডসির জেনারেল ম্যানেজার (ক্রিকেট) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পাশাপাশি কেন্টাবুরি ক্রিকেটের বোর্ডে তিন বছর কাজ করেছেন এবং ২০১৩ থেকে ২০২১ পর্যন্ত এনজেডসির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২০২২ সালে তাকে এনজেডসি লাইফ মেম্বারশিপ দেওয়া হয়।

এলট এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিচ্ছেন, যখন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ভেতরে কিছু মতবিরোধ চলছে। সাবেক সিইও উইনিক পদত্যাগ করেছিলেন মূলত প্রাদেশিক সংস্থা ও প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে ‘খেলার দীর্ঘমেয়াদি দিকনির্দেশনা’ নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে। বিশেষ করে ২০২৭ সালের মধ্যে ‘সুপার স্ম্যাশ’-এর বদলে একটি বেসরকারি মালিকানাধীন নতুন টি-২০ টুর্নামেন্ট চালুর পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে এই বিরোধ তৈরি হয়।

এনজেডসির ষষ্ঠ সিইও হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে এলট জানিয়েছেন, তিনি সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করতে চান এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে সবার মধ্যে সমন্বয় গড়ে তুলতে আগ্রহী।

এমএমআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।