শচীন-লারাদের ছাড়িয়ে বিরাট কোহলি

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:২৪ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০১৭

ক্রিকেটের বরপুত্র ছিলেন ব্রায়ান চার্লস লারা। রেকর্ডের বরপুত্র শচীন রমেশ টেন্ডুলকার। ক্রিকেটকে নানা আঙিকে রাঙিয়ে গেছেন এই দুই গ্রেট ক্রিকেটার। এবার সেই শচীন-লারাদেরও ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে ভারতের বিরাট কোহলি। ক্যারিয়ারের তুলনায় ইতোমধ্যেই দুই গ্রেটকে ছাড়িয়ে গেছেন ভারতের বর্তমান অধিনায়ক।

আজ মুম্বাইর ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শুরু হয়েছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। যার প্রথমটিতে টস করতে নামার সঙ্গে সঙ্গেই ক্যারিয়ারে ২০০তম ওয়ানডে ম্যাচ নিজের নামের পাশে লিখে নিয়েছেন বিরাট কোহলি। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে ১৩তম স্থানে চলে এলেন তিনি।

তবে বিরাট কোহলির অবস্থান কততম ম্যাচ খেলেছেন তা নিয়ে নয়, বিচার্য হচ্ছে তার পারফরম্যান্স। ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে তিনি যে অবস্থানে রয়েছেন, সেই অবস্থানে এখনও পর্যন্ত যেতে পারেনি আর কোনো ব্যাটসম্যান। এমনকি শচীন টেন্ডুলকার কিংবা ব্রায়ান লারাও নয়। হাল আমলের এবি ডি ভিলিয়ার্স ছিলেন সবার সেরা। কিন্তু তিনিও থাকতে পারলেন না শীর্ষে। বিরাট কোহলি তাকেও ছাড়িয়ে গেছেন।

কী সেই পারফরম্যান্স? ২০০তম ওয়ানডে খেলার সময় কার কী অবস্থান ছিল সেটা হিসেব করলে দেখা যায়, সবার চেয়ে এগিয়েছিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। ২০১৬ সালে নিজের ২০০তম ম্যাচ খেলেছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। ১৯৯ ম্যাচে তার রান ৮৬২১, গড় : ৫৪.৫৬। সে জায়গায় বিরাট কোহলি ১৯৯ ম্যাচে কোহলির রান রান ৮৭৬৭, গড় : ৫৫.১৩। এরই মধ্যে কোহলির নামের পাশে শোভা পাচ্ছে ৩০টি সেঞ্চুরি এবং ৪৫টি হাফ সেঞ্চুরি।

এবার নিজেকেই যেন ছাড়িয়ে যাওয়ার পালা। নিজের ২০০তম ম্যাচে এসে কোহলি হাঁকালেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরির সংখ্যা বেড়ে হলো ৩১টি। ১২৫ বল খেলে করলেন ১২১ রান। ৯টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছিল ২টি ছক্কার মার। নিজের ২০০তম ওয়ানডেতে এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে! ২০০তম ওয়ানডে শেষে কোহলির রান এখন ৮৮৮৮।

২০০তম ওয়ানডে খেলার আগে শচীনের অবস্থান ছিল কোহলির চেয়ে অনেক নিচে। ১৯৯৮ সালে নিজের ২০০তম ম্যাচের আগে মাস্টার বøাস্টারের রান ছিল ৭৩০৩, গড় ছিল : ৪১.৯৭। ব্রায়ান লারার ২০০তম ম্যাচের আগে রান ছিল ৭৩৭০, গড ছিল : ৪২.৬০। রিকি পন্টিং ২০০৪ সালে নিজের ২০০তম ম্যাচ খেলেন। তার আগে রান ছিল ৭২৪৫। গড় চিল ৪২.৬১ করে।

আইএইচএস/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :