এএফসি কাপের জন্য মিশর ও কোরিয়ান ফুটবলার আনছে আবাহনী

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৩০ পিএম, ৩১ জুলাই ২০১৯

প্রথমবারের মতো এএফসি কাপের দ্বিতীয় পর্বে (ইন্টার জোন সেমিফাইনাল) ওঠা আবাহনী দলের শক্তি বাড়াতে আনছে নতুন দুই বিদেশি ফুটবলার। এর মধ্যে একজন মিশরের স্টপার, আরেকজন দক্ষিণ কোরিয়ার মিডফিল্ডার। আগামী ২/৩ দিনের মধ্যেই তাদের ঢাকায় এসে ক্যাম্পে যোগ দেয়ার কথা।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা হারানো আবাহনী তাদের এএফসি কাপের প্রস্তুতি শুরু করবে শুক্রবার। ইন্টার জোন সেমিফাইনালে আবাহনীর প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়ার এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভ স্পোর্টস ক্লাব (৪.২৫ এসসি)। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিক এই সেমিফাইনালে প্রথমেই ঘরের মাঠে খেলবে আবাহনী ২১ আগস্ট।

এএফসি কাপে আবাহনীর এই ইতিহাস গড়ার অন্যতম নায়ক ছিলেন তাদের আফগানিস্তানের ডিফেন্ডার মাসিহ সাইঘানি; কিন্তু দ্বিতীয় পর্বে তাকে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় আকাশি-হলুদরা। কারণ, এ আফগান ডিফেন্ডার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন ইন্ডিয়া সুপার লিগে (আইএসএল)। তিনি খেলবেন চেন্নাইন এফসিতে।

আবাহনী অবশ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইন্টার জোন সেমিফাইনালের ম্যাচ দুটিতে মাসিহ সাইঘানিকে পেতে। এ জন্য তারা চেন্নাইন এএফসির সঙ্গে আলোচনা করছে। সমস্যা হচ্ছে আবাহনীর ম্যাচের আগেই চেন্নাইন এফসি শুরু করবে তাদের প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি।

এমনিতেই আবাহনীর তাদের সব বিদেশি খেলোয়াড় পায়নি লিগের শেষ দিকে। আফগানিস্তানের মাসিহ সাইঘানি, নাইজেরিয়ান সানডে এবং হাইতির বেলফোর্টকে দিয়েই চালিয়েছে ৬ বারের চ্যাম্পিয়নরা।

ব্রাজিলের ওয়েলিংটন চলে গিয়েছিলেন ঈদের পরপরই। মাসিহ শেষ ম্যাচ খেলতে পারেননি সাইফের বিরুদ্ধে ম্যাচে লালকার্ড পাওয়ায়। এএফসি কাপে এশিয়ান কোটার একজনসহ চার বিদেশি খেলতে পারেন। সাইঘানির অনিশ্চয়তার কারণেই আবাহনী আনছে দক্ষিণ কোরিয়ার মিডফিন্ডারকে।

২১ আগস্ট ঢাকায় ম্যাচ খেলে আবাহনী অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে তার ৭ দিন পর উত্তর কোরিয়ার পিয়ংইয়ংয়ের কিম ইল সুং স্টেডিয়ামে। জিতলে আবাহনী খেলবে ইন্টার জোন ফাইনালে।

২৫ জুলাই লিগ শেষ করার পর আবাহনীর ফুটবলাররা ছুটিতে গেছেন। এক সপ্তাহ বিশ্রামের পর শুক্রবার থেকে আবার শুরু হবে তাদের এএফসি কাপের মিশন। দ্বিতীয়বার প্রিমিয়ার লিগের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নভঙ্গের পর আবাহনীর লক্ষ্য এখন এএফসি কাপে নিজেদের আরো উচ্চতায় নেয়া।

আরআই/আইএইচএস/এমএস