প্রচণ্ড গরমে কষ্ট হচ্ছিল, তবু জিতেই মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশের কিশোররা

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:০৪ পিএম, ২৩ আগস্ট ২০১৯

ভারতের নদিয়া জেলার কল্যাণীতে ভরদুপুরে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশের কিশোর ফুটবলাররা। স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। ভুটানের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জিতলেও প্রচণ্ড গরমে নাভিশ্বাস উঠেছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের। ম্যাচের পর দলের প্রধান কোচ মোস্তফা আনোয়ার পারভেজ বলেছেন, ‘ছেলেদের খুব কষ্ট হয়েছে খেলতে।’

এই টুর্নামেন্টের প্রধান কোচ ছিলেন বাফুফে একাডেমির ইংলিশ কোচ রবার্ট মার্টিন। কিন্তু অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি দলের সঙ্গে যেতে পারেননি। প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ভারতে পৌঁছেন মোস্তফা আনোয়ার পারভেজ বাবু। এই কোচের অধীনেই গত বছর টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।

ম্যাচ শেষে দলের প্রধান এ কোচ বলেছেন, ‘এখানে প্রচণ্ড গরম। এই গরমে বাচ্চাদের খেলা কেন হবে বুঝতে পারছি না। ছেলেদের খুব কষ্ট হয়েছে এই গরমে খেলতে। এত গরমে খেলা স্বাভাবিক পারফরম্যান্স করা খুবই কঠিন। ওরা চেষ্টা করেছে মানিয়ে নিতে। কিন্তু কিছু খেলোয়াড় পানিশূন্যতায় ভুগেছে। আশা করি পরবর্তীতে এগুলো কাটিয়ে উঠবে।’

জয়টাকে মুখ্য উল্লেখ করে পারভেজ বাবু বলেছেন, ‘যে কোনো দলের কাছে জয়টাই মুখ্যা। আর সে ব্যবধান যদি হয় ৫-২ সেটা খুব ভালো। প্রথম ম্যাচ, ছেলেরা চেষ্টা করেছে সাধ্যমতো সর্বোচ্চ দিয়ে খেলার। গোল না খেলে ফলটা আরো ভালো হতো। গোলকিপারের ভুলে একটা এবং আরেকটা গোল ডিফেন্সের ভুলে হয়েছে। আমরা সামনে এটা নিয়ে আরও কাজ করবো। আমাদের জয়ের ধারা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবো।’

জোড়া গোল করা আল মিরাত বলেছেন,‘আমাদের কোচ যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেভাবে খেলেছি। আর কোনো গোল হজম করা যাবে না। প্রথম ম্যাচে দুই গোল করেছি। ভালো লেগেছে। আশা করি পরের ম্যাচেও গোল করতে পারবো।’

আরআই/এমএমআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]