করোনা অনেক বড় শিক্ষা দিয়ে গেল : সেরে ওঠা আর্সেনাল কোচ

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:০৮ এএম, ২৭ মার্চ ২০২০

ফুটবল বিশ্বে অনেক বড় এক ধাক্কা হয়ে এসেছিল আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্টেটার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর। গত ১২ মার্চ আর্টেটা কোভিড-১৯ পরীক্ষায় পজিটিভ ধরা পড়ার পরপরই বন্ধ করে দেয়া হয় ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের খেলা, আরও সতর্ক হয় ক্লাবগুলো।

সেদিন থেকে যথাযথ আইসোলেশনে থাকায় দুই সপ্তাহের কম সময়েই সেরে উঠেছেন আর্সেনাল কোচ। গত সোমবার জানা গেছে, তিনি এখন বিপদমুক্ত, জয় করেছেন করোনার ভয়।

তবে করোনা আক্রান্ত দিনগুলো মোটেও সহজ ছিলো না বলে জানিয়েছেন আর্টেটা। তার মতে এই কয়েকটা দিন তাকে অনেক বড় শিক্ষা দিয়ে গেছে করোনা। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে করোনা আক্রান্ত দিনগুলোর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন আর্টেটা।

যেখানে তিনি জানিয়েছেন, এই মহামারীতে আক্রান্ত হওয়ার পর বুঝতে পেরেছেন সারাবিশ্বের মানুষকে মানসিকভাবে আরও উন্মুক্ত হওয়া উচিৎ। সবাই আরও কাছে থাকার চেষ্টা করা উচিৎ, একে অপরের। কারণ করোনার ফলেই বোঝা যাচ্ছে নিষঙ্গ থাকার কষ্ট।

আর্টেটা বলেন, ‘আমরা এখন এমন একটা সময়ে বাস করছি, যেখানে সোশ্যাল মিডিয়াই যেন সবকিছু। একটা হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজেই যেনো যোগাযোগ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু একে অপরকে ছোঁয়া, অনুভব করা, আলিঙ্গন করাটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি এসব মিস করছি, আমার ভালোবাসার মানুষদের কাছ থেকে। আমাদের মানসিকভাবে আরও উন্মুক্ত হতে হবে। একে অপরের অনুভূতি বুঝতে হবে।’

করোনার উপসর্গ টের পাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে ক্লাবে জানিয়েছিলেন আর্টেটা। পরে নিজেকে বন্দী করেন আইসোলেশনে। সে সময়টা এতোই কঠিন ছিলো যে, এই মহামারী কেটে যাওয়ার পর আর এ বিষয়ে আলোচনা করার পক্ষপাতী নন আর্টেটা।

‘আমরা জানি না কতদিন লাগবে, দুই-তিন মাস নাকি আরও বেশি। আমরা যদি শীঘ্রই এটি কাটিয়ে উঠতে পারি, তাহলে স্রেফ ভুলে যাওয়াই ভালো। কারণ এটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

আইসোলেশনে বন্দী থাকার সময়টাতে নিজের তিন সন্তানকে নিয়ে। কারণ তার স্ত্রী এবং ন্যানিকেও আক্রমণ করেছিল এই ভাইরাস। তবে তার বাচ্চারা এর থেকে নিরাপদই ছিলো।

আর্টেটা বলেন, ‘সবচেয়ে কঠিন বিষয় ছিলো যে, আমার ঘরে তো আরও মানুষ আছে। তিনটা বাচ্চা আছে আমার। ওদের নিয়ে শ্চিন্তা হচ্ছিল। আমার স্ত্রী-ন্যানিও আক্রান্ত হয়েছিল। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, বাচ্চাদের কিছু হয়নি। এখন আমরা সবাই সুস্থ্য আছি।’

এসএএস/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬,২১,৫৯২
আক্রান্ত

২৮,৭৯১
মৃত

১,৩৭,৩৬৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৮ ১৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,০৫,১৬১ ১,৭২২ ২,৫৩৮
ইতালি ৮৬,৪৯৮ ৯,১৩৪ ১০,৯৫০
চীন ৮১,৩৯৪ ৩,২৯৫ ৭৪,৯৭১
স্পেন ৭২,২৪৮ ৫,৮১২ ১২,২৮৫
জার্মানি ৫৩,৩৪০ ৩৯৯ ৬,৬৫৮
ইরান ৩৫,৪০৮ ২,৫১৭ ১১,৬৭৯
ফ্রান্স ৩২,৯৬৪ ১,৯৯৫ ৫,৭০০
যুক্তরাজ্য ১৭,০৮৯ ১,০১৯ ১৩৫
১০ সুইজারল্যান্ড ১৩,৩৭৭ ২৪২ ১,৫৩০
১১ নেদারল্যান্ডস ৯,৭৬২ ৬৩৯
১২ দক্ষিণ কোরিয়া ৯,৪৭৮ ১৪৪ ৪,৮১১
১৩ বেলজিয়াম ৯,১৩৪ ৩৫৩ ১,০৬৩
১৪ অস্ট্রিয়া ৮,০৩০ ৬৮ ২২৫
১৫ তুরস্ক ৫,৬৯৮ ৯২ ৪২
১৬ পর্তুগাল ৫,১৭০ ১০০ ৪৩
১৭ কানাডা ৪,৭৫৭ ৫৫ ৩৫৪
১৮ নরওয়ে ৩,৯৭২ ২০
১৯ অস্ট্রেলিয়া ৩,৬৩৫ ১৪ ১৭০
২০ ব্রাজিল ৩,৪৭৭ ৯৩
২১ ইসরায়েল ৩,৪৬০ ১২ ৮৯
২২ সুইডেন ৩,০৬৯ ১০৫ ১৬
২৩ মালয়েশিয়া ২,৩২০ ২৭ ৩২০
২৪ ডেনমার্ক ২,২০১ ৬৫
২৫ আয়ারল্যান্ড ২,১২১ ২২
২৬ চিলি ১,৯০৯ ৪৩
২৭ ইকুয়েডর ১,৬২৭ ৪১
২৮ লুক্সেমবার্গ ১,৬০৫ ১৫ ৪০
২৯ জাপান ১,৪৯৯ ৪৯ ৪০৪
৩০ পোল্যান্ড ১,৪৮১ ১৭
৩১ রোমানিয়া ১,৪৫২ ২৯ ১৩৯
৩২ পাকিস্তান ১,৪১৫ ১২ ২৯
৩৩ রাশিয়া ১,২৬৪ ৪৯
৩৪ থাইল্যান্ড ১,২৪৫ ৯৭
৩৫ সৌদি আরব ১,২০৩ ৩৭
৩৬ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,১৭০ ৩১
৩৭ ফিনল্যাণ্ড ১,১৬৭ ১০
৩৮ ইন্দোনেশিয়া ১,১৫৫ ১০২ ৫৯
৩৯ ফিলিপাইন ১,০৭৫ ৬৮ ৩৫
৪০ গ্রীস ৯৬৬ ২৮ ৫২
৪১ আইসল্যান্ড ৯৬৩ ৯৭
৪২ ভারত ৯৩৩ ২০ ৮৪
৪৩ সিঙ্গাপুর ৮০২ ১৯৮
৪৪ পানামা ৭৮৬ ১৪
৪৫ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৭১৯ ২৮
৪৬ মেক্সিকো ৭১৭ ১২
৪৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদতরী) ৭১২ ১০ ৫৯৭
৪৮ আর্জেন্টিনা ৬৯০ ১৭ ৭২
৪৯ স্লোভেনিয়া ৬৮৪ ১০
৫০ সার্বিয়া ৬৫৯ ১০ ৪২
৫১ ক্রোয়েশিয়া ৬৫৭ ৪৫
৫২ এস্তোনিয়া ৬৪৫ ২০
৫৩ পেরু ৬৩৫ ১১ ১৬
৫৪ কাতার ৫৬২ ৪৩
৫৫ হংকং ৫৬০ ১১২
৫৬ কলম্বিয়া ৫৩৯ ১০
৫৭ কলম্বিয়া ৫৩৯ ১০
৫৮ মিসর ৫৩৬ ৩০ ১১৬
৫৯ ইরাক ৫০৬ ৪২ ১৩১
৬০ বাহরাইন ৪৭৩ ২৫৪
৬১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪৬৮ ৫২
৬২ চেক রিপাবলিক ৪৬৪
৬৩ নিউজিল্যান্ড ৪৫১ ৫০
৬৪ লেবানন ৪১২ ২৭
৬৫ আলজেরিয়া ৪০৯ ২৬ ২৯
৬৬ লিথুনিয়া ৩৮২
৬৭ আর্মেনিয়া ৩৭২ ২৮
৬৮ মরক্কো ৩৫৮ ২৩ ১১
৬৯ হাঙ্গেরি ৩৪৩ ১১ ৩৪
৭০ বুলগেরিয়া ৩১৩
৭১ ইউক্রেন ৩১১
৭২ এনডোরা ৩০৮
৭৩ লাটভিয়া ৩০৫
৭৪ চেক রিপাবলিক ২৯৩
৭৫ স্লোভাকিয়া ২৯২
৭৬ তাইওয়ান ২৮৩ ৩০
৭৭ উরুগুয়ে ২৭৪
৭৮ কোস্টারিকা ২৬৩
৭৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২৫৭
৮০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৪১
৮১ কুয়েত ২৩৫ ৬৪
৮২ জর্ডান ২৩৫ ১৮
৮৩ তিউনিশিয়া ২২৭
৮৪ সান ম্যারিনো ২২৩ ২১
৮৫ কাজাখস্তান ২০৪ ১৪
৮৬ মলদোভা ১৯৯
৮৭ আলবেনিয়া ১৯৭ ১০ ৩১
৮৮ বুর্কিনা ফাঁসো ১৮০ ১২
৮৯ ভিয়েতনাম ১৭৪ ২১
৯০ আজারবাইজান ১৬৫ ১৫
৯১ সাইপ্রাস ১৬২ ১৫
৯২ ফারে আইল্যান্ড ১৫৫ ৫৪
৯৩ ওমান ১৫২ ২৩
৯৪ মালটা ১৪৯
৯৫ রিইউনিয়ন ১৪৫
৯৬ ঘানা ১৩৭
৯৭ সেনেগাল ১৩০ ১৮
৯৮ ব্রুনাই ১২০ ২৫
৯৯ শ্রীলংকা ১১৩
১০০ ভেনেজুয়েলা ১১৩ ৩৯
১০১ আফগানিস্তান ১১০
১০২ উজবেকিস্তান ১০৪
১০৩ আইভরি কোস্ট ১০১
১০৪ কম্বোডিয়া ৯৯ ১৩
১০৫ ফিলিস্তিন ৯৭ ১৮
১০৬ গুয়াদেলৌপ ৯৬ ১৭
১০৭ হন্ডুরাস ৯৫
১০৮ বেলারুশ ৯৪ ৩২
১০৯ মার্টিনিক ৯৩
১১০ ক্যামেরুন ৯১
১১১ জর্জিয়া ৮৫ ১৪
১১২ মন্টিনিগ্রো ৮২
১১৩ নাইজেরিয়া ৮১
১১৪ কিউবা ৮০
১১৫ বলিভিয়া ৭৪
১১৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭৪
১১৭ কিরগিজস্তান ৫৮
১১৮ লিচেনস্টেইন ৫৬
১১৯ প্যারাগুয়ে ৫৬
১২০ জিব্রাল্টার ৫৫ ১৪
১২১ রুয়ান্ডা ৫৪
১২২ মায়োত্তে ৫০
১২৩ মোনাকো ৪২
১২৪ পুয়ের্তো রিকো ৩৯
১২৫ কেনিয়া ৩৮
১২৬ ম্যাকাও ৩৪ ১০
১২৭ আরুবা ৩৩
১২৮ গুয়াতেমালা ৩২
১২৯ গুয়াম ৩২
১৩০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩০
১৩১ জ্যামাইকা ৩০
১৩২ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৮
১৩৩ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৮
১৩৪ বার্বাডোস ২৬
১৩৫ টোগো ২৫
১৩৬ মালদ্বীপ ১৬
১৩৭ ইথিওপিয়া ১৬
১৩৮ তানজানিয়া ১৩
১৩৯ মঙ্গোলিয়া ১২
১৪০ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১২
১৪১ ডোমিনিকা ১১
১৪২ নাইজার ১০
১৪৩ বাহামা ১০
১৪৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১০
১৪৫ সুরিনাম
১৪৬ গিনি
১৪৭ নামিবিয়া
১৪৮ কেম্যান আইল্যান্ড
১৪৯ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫০ গ্যাবন
১৫১ সিসিলি
১৫২ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৩ বেনিন
১৫৪ নেপাল
১৫৫ মৌরিতানিয়া
১৫৬ সুদান
১৫৭ গায়ানা
১৫৮ মন্টসেরাট
১৫৯ ভ্যাটিকান সিটি
১৬০ কঙ্গো
১৬১ ভ্যাটিকান সিটি
১৬২ ভুটান
১৬৩ তাজিকিস্তান
১৬৪ সেন্ট পিয়ের ও মিকুয়েলন
১৬৫ লাইবেরিয়া
১৬৬ সেন্ট লুসিয়া
১৬৭ গাম্বিয়া
১৬৮ সোমালিয়া
১৬৯ মার্কিন ভার্জিন আইল্যান্ড
১৭০ ক্রিস্টমাস আইল্যান্ড
১৭১ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
১৭২ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।