বাংলাওয়াশে টাইগারদের প্রয়োজন ৩১৮


প্রকাশিত: ১২:৪৯ পিএম, ২৪ জুন ২০১৫

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে বাংলাদেশকে বেশ ভালো চেলেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে ভারত। টাইগারদের ৩১৮ রানের টার্গেট দিয়েছে ভারত। আগের দুই ম্যাচে জয় পাওয়ার ফলে বুধবার ভারতকে বাংলাওয়াশ করতে টাইগারদের টার্গেট ৩১৮ রান।

প্রথম দুই ম্যাচে এক রকম অসহায় আত্মসমর্পণ করেছিলো অতিথিরা। প্রথম ওয়ানডেতে ২২৪ এর পর দ্বিতীয় ওয়ানডেতে করেছিল ২০০ রান। তবে শেষ ম্যাচে তারা ঠিকই ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস দিয়েছে। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩১৭ রান করতে সক্ষম হয় সফরকারী ভারত।

এর আগে বুধবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টসে জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় বাংলাদেশ। ব্যাটিং করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে ভারত। তবে সপ্তম ওভারে বাংলাদেশ প্রথম সাফল্য পায়। এদিনও দিনের শুরু করেন তরুণ মুস্তাফিজ। তার ভয়ংকর অস্ত্র কাটারে এবারো খেলতে ব্যর্থ হন রোহিত। ব্যাটের কানায় লেগে কিপার লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেন রোহিত শর্মা। গত দুই ম্যাচেও মুস্তাফিজের বলেই বলি হয়েছিলেন রোহিত।

মুস্তাফিজের পর বাংলাদেশের পক্ষে দ্বিতীয় আঘাত হানেন সাকিব আল হাসান। ভারতের পোস্টার বয় বিরাট কোহলিকে সরাসরি বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। কোহলির বিদায়ের পর ধাওয়ান-ধোনির ব্যাটের উপর ভর করে এগিয়ে যেতে থাকে ভারত। মাত্র ১৭.৩ ওভারেই শত রানের কোঠা পূর্ণ করে তারা।

২৭তম ওভারে বাংলাদেশের পক্ষে আঘাত হানলেন অধিনায়ক মাশরাফি। নাসিরের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন শুরু থেকে আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলা শেখর ধাওয়ান। তবে এর আগে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের ১৪তম অর্ধশত। ৭৩ বলে ১০ চারে ৭৫ রান করেন এই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান।

এরপর ভারতের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি দলের হাল ধরেন। আম্বাতি রাইডুকে সঙ্গে নিয়ে ৯৩ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথ দেখান তিনি। তবে ৪৪তম ওভারে ব্যক্তিগত ৪৪ রানে মাশরাফির বলে লিটন দাসকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেন রাইডু। দুই ওভার পরেই আবার আঘাত হানেন মাশরাফি। তবে এই উইকেটে কৃতিত্ব অনেকটাই মুস্তাফিজুরের। সীমানা থেকে দৌড়ে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন তিনি। ৭৭ বলে ৬টি চার এবং ১টি ছক্কায় ৬৯ রান করেন ধোনি।

এরপর রায়নার ২১ বলে ৩৮ রানে তিনশত রানের কোঠায় পৌঁছে ভারত। ৪৯তম ওভারে রায়নাকে বোল্ড করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট পান মুস্তাফিজ। এই উইকেটে তিন ম্যাচের সিরিজে ১৩ উইকেট নিয়ে রায়ান হ্যারিসকে ছুলেন তিনি। ২০১০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১৩ উইকেট নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার রায়ান হ্যারিস।

বাংলাদেশের পক্ষে অধিনায়ক মাশরাফি ৭৬ রানে ৩ উইকেট পান। মুস্তাফিজুর রহমান ৫৭ রানে পান ২ উইকেট।

এই ম্যাচের জন্য একাদশে পরিবর্তন আনে টাইগাররা। তাসকিনের হালকা ইনজুরির কারণে তাকে দলে রাখা হয়নি। সেখানে জায়গা পেয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত সানি।

আরটি/এমআর/আরএস



পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।