করোনাভাইরাস : থাইল্যান্ড-সিঙ্গাপুরও যাচ্ছেন না বাংলাদেশিরা

আদনান রহমান
আদনান রহমান আদনান রহমান , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:১০ পিএম, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০
প্রতীকী ছবি

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক পর্যটন শিল্পে। ভাইরাস থেকে নিজেকে রক্ষায় পর্যটকরা বন্ধ করে দিয়েছেন বিদেশ ভ্রমণ। বিদেশ ভ্রমণ কমে গেছে বাংলাদেশি পর্যটকদেরও। বিশেষ করে থাইল্যান্ড-সিঙ্গাপুরসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন তারা। আগের বছরের তুলনায় এ বছরের একই সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বাংলাদেশি পর্যটকদের ভ্রমণ কমে গেছে ৭০ শতাংশেরও মতো। পর্যটকদের ট্যুর বুকিং না থাকার প্রভাব পড়েছে এয়ার টিকিটিং ব্যবসায়ও।

ট্যুর অপারেটররা বলছেন, বছরের শুরুতে করোনাভাইরাস ছড়ানোর পর এ আতঙ্কে গত এক মাস দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিটি রুটের ফ্লাইটগুলোর কোনোটিই ফুল প্যাকড হয়ে যাতায়াত করেনি। করোনাভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে অনেকেই দেশের বাইরে ঘুরতে যাচ্ছেন না। অনেকেই আগে কেটে রাখা টিকিট বাতিল করছেন। যারা আগেভাগে প্রোমোশনাল অফারে নন-রিফান্ডেবল (অফেরৎযোগ্য) টিকিট কেটে রেখেছিলেন, এখন শুধু তারাই বাধ্য হয়ে যাচ্ছেন। এ সংখ্যাটাও খুবই কম। ব্যবসায়িক বা বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে যাচ্ছেন না।

এ বিষয়ে ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) ডিরেক্টর (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিকেশন্স) মো. শাহেদ উল্লাহ্ জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান না থাকলেও সদস্যদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বলতে পারি, আউটবাউন্ড ট্যুরিস্টের (বিদেশগামী পর্যটক) সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে কমেছে। বিদেশ থেকে যারা বাংলাদেশ দেখতে আসেন, সেসব ইনবাউন্ড ট্যুরিস্টের সংখ্যা কমেনি, আগের মতোই আছে। বর্তমানে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়াগামীদের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। যাদের আগে ভিসা নেয়া ছিল তাদের কেউ কেউ এখনো বিশেষ কারণে চীন যাচ্ছেন।

ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল (ডব্লিউটিটিসি) বলছে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ থেকে দেশের বাইরে গমনকারীদের মধ্যে ৫২ শতাংশ (পর্যটন, ব্যবসায় ও চিকিৎসার জন্য) ভারতে গেছেন। সৌদিতে গেছেন ১১ শতাংশ, মালয়েশিয়ায় ৫ শতাংশ, বাহরাইনে ৪ শতাংশ, থাইল্যান্ডে ৪ শতাংশ, অল্পসংখ্যক গেছেন ইউরোপ-আমেরিকা। আর প্রায় ২০ শতাংশই ভ্রমণ করেছেন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে। বিদেশগামীদের ৮৭ ভাগই ঘুরতে যান (ট্যুরিস্ট ভিসায়), বাকি ১৩ শতাংশ যান অন্যান্য কারণে।

আগের বছরের তুলনায় এ বছরের প্রথম কয়েক সপ্তাহে এই হার ৩০-৪০ শতাংশের বেশি হবে না বলে জানাচ্ছে ট্যুর অপারেটরগুলো।

অ্যামেজিং ট্যুরসের ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, গত দেড় মাসে বাংলাদেশের বিদেশগামী ট্যুরিস্ট উদ্বেগজনক হারে কমেছে। আগে আমরা যতো ট্যুর বুকিং করতাম, বর্তমানে তার ৩০ ভাগও পাচ্ছি না। পাশাপাশি চীনে নতুন করে কোনো ভিসা ইস্যু হচ্ছে না বিধায় সেখানে যাচ্ছেন না কোনো ট্যুরিস্ট।

Thailand

থাইল্যান্ডের একটি আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে সারাবছরই ট্যুরিস্টরা যেতেন থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভুটান, ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোতে। এদের মধ্যে থাইল্যান্ড ভ্রমণকারী ট্যুরিস্টের সংখ্যা শীর্ষে ছিল। তবে বর্তমানে এই থাইল্যান্ডেও তেমন ট্যুরিস্ট যাচ্ছেন না। যারা যাচ্ছেন, তারা ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন।

বাংলাদেশের এয়ারলাইন্সগুলো বলছে, চীনে সারাবছরই বাংলাদেশ থেকে ব্যবসায়ী ও পর্যটকরা যাতায়াত করেন। তবে গত চার সপ্তাহ ধরে নেহাত প্রয়োজন ছাড়া কেউ চীন যাচ্ছেন না। ফ্লাইটগুলো প্রায় খালি যাতায়াত করছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের জেনারেল ম্যানেজার (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, চীন রুটের ফ্লাইটে করোনাভাইরাসের প্রভাব বড় আকারে পড়েছে। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে চীনা নববর্ষের কারণে সেখানকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকে। তাই দেশি ব্যবসায়ীরা সেখানে যান না। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এখন পর্যটকরাও চীন যাচ্ছেন না।

ট্যুর বুকিং না থাকার প্রভাব এয়ার টিকিটিং ব্যবসায়
এদিকে পর্যটকদের ট্যুর বুকিং না থাকার প্রভাব পড়েছে এয়ার টিকিটিং ব্যবসায়ও। অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) সভাপতি ও আকাশ ভ্রমণ ট্রাভেল এজেন্সির ম্যানেজিং ডিরেক্টর মনসুর আহমেদ কামাল জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের সংগঠনের সদস্যরা সাধারণত বিমানের টিকিটিং ব্যবসায়ের সাথে জড়িত। করোনাভাইরাসের প্রভাবে চীন, হংকংসহ আশপাশের দেশগুলোতে যাত্রীরা যাচ্ছেন না। এটি আমাদের টিকিটিং ব্যবসায় মন্দাভাব নামিয়েছে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি একটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ব্যাংকক থেকে ঢাকায় এসেছেন এক যাত্রী। ওই যাত্রী জাগো নিউজকে বলেন, আমার ফ্লাইটে মাত্র ১৭ জন যাত্রী ছিলেন।

Singapore

সিঙ্গাপুরগামী পর্যটকও কমেছে করোনাভাইরাস আতঙ্কে

গত ২৯ জানুয়ারি থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে গিয়ে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক, ফুকেট এবং ক্রাবি দ্বীপ ঘুরেছেন এক যুবক। সাত দিনের অভিজ্ঞতার বিষয়ে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আমি এর আগেও থাইল্যান্ডের একই শহর ও দ্বীপগুলোতে ঘুরেছি। তবে এবারের অভিজ্ঞতাটা ছিল একটু ভিন্ন। প্রথমত ঢাকার বিমানবন্দরে থাই লায়ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটিতে সবার মুখে মাস্ক পরার দৃশ্য দেখে অবাক লাগছিল। করোনাভাইরাস নিয়ে আমাদের বিমানবন্দরে নানা পরামর্শ ছিল। তারপরও থাই লায়ন কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভাইরাস প্রতিরোধে আমাদের কিছু পরামর্শ দিয়েছে। ফ্লাইট ব্যাংককের ডন মিয়াং এয়ারপোর্টে নামার পর আমাদের একবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই এয়ারপোর্ট থেকে ফ্লাইট ধরে ফুকেট শহরে যাওয়ার সময় আবারও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। ফুকেটের এয়ারপোর্টে নামার পর আবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া ফুকেট থেকে আমরা যখন বাসে ক্রাবি আইল্যান্ডে যাই তখন পর্যটক এবং থাই নাগরিকদের পৃথক বাসে তোলা হয়। বাসের সব যাত্রীর ওপর স্যানিটাইজার স্প্রে করা হয়।

তিনি আরও বলেন, আগেরবার থাইল্যান্ড ভ্রমণের চেয়ে এবারের অভিজ্ঞতা অনেকটাই ভিন্ন ছিল। চাইনিজ নিউ ইয়ার উপলক্ষে পুরো ব্যাংকক ও ফুকেট নগরী সাজানো ছিল। তবে সেখানে তেমন কোনো ট্যুরিস্ট দেখা যায়নি। এমনকি সি-বিচ এবং আইল্যান্ডে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের ট্যুরিস্টের সংখ্যা ছিল কম। যারা ছিলেন সবার মুখে মাস্ক ছিল।

চীনের করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক পর্যটন শিল্পেও। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে সিএনএন বলেছে, ২০১৯ সালে প্রায় ৫ কোটি চীনা পর্যটক হংকং গিয়েছেন। ২ কোটি ৭৫ লাখ ম্যাকাও এবং থাইল্যান্ডে গিয়েছেন ১ কোটি ১ লাখ পর্যটক। তবে করোনাভাইরাসের কারণে ওই অঞ্চল বা দেশগুলোর এয়ারলাইন্স ফ্লাইট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়ায় এবং চীনা নাগরিকদের সহজে ভিসা না দেয়ার কারণে সেখানকার পর্যটন শিল্পে ধস নামার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

করোনাভাইরাস ছড়ানোর পর এতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৭২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে চীনে। এদের মধ্যে একজন মার্কিন নাগরিক। চীনের বাইরে ফিলিপাইনে একজন ও হংকংয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ হাজার ৫৪৬ জন। চীনসহ বিশ্বের ২৮টি দেশ ও অঞ্চলে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বাকি ২৭টি দেশ ও অঞ্চল হলো- অস্ট্রেলিয়ায়, বেলজিয়াম, কম্বোডিয়া, কানাডা, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, হংকং, ভারত, ইতালি, জাপান, ম্যাকাও, মালয়েশিয়া, নেপাল, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, স্পেন, শ্রীলঙ্কা, সুইডেন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভিয়েতনাম।

করোনাভাইরাস আতঙ্কে অনেক দেশই তাদের নাগরিকদের চীন ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এছাড়া বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের চীন থেকে ফিরিয়ে নিচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এয়ারলাইন্স ইতোমধ্যেই তাদের চীন রুটের ফ্লাইট বাতিল করেছে।

এআর/এইচএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১০,১৬,৪১৩
আক্রান্ত

৫৩,২৩৮
মৃত

২,১৩,১৩৫
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৬১ ২৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২,৪৫,৩৭৩ ৬,০৯৫ ১০,৪০৩
ইতালি ১,১৫,২৪২ ১৩,৯১৫ ১৮,২৭৮
স্পেন ১,১২,০৬৫ ১০,৩৪৮ ২৬,৭৪৩
জার্মানি ৮৪,৭৯৪ ১,১০৭ ২২,৪৪০
চীন ৮১,৬২০ ৩,৩২২ ৭৬,৫৭১
ফ্রান্স ৫৯,১০৫ ৫,৩৮৭ ১২,৪২৮
ইরান ৫০,৪৬৮ ৩,১৬০ ১৬,৭১১
যুক্তরাজ্য ৩৩,৭১৮ ২,৯২১ ১৩৫
১০ সুইজারল্যান্ড ১৮,৮২৭ ৫৩৬ ৪,০১৩
১১ তুরস্ক ১৮,১৩৫ ৩৫৬ ৪১৫
১২ বেলজিয়াম ১৫,৩৪৮ ১,০১১ ২,৪৯৫
১৩ নেদারল্যান্ডস ১৪,৬৯৭ ১,৩৩৯ ২৫০
১৪ কানাডা ১১,২৮৩ ১৭৩ ১,৯৭৯
১৫ অস্ট্রিয়া ১১,১৭১ ১৫৮ ১,৭৪৯
১৬ দক্ষিণ কোরিয়া ১০,০৬২ ১৭৪ ৬,০২১
১৭ পর্তুগাল ৯,০৩৪ ২০৯ ৬৮
১৮ ব্রাজিল ৮,০৬৬ ৩২৭ ১২৭
১৯ ইসরায়েল ৬,৮৫৭ ৩৬ ৩৩৮
২০ সুইডেন ৫,৫৬৮ ৩০৮ ১০৩
২১ অস্ট্রেলিয়া ৫,৩১৪ ২৮ ৫৮৫
২২ নরওয়ে ৫,২১৮ ৫০ ৩২
২৩ আয়ারল্যান্ড ৩,৮৪৯ ৯৮
২৪ রাশিয়া ৩,৫৪৮ ৩০ ২৩৫
২৫ চিলি ৩,৪০৪ ১৮ ৩৩৫
২৬ ডেনমার্ক ৩,৩৮৬ ১২৩ ১,০৮৯
২৭ ইকুয়েডর ৩,১৬৩ ১২০ ৬৫
২৮ মালয়েশিয়া ৩,১১৬ ৫০ ৭৬৭
২৯ পোল্যান্ড ২,৯৪৬ ৫৭ ৫৬
৩০ রোমানিয়া ২,৭৩৮ ১১৫ ২৬৭
৩১ ফিলিপাইন ২,৬৩৩ ১০৭ ৫১
৩২ জাপান ২,৬১৭ ৬৩ ৪৭২
৩৩ ভারত ২,৫৬৭ ৭২ ১৯২
৩৪ লুক্সেমবার্গ ২,৪৮৭ ৩০ ৮০
৩৫ পাকিস্তান ২,৪৫০ ৩৫ ১২৬
৩৬ থাইল্যান্ড ১,৯৭৮ ১৯ ৫৮১
৩৭ সৌদি আরব ১,৮৮৫ ২১ ৩২৮
৩৮ ইন্দোনেশিয়া ১,৭৯০ ১৭০ ১১২
৩৯ গ্রীস ১,৫৪৪ ৫৩ ৬১
৪০ ফিনল্যাণ্ড ১,৫১৮ ১৯ ৩০০
৪১ মেক্সিকো ১,৫১০ ৫০ ৬৩৩
৪২ পানামা ১,৪৭৫ ৩৭
৪৩ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৪৬২ ৯৫
৪৪ পেরু ১,৪১৪ ৫৫ ৫৩৭
৪৫ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৩৮০ ৬০ ১৬
৪৬ আইসল্যান্ড ১,৩১৯ ২৮৪
৪৭ আর্জেন্টিনা ১,২৬৫ ৩৭ ২৫৬
৪৮ সার্বিয়া ১,১৭১ ৩১ ৪২
৪৯ কলম্বিয়া ১,১৬১ ১৯ ৫৫
৫০ কলম্বিয়া ১,১৬১ ১৯ ৫৫
৫১ সিঙ্গাপুর ১,০৪৯ ২৬৬
৫২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,০২৪ ৯৬
৫৩ ক্রোয়েশিয়া ১,০১১ ৮৮
৫৪ আলজেরিয়া ৯৮৬ ৮৬ ৬১
৫৫ কাতার ৯৪৯ ৭২
৫৬ স্লোভেনিয়া ৮৯৭ ১৭ ৭০
৫৭ ইউক্রেন ৮৯৭ ২২ ১৯
৫৮ নিউজিল্যান্ড ৮৬৮ ১০৩
৫৯ মিসর ৮৬৫ ৫৮ ২০১
৬০ এস্তোনিয়া ৮৫৮ ১১ ৪৫
৬১ হংকং ৮০২ ১৫৪
৬২ ইরাক ৭৭২ ৫৪ ২০২
৬৩ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদতরী) ৭১২ ১১ ৬১৯
৬৪ মরক্কো ৭০৮ ৪৪ ৩১
৬৫ লিথুনিয়া ৬৯৬
৬৬ আর্মেনিয়া ৬৬৩ ৩৩
৬৭ বাহরাইন ৬৪৩ ৩৮১
৬৮ হাঙ্গেরি ৬২৩ ২৬ ৪৩
৬৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৫৩৩ ১৬ ২০
৭০ মলদোভা ৫০৫ ২৩
৭১ লেবানন ৪৯৪ ১৬ ৪৬
৭২ বুলগেরিয়া ৪৭৭ ১২ ৩০
৭৩ চেক রিপাবলিক ৪৬৪
৭৪ লাটভিয়া ৪৫৮ ৩১
৭৫ তিউনিশিয়া ৪৫৫ ১৪
৭৬ কাজাখস্তান ৪৪৮ ২৮
৭৭ এনডোরা ৪২৮ ১৫ ১০
৭৮ স্লোভাকিয়া ৪২৬
৭৯ আজারবাইজান ৪০০ ২৬
৮০ কোস্টারিকা ৩৯৬
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৩৮৪ ১১ ১৭
৮২ উরুগুয়ে ৩৬৯ ৬৮
৮৩ সাইপ্রাস ৩৫৬ ১০ ২৮
৮৪ তাইওয়ান ৩৪৮ ৫০
৮৫ কুয়েত ৩৪২ ৮১
৮৬ রিইউনিয়ন ৩০৮ ৪০
৮৭ ক্যামেরুন ৩০৬ ১০
৮৮ বেলারুশ ৩০৪ ৫৩
৮৯ জর্ডান ২৯৯ ৪৫
৯০ চেক রিপাবলিক ২৯৩
৯১ বুর্কিনা ফাঁসো ২৮৮ ১৬ ৫০
৯২ আলবেনিয়া ২৭৭ ১৬ ৭৬
৯৩ আফগানিস্তান ২৭৩ ১০
৯৪ সান ম্যারিনো ২৪৫ ৩০ ২১
৯৫ ভিয়েতনাম ২৩৩ ৮৫
৯৬ কিউবা ২৩৩ ১৩
৯৭ ওমান ২৩১ ৫৭
৯৮ হন্ডুরাস ২২২ ১৫
৯৯ উজবেকিস্তান ২২১ ২৫
১০০ ঘানা ২০৪ ৩১
১০১ মালটা ১৯৬
১০২ সেনেগাল ১৯৫ ৫৫
১০৩ আইভরি কোস্ট ১৯৪ ১৫
১০৪ নাইজেরিয়া ১৮৪ ২০
১০৫ ফারে আইল্যান্ড ১৭৭ ৮১
১০৬ ফিলিস্তিন ১৬১ ১৮
১০৭ শ্রীলংকা ১৫১ ২১
১০৮ জর্জিয়া ১৪৮ ২৭
১০৯ ভেনেজুয়েলা ১৪৬ ৪৩
১১০ মন্টিনিগ্রো ১৪৪
১১১ মার্টিনিক ১৩৮ ২৭
১১২ ব্রুনাই ১৩৩ ৫৬
১১৩ বলিভিয়া ১৩২
১১৪ কিরগিজস্তান ১৩০
১১৫ গুয়াদেলৌপ ১২৮ ২৪
১১৬ মায়োত্তে ১১৬ ১০
১১৭ কম্বোডিয়া ১১৪ ৩৫
১১৮ কেনিয়া ১১০
১১৯ নাইজার ৯৮
১২০ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৯৭
১২১ প্যারাগুয়ে ৯২
১২২ জিব্রাল্টার ৮৮ ৪৬
১২৩ রুয়ান্ডা ৮৪
১২৪ লিচেনস্টেইন ৭৫
১২৫ মোনাকো ৬০
১২৬ আরুবা ৬০
১২৭ গিনি ৫২
১২৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৫১ ১৫
১২৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৫১ ১৫
১৩০ গুয়াতেমালা ৪৭ ১২
১৩১ জ্যামাইকা ৪৭
১৩২ বার্বাডোস ৪৬
১৩৩ ম্যাকাও ৪১ ১০
১৩৪ টোগো ৩৯ ১৭
১৩৫ পুয়ের্তো রিকো ৩৯
১৩৬ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩৭
১৩৭ গুয়াম ৩২
১৩৮ ইথিওপিয়া ২৯
১৩৯ কেম্যান আইল্যান্ড ২৮
১৪০ বাহামা ২৪
১৪১ কঙ্গো ২২
১৪২ গ্যাবন ২১
১৪৩ তানজানিয়া ২০
১৪৪ মালদ্বীপ ১৯ ১৩
১৪৫ গায়ানা ১৯
১৪৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৫
১৪৭ মঙ্গোলিয়া ১৪
১৪৮ নামিবিয়া ১৪
১৪৯ সেন্ট লুসিয়া ১৩
১৫০ বেনিন ১৩
১৫১ ডোমিনিকা ১২
১৫২ সুরিনাম ১০
১৫৩ সিসিলি ১০
১৫৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১০
১৫৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৭ সুদান
১৫৮ ভ্যাটিকান সিটি
১৫৯ ভ্যাটিকান সিটি
১৬০ নেপাল
১৬১ মৌরিতানিয়া
১৬২ লাইবেরিয়া
১৬৩ ভুটান
১৬৪ মন্টসেরাট
১৬৫ সোমালিয়া
১৬৬ গাম্বিয়া
১৬৭ তাজিকিস্তান
১৬৮ সেন্ট পিয়ের ও মিকুয়েলন
১৬৯ মার্কিন ভার্জিন আইল্যান্ড
১৭০ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
১৭১ ক্রিস্টমাস আইল্যান্ড
১৭২ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - jagofeature@gmail.com