দেশজুড়ে

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহৎ অর্থনৈতিক হাব হবে মহেশখালী সমুদ্র বন্দর

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘প্রিয় বাংলাদেশ- স্বর্গের চেয়ে প্রিয়। দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী বড় বৈচিত্র্যময় ও ঐতিহ্যের ধারক। সারাদেশ জানে, এ মহেশখালীর পান, ধান, লবণ, চিংড়ি এবং শুঁটকি দেশ বিখ্যাত। এসব বিদেশেও রপ্তানি হয়। সে ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার আপনারা। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সুমদ্র সম্পদ-ব্লু ইকোনোমি। দক্ষিণ এশিয়ার বৃহৎ অর্থনৈতিক হাব হবে মহেশখালী সমুদ্র বন্দর’

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে কক্সবাজার-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির তিনি এসব কথা বলেন।

মহেশখালী দ্বীপের নতুন বাজার মাঠে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু বকর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে আয়োজিত জনসভায় সালাহউদ্দিন বলেন, ‘মহেশখালী ও কুতুবদিয়াকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতাম, যে কক্সবাজারের পানি, সমুদ্র, পর্যটনকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতাম, সেই স্বপ্ন শতভাগ পূরণ হবে ইনশাআল্লাহ।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ দক্ষিণ এশিয়ার সমুদ্রবন্দরের যোগাযোগে ব্রিজ হতে হবে। এটা শুধু জনতার নয়, আমারও দাবি। সেটা হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ।’

হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, ‘জামায়াতে ভোট দেওয়া হারাম। আমরা মদিনার ইসলামে বিশ্বাস করি, মওদুদীর ইসলামে বিশ্বাস করি না। ইসলামের নামে মানুষকে ধোঁকা দেওয়া বন্ধ করুন। ইসলামের নামে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করবেন না।’

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য কক্সবাজার-১ আসনে প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য জরিপ শুরু হয়েছিল। প্রথমে সোনাদিয়ায় বন্দরের পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা মাতারবাড়িতে নির্ধারিত হয়। ক্ষমতার পালাবদলের কারণে প্রকল্পটি ১৭ বছর পিছিয়ে যায়। না হলে বহু আগে এ বন্দর বাস্তবায়িত হতো। গভীর সমুদ্রবন্দর দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ বন্দর হবে এবং অর্থনীতির হাবে পরিণত হবে।

জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহসভাপতি এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা বেগম স্বপ্না, অ্যাডভোকেট নুরুল আলম, অ্যাডভোকেট সৈয়দ আহমদ উজ্জ্বল, জিসান উদ্দীন, সৈয়দ আহমদ, আতাউল্লাহ বোখারী ও জালাল আহমদ প্রমুখ।

সায়ীদ আলমগীর/আরএইচ/জেআইএম