দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও সরকার বসে নেই : মতিয়া চৌধুরী
কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, বর্তমানে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও সরকার বসে নেই। সরকার কৃষি জমি সম্প্রসারণের চিন্তা করছে। উত্তরবঙ্গের ভূমি যেহেতু অন্য কাজে ব্যয় হবে তাই আমরা দেশের দক্ষিণাঞ্চলে কৃষি জমি সম্প্রসারণ করবো। সমুদ্র উপকূলবর্তী ও লবণাক্ত এলাকায় লবণাক্ততা সহিষ্ণু জাতের ধান, গম ও আলু উৎপাদন করা হবে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘ফুড সিকিউরিটি অ্যান্ড ফিউচার চ্যালেঞ্জ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মতিয়া চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। কিন্তু একটি জনসংখ্যাবহুল দেশ হিসেবে কৃষি জমি কমতে থাকার ঝুঁকি মোকাবেলায় সরকার খাদ্যশস্য উৎপাদনে বিশেষ মনোযোগ দিচ্ছে। এ উদ্দেশ্যেই দক্ষিণে কৃষি জমি সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে।
কৃষিমন্ত্রী দেশের বিপুল জনসংখ্যার প্রোটিনের চাহিদা পূরণে ধান, গমের পাশাপাশি হাঁস-মুরগি, মাছের খাবার হিসেবে ভুট্টা তথা সিরিয়াল ফুড উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ধান ও গম থেকে আমাদের ক্যালরির চাহিদা পূরণ হবে। কিন্তু প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে হলে পোলট্রি মুরগী এবং চাষ করা মাছের কোন বিকল্প নেই। ভুট্টা এই খাদ্যের যোগান দেবে।
গরুর খাদ্য হিসেবে ভুট্টার খোসা থেকে তৈরি করা চকলেট দুধের চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্ত্রী ‘ফিড ফর ফিউচার বাংলাদেশ ইন ফোকাস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। কৃষি বিষয়ক সাংবাদিকদের গবেষণালব্ধ ১২টি প্রতিবেদন নিয়ে এই বইটি সম্পাদনা করেছেন ফিডার সভাপতি কাউসার আহমেদ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আনোয়ার ফারুক, ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউটের চিফ অব পার্টি আখতার আহমেদ, সিনজেনটা বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজ্জাদুল হাসান প্রমুখ।
আরএস/আরআই