দেশজুড়ে

নারায়ণগঞ্জে বিএনপির ১৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

নারায়ণগঞ্জে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদের বাড়িতে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য সুস্থতা কামনায় আয়োজিত দোয়া ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ। এ সময় নজরুল ইসলাম আজাদসহ ১৯ জন নেতাকর্মীকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।

শনিবার সকালে আড়াইহাজার থানার এসআই আবুল কাশেম বাদী হয়ে নজরুল ইসলাম আজাদকে প্রধান আসামি করে বিস্ফোরকসহ বিশেষ ক্ষমতা আইনে ওই মামলাটি দায়ের করেন।

এর আগে শুক্রবার আজাদ ও তার অনুগামীদের আসামি করে আড়াইহাজারের একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই দিনই আজাদের বাড়ি থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরা হলেন- কামাল হোসেন, সোহেল মিয়া ও তারেহ আলী।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, শুক্রবার বিকেলে উপজেলার পাঁচরুখীতে নজরুল ইসলাম আজাদের বাড়িতে অবৈধভাবে সংঘঠিত হয়ে শান্ত রাজনৈতিক পরিবেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছিল। তখন সেখানে পুলিশ উপস্থিত হলে অনেকেই পালিয়ে যায়। তবে কামাল, সোহেল ও তারেহকে গ্রেফতার করা হয়। মামলায় নজরুল ইসলাম আজাদ, গ্রেফতার তিনজন, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি লুৎফর রহমান আবদু, সাদেক, সুন্দর আলী, ইকবাল, নাঈম, সালাউদ্দিন, মজিবুর, আবদুল মতিনসহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় আজাদকে নাশকতাকারীর মূল হোতা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে আজাদের অভিযোগ, তারা শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ পুনর্মিলনী ও বিএনপির নেতাদের নামে দোয়া করছিলেন। এরপরও পুলিশের তাণ্ডবের শিকার হয়েছেন। বাড়িতে আয়োজিত রান্না করা খাবার ফেলে দিয়েছে পুলিশ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় পুলিশকে ব্যবহার করে আমাদের ওপর অমানবিক কর্মকাণ্ড করার পরও মামলা দায়ের করে।

তার আরও অভিযোগ, গত ২৩ আগস্ট আড়াইহাজারে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অথচ ঘটনাস্থলে আমি ছিলাম না। এর আগে এ বাড়ি থেকেই আমাকে একবার টেনে হিচড়ে গ্রেফতার করে পুলিশ।

যুবদলের এই নেতা বলেন, নিজের বাড়িতে থাকতে পারছি না। এখানেও পুলিশের বাধা। এতেই বোঝা যায় গণতন্ত্র আজ কোথায়। এ সরকারের আমলে ধর্মীয় রীতিও পালন করা যাচ্ছে না।

আড়াইহাজার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ হক মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শাহাদাত হোসেন/আরএ/জেআইএম