অপরিকল্পিতভাবে সড়ক সম্প্রসারণের ফলে পটুয়াখালী শহরের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের খুঁটি সড়কে রেখেই চওড়া করেছে পৌর সড়ক বিভাগ। শুধু পৌর এলাকা নয়, রয়েছে মহাসড়কেও বিদ্যুতের খুঁটি। ফলে ওই সব সড়কে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
কয়েক বছর ধরে পটুয়াখালী সার্কিট হাউসের উত্তর পাশ থেকে র্যাব ক্যাম্প মোড়, সেখান থেকে শেরেবাংলা সড়ক এবং শহরের সিঙ্গারা পয়েন্ট থেকে সরকারি কলেজ সড়ক পর্যন্ত বেশ কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটির অবস্থান। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা চলাচল করেন। এছাড়া শত শত যানবাহন চলাচল করে। খুঁটিগুলোর সঙ্গে দ্রুতগামী কোনো গাড়ির ধাক্কা লেগে বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।
এছাড়া জেলা শহরসহ সব উপজেলা পর্যায়ের সড়কের চিত্রও এক। বিষয়টি জাগো নিউজের প্রতিনিধি পৌর মেয়রের নজরে আনলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
পটুয়াখালী ইউথ ফোরামের সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, কয়েক বছর ধরে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় পটুয়াখালী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ অ্যাড. তারিকুজ্জামান মনি বারবার বিষয়টি উপস্থাপন করেন। তার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে এ সড়কের দেুটি খুঁটি অপসারণ করা হয়।
ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী কুরায়শী ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের পরিচালক ইয়ামিন কুরায়শী বলেন, সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের খুঁটির কারণে যে কোনো সময় মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দুর্ঘটনা ঘটলে তখন দায়ভার কে নেবে?
এ বিষয়ে পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মদ জানান, এ সড়কে বিদ্যুতের খুঁটিগুলো চলতি মাসের মধ্যে অপসারণ করা হবে।
তিনি আরও জানান, শহরের মধ্যে যেসব সড়কের মাঝে বিদ্যুতের খুঁটি রয়েছে, তা পর্যায়ক্রমে অপসারণ করা হবে। আন্ডারগ্রাউন্ডের মাধ্যমে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করার জন্য একটি ডিপিবি পাঠাবো তা হলে আমাদের খুঁটি থাকবে না, আন্ডারগ্রাউন্ডে যেতে পারবো। আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি যাতে করে পটুয়াখালী শহরটিকে আরও সুন্দর করা যায়।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্টিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মু. আ. সালেক খান জানান, যেসব সড়কে বিদ্যুতের খুঁটি আছে সেগুলো এ মাসের মধ্যে অপসারণ করা হবে।
মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/এমএএস/আরআইপি