আজকের কৌতুক : রেল লাইনে আত্মহত্যা

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:১১ পিএম, ২৩ জুন ২০১৮

কৌতুক- এক : রেল লাইনে সুইসাইড
স্ত্রী : তোমার মনে আছে, বিয়ের দিন আর বৌভাতের দিন আমি কী কী রঙের শাড়ি পরেছিলাম?
স্বামী : রেল লাইনে কেউ আত্মহত্যা করতে গেলে সে কি দেখে যে শতাব্দী আসছে না রাজধানী?

****

কৌতুক- দুই : ভয়ানক উদাহরণ দিচ্ছেন কেন
পল্লব একটি চেক নিয়ে ব্যাংকে গেল জমা করার জন্য-
পল্লব : স্যার, আমার এই চেকটা ক্লিয়ার হতে কতদিন লাগবে?
ম্যানেজার : ৩-৪ দিনের মতো লাগবে।
পল্লব : স্যার, ব্যাংক দুটো তো খুব কাছাকাছি, তাহলে এতো সময় লাগবে কেন?
ম্যানেজার : কিছু প্রসেস থাকে সে জন্য একটু সময় লাগে।
পল্লব : ঠিক বুঝলাম না, এতো কাছাকাছি ব্যাংক হওয়া সত্ত্বেও...
ম্যানেজার : বুঝলে না? তাহলে শোনো- ধর, তোমার মোটরসাইকেল অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে তুমি শ্মশানের কাছে মারা গেলে, তাহলে কি লোকজন তোমাকে সঙ্গে সঙ্গে শ্মশানে নিয়ে গিয়ে জ্বালিয়ে দেবে? নাকি প্রথমে তোমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবে। তুমি মারা গিয়েছো কিনা তা পরীক্ষা করে দেখবে। পুলিশ রিপোর্ট হবে। পোস্ট মর্টেম হবে। তোমার বডি বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। কান্নাকাটি হবে। তারপর শ্মশানে আনা হবে?
পল্লব : স্যার, এতো ভয়ানক উদাহরণ দিচ্ছেন কেন? আমি এক সপ্তাহ পরেই না হয় আসবো!

****

কৌতুক- তিন : ট্রেনের কামরায় সাপ
শিয়ালদা থেকে দুই বন্ধু নর্থ বেঙ্গল যাবে। রিজার্ভেশন নেই, তাই জেনারেল কামরার টিকিট কেটেছে। কামরায় উঠে দেখল প্রচুর ভিড়। সঙ্গের মালপত্র রাখার জায়গাটুকুও নেই। দাঁড়াবার জায়গা তো দূরের কথা। দু’জনে চোখে চোখে কথা বলে চিৎকার শুরু করল, ‘সাপ সাপ, ওই যে সিটের নিচে ঢুকে পড়ল। ওরে বাপরে, বিষধর সাপ।

সঙ্গে সঙ্গে কামরায় হুড়োহুড়ি। কিছু লোক নেমে পড়ছে দেখে দুই বন্ধু সিট দখল করে মালপত্র গুছিয়ে চোখ-কান বুজিয়ে শুয়ে পড়ল। এক ঘুমে রাত শেষ। সকালে ব্রাশ করে চা খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খেল। চাওয়ালাদের হাকডাক নেই! চারদিকে কেমন নিস্তব্ধতা! বাহিরটাও অচেনা! দূরে কয়েকজন রেল লাইনে কাজ করছিল। বন্ধুদের একজন চেঁচিয়ে জিজ্ঞেস করল- বন্ধু : দাদারা, এটা কোন স্টেশন?

নিরাপত্তাকর্মী : কামরায় সাপ আছে। তাই এই কামরা কেটে রেখে অন্য কামরা জুড়ে ট্রেন রাতেই রওনা হয়ে গেছে। এটা শিয়ালদা কারশেড।

এসইউ/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :