আজকের জোকস : প্রতিবেশী ভাবিরা জ্বইলা-পুইড়া যায়

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৪০ এএম, ১৬ আগস্ট ২০১৮

প্রতিবেশী ভাবি-আপারা জ্বইলা-পুইড়া যায়

ঈদের মার্কেটিং করতে গেছে নান্টুর স্ত্রী। মার্কেটের সব দোকান একবার করে দেখে উপরে উঠেছেন। এখন আবার নামার পথে সেই দোকানগুলো আবার দেখা শুরু করলেন। কিন্তু পছন্দের জিনিস পাচ্ছেন না। সঙ্গে থাকা নান্টু ধৈর্যের বাঁধ আর ধরে রাখতে পারছেন না। একপর্যায়ে একটি শাড়ির দোকানে গেল তারা।
বিক্রেতা: কেমন শাড়ি চাই ম্যাডাম?
নান্টু: ডিজাইন, রং, কাজ, সুতা- সব তোমার ইচ্ছামতো দাও। কিন্তু এমন শাড়ি হইতে হইবো যাতে প্রতিবেশী সব ভাবি-আপা জ্বইলা-পুইড়া তড়পাইতে থাকে আগামী ঈদ পর্যন্ত।

****

এখন তো গায়েও হাত দেয়!

লুনা তার স্বামীর বিরামহীন নির্যাতন সইতে না পেরে জ্যোতিষীর কাছে গেলেন-
লুনা: বিয়ের পর থেকে স্বামী শুধু ধমকাধমকি করেই যাচ্ছে, ৫ বছর হয়ে এলো। এখন তো গায়েও হাত দেয়!
জ্যোতিষী: কারণ?
লুনা: কারণ জানতেই তো আপনার কাছে আসছি। আমার বড় বোন, ছোট বোন- তাদেরও বিয়ে হইছে। তাদের স্বামী তো এমন করে না! আমার বান্ধবী রুন্টি, মিলা, শুভা- কারও বরই তো এমন না!
জ্যোতিষী: হুম, বুঝতে পারছি...
লুনা: গুরুজি! এই শনি কাটাতে আমি কী ব্রত পালন করবো- বলে দিন, প্লিজ!
জ্যোতিষী: আপাতত মৌনব্রত পালন কর, মা! সব এমনিতে ঠিক হয়ে যাবে।

****

রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করল না

ব্যাকরণ ক্লাসে স্যার প্রশ্ন করলেন- ‘ছেলেটি আমার ডিএসএলআর আছে বলার পরও মেয়েটি ছেলেটির ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করল না’- এটা কোন কাল?
একজন ঝটপট উত্তর দিল- ‘স্যার, এটা ঘটমান অসম্ভব কাল!’

এসইউ/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :