সরকারি গাছ চোরদের কঠোর শাস্তির সুপারিশ
বিনা অনুমতিতে দেশের বিভিন্ন বন, রাস্তা, ভাওয়াল ও মধুপুর গড়ের গাছ কাটা বা বন উজাড়কারী অথবা কাঠ চোরদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি ও জরিমানার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।
জাতীয় সংসদ ভবনে বুধবার অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ২২তম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি কাজী কেরামত আলী বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে ৯ম জাতীয় সংসদের প্রথম থেকে শেষ অধিবেশন পর্যন্ত এবং ১০ম জতীয় সংসদের সম্প্রতি সমাপ্ত অধিবেশন পর্যন্ত সংসদের ফ্লোরে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী কর্তৃক পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের প্রদত্ত প্রতিশ্রুতির উপর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) কর্তৃক পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
পরিবেশ দূষণ সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচার কার্যক্রম জোরদারের উপর গুরুত্বারোপ করে কৃষি জমি বিনষ্ট করে যত্রতত্র ইট-ভাটা না করার ব্যাপারে বৈঠকে মতামত ব্যক্ত করা হয়। ইট-ভাটা স্থাপন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের যাচাই কমিটির সুনির্দিষ্ট ভূমিকা পালনের পরামর্শ রাখা হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, ইতোমধ্যে ইট-ভাটার ৬৮% আধুনিক পদ্ধতিতে রূপান্তর করা হয়েছে। এসব ইটভাটায় কাঠ পুড়িয়ে ইট তৈরির ব্যবস্থা নেই। তাছাড়া, কৃষি জমি বা লোকালয়ে ইট-ভাটা তৈরি রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পদক্ষেপ সম্পর্কেও কমিটিকে অবহিত করা হয়।
বৈঠকে আরো অবহিত করা হয়, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের আওতায় মোট ১৭টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এ বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যার আর্থিক অগ্রগতি ৩৪.৫৯ শতাংশ।
কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রহমত আলী, হুইপ মো. শহীদুজ্জমান সরকার, এ,কে,এম শাহজাহান কামাল ও মীর মোস্তাক আহমেদ রবি বৈঠকে অংশ নেন।
এইচএস/এসকেডি/আরআইপি