আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তার বহুগুণ কাজ করে যাবো: ডাকসু ভিপি

মো. ফেরদাউস
মো. ফেরদাউস মো. ফেরদাউস , বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:৩২ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, শিক্ষার্থীদের কাছে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তার প্রত্যেকটি কাজ বাস্তবায়ন হবে। কিছু কাজ করা হয়েছে, কিছু বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় আছে। আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, তার চেয়ে বহুগুণ কাজ করে পরবর্তীতে যারা আসবে, তাদের জন্য একটি চমৎকার ক্যাম্পাস রেখে যাবো, ইনশাআল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের চলমান জিমনেশিয়াম, নিরাপত্তা ও মাঠ সংস্কারের কার্যক্রম পরিদর্শন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সাদিক কায়েম বলেন, আমরা শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের প্রকল্পের অগ্রগতি দেখার জন্য এসেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি একটি আলাদা জিমনেশিয়াম করা। এটা নিয়ে আগে অনেক কথা হলেও জিমনেশিয়ামটি হয়নি। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর জিমনেশিয়ামটি করার চেষ্টা করছিলাম। এখন নারীদের জিমনেশিয়ামের কাজ শেষ পর্যায়ে।

তিনি বলেন, সেন্ট্রাল ফিল্ড দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার হয়নি। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর বলেছিলাম যে এটির আমূল পরিবর্তন করবো। সেই আলোকে বিসিবির সহায়তায় প্রায় দুই কোটি টাকার বাজেট আনা হয়েছে। খুব শিগগিরই পুরো মাঠ সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে যাবে। এর আওতায় শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রকে আধুনিক সেন্টার হিসেবে রূপ দেওয়া হবে। গেমসরুমে আধুনিক ইন্সট্রুমেন্টের ব্যবস্থা করা হবে।

এ সময় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে আমরা নিয়মিত যাচ্ছি। তাদের কথার আলোকে আমাদের কাজ বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছি। ডাকসুতে দায়িত্ব নিয়ে আমরা বলেছিলাম— আমরা নেতা হবো না, প্রতিনিধি হবো। শিক্ষার্থীদের কাজ আমাদের প্রশ্ন করা, আর আমাদের কাজ কাজ করে যাওয়া। সেভাবেই আমরা আমাদের কাজ অব্যাহত রেখেছি।

এ সময় ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের নিরাপত্তা বিষয়ে বলেন, শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের এক পাশের দেওয়াল ভাঙা ছিল। ওই দিক থেকে বহিরাগতরা প্রবেশ করতো। আমরা ওই জায়গায় তারকাঁটা দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। একইসঙ্গে আমরা শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রে আটটি সিসি ক্যামেরা বসাচ্ছি। মাঠে অনেক সময় খেলাধুলা ছাড়া অন্য কাজ করা হয়। অনেক সময় ইট, সিমেন্ট, বালু ফেলে রাখা হয়। কিছুদিন আগেও ডেকোরেটরের জিনিস রাখা হয়েছিল, যাতে খেলার ব্যাঘাত ঘটেছে। আমরা পুরো শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রকে এখন খেলার উপযুক্ত করে রেখেছি। খেলা ব্যতীত অন্য কোনো কাজে এখানে আসা যাবে না। ঘোরাঘুরির জন্য অন্য জায়গা আছে।

তিনি বলেন, আমি অনেকদিন ধরে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়ার জন্য দৌড়াচ্ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, আগামী ৪ তারিখ ইউজিসি এ বিষয়ে মিটিং ডেকেছে। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হবে। একইসঙ্গে আমি বিসিবিতে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু করার বিষয়ে কথা বলেছি, সেখান থেকেও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। শিগগিরই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হবে। একইসঙ্গে ভূমিকম্পের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আন্তঃহল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হয়নি। সেটি ঈদের পর হবে।

এফএআর/কেএএ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।