অর্থ আত্মসাৎ : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই কর্মকর্তার জামিন


প্রকাশিত: ১২:৩৭ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কর্মকর্তার মধ্যে দুইজনকে সাত দিনের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন আদালত। তবে অপর কর্মকর্তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

জামিন প্রাপ্তরা হলেন- প্রক্টর তাওহীদ জামান শিপু ও সহকারী রেজিস্ট্রার সিদ্দিকুর রহমান। তবে গ্রেফতার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক শেখ মো. মোফাজ্জল হোসেনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় তাকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।  

বাদি পক্ষের আইনজীবী আব্দুস সাত্তার জানান, বৃহস্পতিবার গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ওই তিন আসামির জামিনের জন্য তাদের পক্ষের আইনজীবীরা আবেদন করেন। পরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এনামুল হক ওই আদেশ দেন।

তিনি আরো জানান, সামনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশন থাকায় ওই দুইকর্মকর্তাকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর ও অপর কর্মকর্তা শেখ মো. মোফাজ্জল হোসেনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে আরো তিনটি মামলায় শ্যোন অ্যারেস্টের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক ফজলুল বারী ওই আদালতে আবেদন করেন। পরে আদালত তা শুনানির জন্য ২৮ মার্চ তারিখ ধার্য করেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের দায়ের করা একটি দুর্নীতি মামলায় সোমবার ভোরে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে দুদক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করে। পরদিন তাদের আদালতের মাধ্যমে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ পাঠানো হয়। এ মামলায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়।

ওই মামলায় অভিযোগ করা হয়, সরকারের নিষেধাজ্ঞার পরও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘গণনিয়োগ’ পাওয়া ১৬৯ জন কর্মচারীকে অবৈধভাবে সিলেকশন গ্রেড দিয়ে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারের এক কোটি চার লাখ ৬৩ হাজার ৩৯৪ টাকা আত্মসাৎ করেন।

বাদীপক্ষে গাজীপুর জজ আদালতের আইনজীবী আব্দুস সাত্তার, মোজাম্মেল হক এবং আসামি পক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ, মো. আব্দুল আজিজ মিয়া মিন্টুসহ একাধিক আইজীবী জামিন আবেদনের শুনানিতে অংশ নেন।

এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মো. হাফিজুর রহমান ও সহকারী কলেজ পরিদর্শক এমএইচ এম এ শাহজাহান বাদী হয়ে আরো তিনটি দুর্নীতির মামলা করেন। মামলাগুলো দুদক তদন্ত করছে।

আমিনুল ইসলাম/আরএআর/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।