ইউজিসির অভিন্ন নীতিমালা প্রত্যাখ্যান রুয়েট শিক্ষকদের

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক রাবি
প্রকাশিত: ০৪:২৪ পিএম, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক প্রস্তাবিত অভিন্ন নাীতিমালা প্রত্যাখ্যান করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষকরা।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে রুয়েট শিক্ষক সমিতির ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে ওই নাীতিমালা প্রত্যাখ্যান করা হয়। এ সময় অগ্রীম বেতন বৃদ্ধি ও অনুপার্জিত ইনক্রিমেন্ট দ্রুত পুনর্বহালের দাবি জানান তারা।

রুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এসএম আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. শামীমুর রহমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশের স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালগুলো প্রচলিত নীতিমালার আলোকেই তাদের শিক্ষার মান বজায় রেখে চলেছে। ফলে শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষা হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে স্নাতক অর্জন করে অত্যন্ত সাফল্য ও সুনামের সঙ্গে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এসব সম্ভব হচ্ছে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নীতিমালার অধীনে। কিন্তু অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় মেধবী স্নাতকদের শিক্ষকতা পেশায় প্রবেশের পথ রুদ্ধ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশন যে নীতিমালা প্রস্তাব করেছেন তা বাঞ্ছনীয় নয়।

বক্তারা আরও বলেন, প্রস্তাবিত নীতিমালায় সক্রিয় শিক্ষকতা ভিন্ন অন্য কোনো পেশাগত অভিজ্ঞতাকে বিবেচনায় রাখা হয়নি। যার কারণে বিদেশি পিএইচডি ডিগ্রিধারী ও অন্যান্য পেশাগত অভিজ্ঞ সম্পন্নদের দেশে প্রত্যাবর্তনে অনীহা সৃষ্টি হবে। কাজেই দেশের সকল প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন প্রস্তাবিত নীতিমালাটিকে প্রত্যাখ্যান করছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক এ বি মফিজ, অধ্যাপক আশরাফুল আলম, অধ্যাপক হারুন অর রশিদ, অধ্যাপক ফারুক, অধ্যাপক রবিউল ইসলাম, অধ্যাপক সাদাত প্রমুখ। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

সালমান শাকিল/এমবিআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]