করোনা পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিবেশবিদদের ভাবনা

মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবে থমকে গেছে গোটা বিশ্ব। প্রায় অচল সব দেশের অর্থনীতির চাকা, চিকিৎসাবিজ্ঞান চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছে, প্রতিষেধক প্রত্যাশায় তীর্থের কাকের মতো অপেক্ষা করছেন পৃথিবীর তাবৎ ক্ষমতাধর রাষ্ট্রপ্রধানরা। প্রাণভয়ে গৃহবন্দি কোটি কোটি মানুষ। এ যেন গোটা মানবজাতির জন্য চরম অভিশাপ!

সারাক্ষণ ক্ষমতা, প্রযুক্তি আর আধুনিক সব মরণাস্ত্র বানানোর প্রতিযোগিতায় মত্ত দেশগুলো এখন মন দিয়েছে গবেষণা খাতে। প্রকৃতির দিকে অসহায়ের মতো চেয়ে আছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগুলো। কখন আর কীভাবে হবে এই সমস্যার অবসান? অন্যদিকে, করোনা প্রকৃতির জন্য যেন আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। করোনার কারণে মানুষের সব তাণ্ডব, ধ্বংসযজ্ঞ আর সৃষ্ট দূষণের হাত থেকে কিছুটা যেন পরিত্রাণ পেয়েছে প্রকৃতি। আবারও যেন মেলে ধরতে শুরু করেছে তার মাধুর্য। করোনার এমন পরিস্থিতি-কে কীভাবে দেখছেন ভবিষ্যৎ পরিবেশবিদরা?

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (ইএসটি) বিভাগের শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি সাজিয়েছেন সজীবুর রহমান।

পিয়াস বিশ্বাস (শিক্ষার্থী)
পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ, যবিপ্রবি

সমগ্র পৃথিবীর পলিসিমেকারদের কাছে কোভিড-১৯ প্যানডেমিক একটা বড় শিক্ষা। করোনা আমাদের বুঝিয়েছে, পৃথিবীর বড় বড় সিদ্ধান্তগুলো কূটনীতির ভিত্তিতে না হয়ে বিজ্ঞানের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। ক্ষমতাধর দেশগুলো যুদ্ধ , বিনোদন বা শুধুমাত্র লোক দেখানো খাতে যে অর্থব্যয় করে, গবেষণা খাতে তার ভগ্নাংশও ব্যয় হয় না। পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী যুদ্ধবাহিনী বা সবচেয়ে দামি সুপার কম্পিউটারও ১০ ন্যানোমিটারের ক্ষুদ্র ভাইরাসের সামনে এখন অসহায়। করোনা-পরবর্তী পৃথিবীতে চিকিৎসা বিজ্ঞান, পরিবেশ বিজ্ঞান, অনুজীব বিজ্ঞান, জিন প্রযুক্তি গবেষণায় আগের চেয়ে অনেক গুরুত্ব দেয়া হবে বলে আমি আশাবাদী। যাতে পরবর্তী প্যানডেমিকের আগে আমরা শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারি।

নাজনীন সুলতানা (শিক্ষার্থী)
পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ, যবিপ্রবি

করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য উৎপত্তি বন্যপ্রাণীর দেহে। মানুষ বন্যপ্রাণীর মাধ্যমে সংক্রমিত হয় এরপর তা খুব দ্রুতই রূপ নেয় বৈশ্বিক মহামারিতে। আরও অনেক প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো এর পেছনেও বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন প্রকৃতির প্রতিশোধপরায়ণতাকে। পৃথিবীতে মানব প্রজাতির সংখ্যাবৃদ্ধি এবং তাদের তথাকথিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলশ্রুতিতে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে। ক্রমাগত বাসস্থান ধ্বংসের ফলে বন্যপ্রাণীর সঙ্গে মানুষের সংস্পর্শ বাড়ছে, আর এসব বন্যপ্রাণীই বহন করে নিয়ে আসছে ভয়ঙ্কর সব অভূতপূর্ব জীবাণু। বরফ গলে মেরু অঞ্চলে হিমায়িত জীবাণুরাও বেরিয়ে আসছে। এতদিন ধরে বিজ্ঞানীরা পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে বিশ্বনেতাদের চাপ দিয়ে আসলেও তারা খুব একটা গুরুত্ব দেননি কারণ নীতিনির্ধারকদের কখনও জলবায়ু পরিবর্তনের খারাপ প্রভাবের মুখোমুখি হতে হয় না। কিন্তু করোনা এসে তাদেরও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। এখন অনেক রাষ্ট্রনেতাই বলছেন, নতুন পৃথিবীর কথা। সেই নতুন পৃথিবীতে নিশ্চয়ই প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা, পরিবেশ দূষণ রোধ, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে। মানুষ এবার অন্তত নিজে বাঁচার জন্য হলেও পরিবেশ সুরক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করবে।

আলীনুর রহমান রানা (শিক্ষার্থী)
পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ, যবিপ্রবি

একবিংশ শতাব্দীতে এসে বিজ্ঞানের চমকপ্রদ একেকটি বিস্ময় দেখে আমাদের মধ্যে যাদের চোখেমুখে ভেলকি লেগেছিল, আমাদের যারা ভেবেছিলেন আবিষ্কারের যাবতীয় সংস্করণ ইতোমধ্যে সাধিত হয়ে গেছে; করোনাকালীন এই ক্রান্তিলগ্নে এসেও তারা কি এখনও সেই একই ভাবনা ভাবছেন? আজ কোথায় গেল মানুষের জ্ঞানের ক্ষমতার আর প্রযুক্তির বাহাদুরি? এত ক্ষমতাধর অত্যাধুনিক মানব সভ্যতা এক ক্ষুদ্র ভাইরাসের কাছে অসহায়, আত্মসমর্পণ করে এখন পর্যন্ত প্রায় চার লাখ নিরীহ মানুষ প্রাণ দিয়েছে। অত্যাধুনিক সভ্যতার মানুষ যারা গোটা পৃথিবীকে কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখেন তাদের আজ সামান্য একটা ভাইরাসের কাছে নাজেহাল হতে হচ্ছে। তবে কি এই অত্যাধুনিক সভ্যতা ভুল পথে অগ্রসর হয়েছে এতদিন?

আসলে বিরাজমান সভ্যতার বিরুদ্ধে এই ক্ষোভগুলো গড়ে ওঠা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক এবং যৌক্তিক। বিনোদন, অস্ত্র-গোলাবারুদ আর ক্ষমতার বাহাদুরি দেখাতে গিয়ে যত টাকা বিনিয়োগ করা হয় তার সিকিভাগও হয়তো শিক্ষা ও গবেষণা খাতে ব্যয় করা হয় না। কারণ, শিক্ষা ও গবেষণা খাতে বিনিয়োগের সঙ্গে ক্ষমতায় টিকে থাকার আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই।

বিশ্বরাজনীতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মোটামুটি সব দেশ ও প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের মধ্যেই একটা সামঞ্জস্যতা পরিলক্ষিত হয়। সেটা হলো, সব রাজনৈতিক দলের অন্যতম ও একমাত্র লক্ষ্য থাকে ক্ষমতা দখল করা। যাদের নীতিগত আদর্শের সঙ্গে শিক্ষা-গবেষণার তেমন কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের সঙ্গে যেটার সম্পর্ক থাকে তা হলো পরমতসহিষ্ণুতা, চাটুকারিতা, দালালি ও লেজুড়বৃত্তির। আর ঘুরেফিরে তারাই বারংবার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে সরকার গঠন করে।

এভাবে পরিচালিত রাজনীতির দুষ্টচক্রের কাছে আমরা পরিবেশবাদীরা কতটুকু আশা করতে পারি? কীভাবে তাদের কাছে আমরা একটা সুন্দর পৃথিবীর রূপরেখা কল্পনা করতে পারি? বর্ণবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার, প্রকৃতির সঙ্গে প্রতিনিয়ত প্রতারণা করে যাওয়া এসব ঘৃণ্য আচরণ দূর করতে হলে সবার আগে ব্যক্তিকে সভ্য হতে হবে। তারপর হয়তো ধীরে ধীরে গড়ে উঠবে একটা শান্তিপূর্ণ সভ্য সভ্যতা। সেই সুদিনের প্রতীক্ষা করে যাবে প্রত্যেক পরিবেশবাদী!

ফারজানা লিজা (শিক্ষার্থী)
পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ, যবিপ্রবি

বর্তমানে আতঙ্কের আরেক নাম করোনাভাইরাস। বাংলাদেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি দিনদিন খারাপের দিকে ধাবিত হচ্ছে। আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলছে। যেকোনো কিছু থেকে প্রতিকার পেতে হলে প্রথমে তার সমাধান সম্পর্কে সচেতন হওয়া দরকার। এই মুহূর্তে একমাত্র সচেতনতাই পারে করোনাভাইরাসের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করতে। করোনাভাইরাসের কারণে যখন পুরো পৃথিবী স্তব্ধ তখন প্রকৃতি যেন ফিরে পেল তার নিজস্ব রূপ। কঠোর লকডাউনের কারণে পরিবেশ দূষণের হার কমতে শুরু করেছে। পৃথিবীর বুকে আমাদের টিকে থাকতে হলে প্রথমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই করোনা পরিস্থিতি তা যেন আমাদের হাড়ে হাড়ে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা সংক্রমণ কমাতে হলে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমাদের দেশে জনসচেতনতার অভাবে এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে না চলার কারণে সংক্রমণের হার কমানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ভবিষ্যতে কী পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে তা নিয়ে আশঙ্কা ক্রমশ বাড়ছে। সংক্রমণ কমে এলেও এটা মানুষের শরীরে থেকে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই আমাদের উচিত, ব্যক্তিজীবনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। এর মাধ্যমে আমরা নিজেদের এবং পরিবারের লোকদের সুস্থ রাখতে পারব।

মুহাইমিনুল ইসলাম (শিক্ষার্থী)
পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ, যবিপ্রবি

আমাদের প্রজন্ম বর্তমানে একটা বৈশ্বিক সঙ্কট অতিবাহিত করছে। সারাবিশ্বের সবরকম কার্যক্রম লকডাউনে যখন প্রায় স্থবির, তখন পরিবেশ বিজ্ঞানীদের চোখে পৃথিবীর চিত্র ধরা পড়ছে সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে। লকডাউনে বায়ুদূষণ কমছে হু হু করে, দিনেদিনে ওজনস্তরও তার ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছে। পানিতে দূষণের মাত্রা কমেছে আগের তুলনায় ঢের। এতে লাভটা আসলে কার, এ থেকে আমাদের কী শিক্ষণীয় আছে? আদৌ আমাদের শিক্ষা হবে কি?

এটা বলা যায়, বর্তমান করোনা পরিস্থিতি আমাদের জন্য সৃষ্টিকর্তাপ্রদত্ত একটা সুযোগ। আগের চেয়ে কম বায়ু ও পানিদূষণ করেও আমাদের সব চাহিদা পূরণ হয়ে যাচ্ছে। প্লাস্টিকের বোতল আগে সারাদিনে গড়ে যে হারে পরিবেশে উন্মুক্ত হতো এখন তার তুলনায় অনেক কম হচ্ছে। নদী আর সমুদ্র উপকূলে এখন আর প্লাস্টিক বা পলিথিন ফেলার কেউ নেই। ফলাফলটা কম-বেশি সবারই জানা। তাহলে এই অভ্যাস আর নিয়মগুলো কি এই লকডাউন থেকেই আমরা ধরে রাখতে পারি না? মানসিকতা পরিবর্তনের এটা একটা মোক্ষম সুযোগ। বলা যেতে পারে, এই পরিবর্তনের ধারা অব্যাহত থাকলে বাঁচবে আগামী প্রজন্ম, সঙ্গে দূষণমুক্ত থাকবে পরিবেশ। আমাদের সামান্য সচেতনতা পরিবেশের ওপর কতখানি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে তা একটু চোখ ডলা দিয়ে দেখলেই বোঝা যায়। তাই আজ আপনার-আমার-প্রশাসনের নৈতিক ও মানসিক পরিবর্তনের মাধ্যমে বর্তমানের এই অভিশপ্ত পরিস্থিতি ভবিষ্যত পরিবেশের জন্য হতে পারে আশীর্বাদস্বরূপ।

স্নিগ্ধা ঘোষ (শিক্ষার্থী)
পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ, যবিপ্রবি

প্রকৃতি আজ আগের চেয়ে অনেকটা সবুজ ও সতেজ। আগে কেন এতটা প্রাণোচ্ছল ছিল না! করোনা পরিস্থিতির বদৌলতে চলমান এই বিশ্বব্যাপী লকডাউনে পরিবেশ সুস্থ হয়ে উঠেছে। অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের ওপরের ওজনস্তর পুনরায় আগের মতো সুস্থ অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে বায়ুদূষণ কমে আসার কারণে। জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির মতো বৃহৎ সমস্যার সমাধান সহজতর হয়েছে, কমেছে কার্বন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড নির্গমন। সমুদ্রসীমাগুলোতে কমে এসেছে জাহাজ আর জলযানের আনাগোনা, বেড়েছে মাছ ও সামুদ্রিক পাখিদের সমাগম; দেখা মিলছে অন্যসব জীবের অবাধ বিচরণ। এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে।

মানবজাতি আজ বিপর্যস্ত কিন্তু প্রকৃতি আজ সুস্থ হচ্ছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। তাহলে প্রকৃতির এতদিনের অসুস্থতার জন্য দায়ী আমরা। আমরা প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল, ঋণি; সেই প্রকৃতির কাছে আমরা অসহায়ও। আজ এই খারাপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ার পর প্রকৃতির প্রাণোবন্ততা ধরে রাখার জন্য আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করা এবং প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া দরকার। তা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কিছুই নির্ভেজাল অবশিষ্ট পাবে না।

সজীবুর রহমান, যবিপ্রবি/এমএআর/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১০,০৯,৩২,৮৩৩
আক্রান্ত

২১,৬৯,৭১২
মৃত

৭,২৯,৭৭,১৩২
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৫,৩৩,৪৪৪ ৮,০৭২ ৪,৭৭,৯৩৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২,৬০,১১,২২২ ৪,৩৫,৪৫২ ১,৫৭,৬৭,৪১৩
ভারত ১,০৬,৯০,২৭৯ ১,৫৩,৭৫১ ১,০৩,৫৯,৩০৫
ব্রাজিল ৮৯,৩৬,৫৯০ ২,১৮,৯১৮ ৭৭,৯৮,৬৫৫
রাশিয়া ৩৭,৭৪,৬৭২ ৭১,০৭৬ ৩২,০২,৪৮৩
যুক্তরাজ্য ৩৬,৮৯,৭৪৬ ১,০০,১৬২ ১৬,৬২,৪৮৪
ফ্রান্স ৩০,৭৯,৯৪৩ ৭৪,১০৬ ২,১৯,১৫২
স্পেন ২৭,৩৩,৭২৯ ৫৬,৭৯৯ ১,৯৬,৯৫৮
ইতালি ২৪,৮৫,৯৫৬ ৮৬,৪২২ ১৯,১৭,১১৭
১০ তুরস্ক ২৪,৪২,৩৫০ ২৫,৩৪৪ ২৩,২২,৫১১
১১ জার্মানি ২১,৬৪,৮০৫ ৫৪,৪৯৬ ১৮,৬৬,০০০
১২ কলম্বিয়া ২০,৪১,৩৫২ ৫২,১২৮ ১৮,৬৪,৯০৪
১৩ আর্জেন্টিনা ১৮,৮৫,২১০ ৪৭,২৫৩ ১৬,৭৪,৫৫৫
১৪ মেক্সিকো ১৭,৮৮,৯০৫ ১,৫২,০১৬ ১৩,৪৮,৬৬০
১৫ পোল্যান্ড ১৪,৮৯,৫১২ ৩৬,০৫৪ ১২,৪৬,২৬৭
১৬ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৪,২৩,৫৭৮ ৪১,৭৯৭ ১২,৫৪,৬৭৪
১৭ ইরান ১৩,৯২,৩১৪ ৫৭,৬৫১ ১১,৮৩,৪৬৩
১৮ ইউক্রেন ১২,০০,৮৮৩ ২২,২০২ ৯,৮০,০৮৫
১৯ পেরু ১১,০৭,২৩৯ ৪০,১০৭ ১০,২২,৭৩৬
২০ ইন্দোনেশিয়া ১০,২৪,২৯৮ ২৮,৮৫৫ ৮,৩১,৩৩০
২১ নেদারল্যান্ডস ৯,৫৬,৮৬৭ ১৩,৬৬৫ ২৫০
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,৫৬,১৫৫ ১৫,৭৯১ ৮,৪১,৫১৮
২৩ কানাডা ৭,৫৭,০২২ ১৯,৪০৩ ৬,৭৮,০৬৮
২৪ রোমানিয়া ৭,১৮,৬১২ ১৮,০১৫ ৬,৬২,৪০০
২৫ চিলি ৭,০৬,৫০০ ১৮,০২৩ ৬,৬২,৪৬০
২৬ বেলজিয়াম ৬,৯৬,৬৪২ ২০,৮৭৯ ৪৮,২২৪
২৭ পর্তুগাল ৬,৫৩,৮৭৮ ১১,০১২ ৪,৭৫,৪৮৫
২৮ ইসরায়েল ৬,১৯,১৫০ ৪,৫৩৯ ৫,৩৮,৬৯১
২৯ ইরাক ৬,১৬,২৫৯ ১৩,০১৮ ৫,৮৬,৩২৭
৩০ সুইডেন ৫,৫৬,২৮৯ ১১,২৪৭ ৪,৯৭১
৩১ পাকিস্তান ৫,৩৭,৪৭৭ ১১,৪৫০ ৪,৯২,২০৭
৩২ ফিলিপাইন ৫,১৮,৪০৭ ১০,৪৮১ ৪,৭৫,৬১২
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৫,১৫,৪৮৩ ৯,২০৪ ৩,১৭,৬০০
৩৪ মরক্কো ৪,৬৭,৪৯৩ ৮,১৮৭ ৪,৪৪,৮২৩
৩৫ অস্ট্রিয়া ৪,০৮,৭৮১ ৭,৫৬৪ ৩,৮৬,৩৫১
৩৬ সার্বিয়া ৩,৮৭,২০৬ ৩,৯২৪ ৩১,৫৩৬
৩৭ জাপান ৩,৬৮,১৪৩ ৫,১৫৮ ৩,০১,৫৪০
৩৮ সৌদি আরব ৩,৬৬,৮০৭ ৬,৩৫৯ ৩,৫৮,৩৪০
৩৯ হাঙ্গেরি ৩,৬১,৮৮১ ১২,১৯৮ ২,৪৬,৫৯৬
৪০ জর্ডান ৩,২২,২৪১ ৪,২৪৮ ৩,১০,০০৫
৪১ পানামা ৩,১৩,৮৩৪ ৫,১৩৭ ২,৬৩,৪৯৫
৪২ লেবানন ২,৮৫,৭৫৪ ২,৪৭৭ ১,৬৮,৭৪৯
৪৩ সংযুক্ত আরব আমিরাত ২,৮৫,১৪৭ ৮০৫ ২,৫৯,১৯৪
৪৪ নেপাল ২,৭০,৩৭৫ ২,০২০ ২,৬৫,০৬৯
৪৫ জর্জিয়া ২,৫৫,৫৬৪ ৩,১০৮ ২,৪৫,৫২৭
৪৬ ইকুয়েডর ২,৪২,১৪৬ ১৪,৬৬৮ ২,০৪,০৭১
৪৭ স্লোভাকিয়া ২,৪১,৩৯২ ৪,৩৬১ ২,০২,১৪৮
৪৮ বেলারুশ ২,৪১,১৩৩ ১,৬৭৮ ২,২৭,০৬৮
৪৯ ক্রোয়েশিয়া ২,৩০,৩৫৯ ৪,৯১৩ ২,২২,৩৯৬
৫০ আজারবাইজান ২,২৯,৫৮৪ ৩,১০৫ ২,২১,৭১৭
৫১ বুলগেরিয়া ২,১৬,৪১৬ ৮,৯১৬ ১,৮০,৯৯৫
৫২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,০৬,৩০৫ ২,৫৬৪ ১,৪৯,৮১২
৫৩ বলিভিয়া ২,০৫,২০৮ ১০,১০৫ ১,৫২,৫৫৫
৫৪ তিউনিশিয়া ২,০০,৬৬২ ৬,৩৭০ ১,৪৮,৯৯৫
৫৫ ডেনমার্ক ১,৯৫,৯৪৮ ২,০৩০ ১,৮২,৪২০
৫৬ মালয়েশিয়া ১,৯৪,১১৪ ৭০৭ ১,৫১,০১৮
৫৭ কোস্টারিকা ১,৯১,৩৪৫ ২,৫৬৭ ১,৪৯,৮০৮
৫৮ আয়ারল্যান্ড ১,৮৯,৮৫১ ৩,০৬৬ ২৩,৩৬৪
৫৯ কাজাখস্তান ১,৮১,১১৭ ২,৪৭৬ ১,৬৩,১৫৬
৬০ লিথুনিয়া ১,৭৯,২১২ ২,৭১৬ ১,২৩,৫৬২
৬১ আর্মেনিয়া ১,৬৬,৪২৭ ৩,০৫৬ ১,৫৬,০৫৩
৬২ মিসর ১,৬৩,১২৯ ৯,০৬৭ ১,২৭,৪৩৩
৬৩ কুয়েত ১,৬২,২৮২ ৯৫৭ ১,৫৫,৩০৩
৬৪ স্লোভেনিয়া ১,৬১,৬৬২ ৩,৪২৫ ১,৪০,৩৫৩
৬৫ ফিলিস্তিন ১,৫৬,৯৯৬ ১,৮০৮ ১,৪৬,৯৩৪
৬৬ মলদোভা ১,৫৬,৯৭২ ৩,৩৮১ ১,৪৭,৩৮০
৬৭ গুয়াতেমালা ১,৫৫,৪৫৯ ৫,৪৮৬ ১,৪০,৩০৮
৬৮ গ্রীস ১,৫৩,২২৬ ৫,৬৯২ ১,৪১,৬১২
৬৯ কাতার ১,৪৯,৫৯৫ ২৪৮ ১,৪৫,১২৪
৭০ হন্ডুরাস ১,৪২,৮৮০ ৩,৪৮৬ ৬০,৫৯৭
৭১ মায়ানমার ১,৩৮,৩৬৮ ৩,০৮২ ১,২২,৭৮১
৭২ ইথিওপিয়া ১,৩৪,৫৬৯ ২,০৭৫ ১,২০,৭৪৮
৭৩ ওমান ১,৩৩,৫৭৪ ১,৫২৫ ১,২৬,৪৮৬
৭৪ প্যারাগুয়ে ১,২৯,৩৯৪ ২,৬৫১ ১,০৪,৫৭০
৭৫ ভেনেজুয়েলা ১,২৪,৫২৫ ১,১৫৯ ১,১৬,৭৮৫
৭৬ নাইজেরিয়া ১,২৪,২৯৯ ১,৫২২ ৯৯,২৭৬
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১,২০,৫৩২ ৪,৬২১ ৯৩,৩৩২
৭৮ লিবিয়া ১,১৬,০৬৪ ১,৮০২ ৯৫,৪০৬
৭৯ আলজেরিয়া ১,০৬,০৯৭ ২,৮৭১ ৭২,৩৩৬
৮০ বাহরাইন ১,০০,৬৮৯ ৩৭০ ৯৭,০০৬
৮১ কেনিয়া ১,০০,৩২৩ ১,৭৫১ ৮৩,৬৯১
৮২ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৯১,১৬১ ২,৮১২ ৭৯,৬২১
৮৩ চীন ৮৯,২৭২ ৪,৬৩৬ ৮২,৭৭৪
৮৪ কিরগিজস্তান ৮৪,১৭৫ ১,৪৯৮ ৮০,৩৩০
৮৫ উজবেকিস্তান ৭৮,৫১০ ৬২১ ৭৬,৯৯৭
৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া ৭৬,৪২৯ ১,৩৭৮ ৬৫,৪৭৮
৮৭ আলবেনিয়া ৭৩,৬৯১ ১,৩৩২ ৪৪,৮৮০
৮৮ লাটভিয়া ৬৩,০২৭ ১,১৩৮ ৫১,১২৩
৮৯ ঘানা ৬২,৭৫১ ৩৭৭ ৫৮,৫৬১
৯০ নরওয়ে ৬১,৫৯৪ ৫৫০ ৫৩,২৯৯
৯১ শ্রীলংকা ৫৯,৯২২ ২৮৮ ৫২,৫৬৬
৯২ সিঙ্গাপুর ৫৯,৩৯১ ২৯ ৫৯,০৮৬
৯৩ মন্টিনিগ্রো ৫৯,২৬২ ৭৭৭ ৫০,৭৫৪
৯৪ আফগানিস্তান ৫৪,৮৯১ ২,৩৯৭ ৪৭,৫৪৯
৯৫ এল সালভাদর ৫৩,৯৮৯ ১,৫৮৯ ৪৭,৬৪৩
৯৬ লুক্সেমবার্গ ৪৯,৮৫২ ৫৭০ ৪৭,১৪৭
৯৭ জাম্বিয়া ৪৮,৯১১ ৬৮৮ ৪১,২৮২
৯৮ ফিনল্যাণ্ড ৪৩,৬১৬ ৬৫৫ ৩১,০০০
৯৯ এস্তোনিয়া ৪১,৯৬৬ ৩৯৮ ৩১,৬৯৫
১০০ উগান্ডা ৩৯,২৬১ ৩১৮ ১৪,০৫১
১০১ উরুগুয়ে ৩৮,৬৮০ ৪০১ ৩০,৮৬১
১০২ মোজাম্বিক ৩৪,০৫৫ ৩৬৩ ২১,৩৪৩
১০৩ নামিবিয়া ৩২,৯৫৭ ৩২৮ ৩০,৪৩২
১০৪ জিম্বাবুয়ে ৩২,০০৪ ১,১০৩ ২৩,৪১৩
১০৫ সাইপ্রাস ৩০,২৫২ ১৯০ ২,০৫৭
১০৬ ক্যামেরুন ২৯,৬১৭ ৪৬২ ২৮,০৪৫
১০৭ অস্ট্রেলিয়া ২৮,৭৮৫ ৯০৯ ২৬,০১৯
১০৮ আইভরি কোস্ট ২৭,২৩৭ ১৪৭ ২৫,১৯৬
১০৯ সুদান ২৬,৫৯৬ ১,৭৫০ ২০,৬৮০
১১০ সেনেগাল ২৫,৪০৭ ৬০১ ২১,১২৫
১১১ কিউবা ২২,৬১৪ ২০০ ১৭,৭০৩
১১২ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২২,০৪৮ ৬৬১ ১৪,৯৬৮
১১৩ মালাউই ২০,৮৩০ ৫৪০ ৭,০০৫
১১৪ বতসোয়ানা ২০,৬৫৮ ১২৪ ১৬,৭৯৪
১১৫ অ্যাঙ্গোলা ১৯,৫৫৩ ৪৬২ ১৭,৩৮৮
১১৬ মাদাগাস্কার ১৮,৭৪৩ ২৭৯ ১৭,৯৩০
১১৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৭,৯৬১ ১৩১ ৪,৮৪২
১১৮ মালটা ১৭,১৯২ ২৫৮ ১৪,২৫২
১১৯ মৌরিতানিয়া ১৬,৪৬০ ৪১৮ ১৫,৩৯১
১২০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১৫,৭৭৯ ৭৬ ৯,৯৯৫
১২১ থাইল্যান্ড ১৫,৪৬৫ ৭৬ ১১,০৫৪
১২২ মালদ্বীপ ১৫,২৪৭ ৫১ ১৩,৯১৬
১২৩ জ্যামাইকা ১৫,১৫৩ ৩৩৯ ১১,৯১১
১২৪ ইসওয়াতিনি ১৪,৮৩০ ৫১৭ ৯,৫৪২
১২৫ গিনি ১৪,৪১৭ ৮২ ১৩,৮৬৯
১২৬ রুয়ান্ডা ১৩,৮৮৫ ১৮১ ৮,৮৬১
১২৭ সিরিয়া ১৩,৭৬২ ৮৯৫ ৭,১৮৫
১২৮ কেপ ভার্দে ১৩,৬১৯ ১২৯ ১২,৮৪১
১২৯ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৩০ বেলিজ ১১,৭৮৮ ২৯৩ ১১,১৮৭
১৩১ হাইতি ১১,৩৩১ ২৪৩ ৯,০১০
১৩২ গ্যাবন ১০,৪১১ ৬৭ ১০,০১৩
১৩৩ হংকং ১০,২৮৩ ১৭৫ ৯,১৬২
১৩৪ বুর্কিনা ফাঁসো ১০,১৫৭ ১১৮ ৮,৪৭২
১৩৫ রিইউনিয়ন ৯,৮৪৩ ৪৫ ৯,২৬১
১৩৬ এনডোরা ৯,৬৩৮ ৯৭ ৮,৭৭৪
১৩৭ গুয়াদেলৌপ ৯,০৯৭ ১৫৪ ২,২৪২
১৩৮ সুরিনাম ৮,১৭৪ ১৫০ ৭,৩৭৭
১৩৯ বাহামা ৮,১৪০ ১৭৫ ৬,৭৪৬
১৪০ লেসোথো ৮,০৪৭ ১৪৬ ২,৩৯৮
১৪১ মালি ৮,০০৬ ৩২৭ ৫,৭৩১
১৪২ কঙ্গো ৭,৮৮৭ ১১৭ ৫,৮৪৬
১৪৩ মায়োত্তে ৭,৫৯০ ৫৯ ২,৯৬৪
১৪৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭,৪৯৬ ১৩৪ ৭,০৫৮
১৪৫ গায়ানা ৭,৩৪৬ ১৭২ ৬,৪৫৫
১৪৬ আরুবা ৬,৭৬৮ ৫৭ ৬,৩৪৯
১৪৭ মার্টিনিক ৬,৪০২ ৪৫ ৯৮
১৪৮ নিকারাগুয়া ৬,২৫৩ ১৬৯ ৪,২২৫
১৪৯ আইসল্যান্ড ৬,০০০ ২৯ ৫,৯১৫
১৫০ জিবুতি ৫,৯২৩ ৬২ ৫,৮৪১
১৫১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,৪৫৪ ৮৬ ৫,২১৯
১৫২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯৮০ ৬৩ ৪,৮৮৫
১৫৩ সোমালিয়া ৪,৭৫৪ ১৩০ ৩,৬৬৬
১৫৪ টোগো ৪,৬৮২ ৭৬ ৪,০০৫
১৫৫ কিউরাসাও ৪,৫৫৮ ২০ ৪,৪৪২
১৫৬ নাইজার ৪,৪০৭ ১৫৩ ৩,৫৪৪
১৫৭ জিব্রাল্টার ৪,০২৪ ৬৯ ৩,৪০১
১৫৮ গাম্বিয়া ৪,০১২ ১২৮ ৩,৭৫৩
১৫৯ দক্ষিণ সুদান ৩,৭৮৮ ৬৪ ৩,৫৪২
১৬০ বেনিন ৩,৬৪৩ ৪৮ ৩,৩১৭
১৬১ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩,৪৯৯ ৭৯ ৩,২২৭
১৬২ চাদ ৩,২২৫ ১১৬ ২,৩১৬
১৬৩ সিয়েরা লিওন ৩,১৯৪ ৭৭ ২,২৩২
১৬৪ সান ম্যারিনো ২,৯১৫ ৬৫ ২,৬৬০
১৬৫ গিনি বিসাউ ২,৫৩২ ৪৫ ২,৪২১
১৬৬ লিচেনস্টেইন ২,৪৫৮ ৫২ ২,৩২৮
১৬৭ ইয়েমেন ২,৪৩৬ ৬৬০ ১,৫৮০
১৬৮ কমোরস ২,৪২৫ ৭৭ ১,৪৪১
১৬৯ নিউজিল্যান্ড ২,২৯৫ ২৫ ২,২০১
১৭০ ইরিত্রিয়া ১,৯৭০ ১,৫৩০
১৭১ লাইবেরিয়া ১,৯৩২ ৮৪ ১,৭৩৩
১৭২ সিন্ট মার্টেন ১,৭৬৭ ২৭ ১,৬১১
১৭৩ মঙ্গোলিয়া ১,৬৬৭ ১,২৩৬
১৭৪ ভিয়েতনাম ১,৫৫১ ৩৫ ১,৪৩০
১৭৫ বুরুন্ডি ১,৪৮১ ৭৭৩
১৭৬ বার্বাডোস ১,৪২৭ ১০ ১,০৫৭
১৭৭ মোনাকো ১,৩৯৯ ১,১৬০
১৭৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১,৩১২ ১,০২০
১৭৯ সেন্ট মার্টিন ১,১৪৬ ১২ ১,০০৬
১৮০ সিসিলি ১,১১৬ ৭৫৪
১৮১ সেন্ট লুসিয়া ৯৬৯ ১৩ ৪৯৩
১৮২ তাইওয়ান ৮৯৩ ৮০৩
১৮৩ ভুটান ৮৫৬ ৭৬৪
১৮৪ পাপুয়া নিউ গিনি ৮৫১ ৮১২
১৮৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৭৯৮ ১৬৫
১৮৬ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৮৭ বারমুডা ৬৮৮ ১২ ৬৪৬
১৮৮ ফারে আইল্যান্ড ৬৫৪ ৬৪৫
১৮৯ মরিশাস ৫৬৮ ১০ ৫২৫
১৯০ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯১ কম্বোডিয়া ৪৬০ ৪১২
১৯২ আইল অফ ম্যান ৪৩২ ২৫ ৪৫১
১৯৩ কেম্যান আইল্যান্ড ৩৮৩ ৩৪৬
১৯৪ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৩৬০ ২৪৪
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৩০০ ২০৪
১৯৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২০১ ১৭০
১৯৭ ব্রুনাই ১৭৬ ১৬৯
১৯৮ গ্রেনাডা ১৪৮ ১৩৫
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ১১৪ ৯৫
২০০ ডোমিনিকা ১১৩ ১০৫
২০১ পূর্ব তিমুর ৬৭ ৫০
২০২ ফিজি ৫৫ ৫৩
২০৩ ম্যাকাও ৪৭ ৪৬
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৪৪ ৪৩
২০৫ লাওস ৪৪ ৪১
২০৬ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৪১ ৩৪
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৩৭ ৩৫
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ৩০ ৩০
২০৯ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১০ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৩ ১৬
২১১ সলোমান আইল্যান্ড ১৭ ১০
২১২ এ্যাঙ্গুইলা ১৬ ১৫
২১৩ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৪ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৫ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]