ইবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি একাংশের প্রত্যাখ্যান

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৮:৪৮ এএম, ১৮ জুন ২০২১

কেন্দ্র ঘোষিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছে পদ বঞ্চিতদের একাংশ। দলীয় নীতিমালা না মেনে বিবাহিত, অছাত্রদের পদ দেয়ার অভিযোগ তুলে এ কমিটি প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

এছাড়াও কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি দিতে কেন্দ্রকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা। অন্যথায় কেন্দ্র ঘোষিত এ কমিটি থেকে গণ পদত্যাগ করে কমিটিকে প্রতিহত করার হুমকি দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) বিকেলে ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলন করে পদ বঞ্চিত নেতারা এ ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে কমিটিতে যুগ্ম আহবায়ক পদ পাওয়া ছাত্রদল নেতা আনোয়ার পারভেজ লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এ সময় কমিটি প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেয়া অন্য নেতারা তার সঙ্গে ছিলেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৬ জুন) সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাহেদ আহম্মেদকে আহবায়ক এবং ইংরেজি বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের মাসুদ রুমী মিথুনকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্যের কমিটি দেয়া হয়। এছাড়া ১৬ জনকে যুগ্ম আহবায়ক ও ১৩ জনকে সদস্য পদ দেয়া হয়। কমিটি ঘোষণার পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসন্তোষ প্রকাশ করেন একাংশের নেতাকর্মীরা। সংবাদ সম্মেলন করে পদ পাওয়া ১২ জন সদস্য কমিটি প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন।

এসময় পদ পাওয়া যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ অভিযোগ করে বলেন, দলের ত্যাগী নেতাদের যথার্থ মূল্যায়ন না করে অছাত্র, বিবাহিতদের কমিটির শীর্ষ পদ দেয়া হয়েছে। আহবায়ক পদ পাওয়া সাহেদ আহম্মেদ ২০০৮ সালে তার এক বান্ধবীকে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়। এ ছাড়া সংগঠনের নীতিমালা অনুযায়ী বিবাহিতদের কোনো পদ পাওয়ার সুযোগ না থাকলেও সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুন বিবাহিত হলেও তাকে পদ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এই বিতর্কদের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব করে কমিটি দিয়ে ছাত্রদলের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন যারা সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে তাদের বাদ দিয়ে অচেনা-অজানা অনেককে পদ দেয়া হয়েছে। আমরা এ কমিটি মানি না। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এ কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি না দিলে আমরা এক সঙ্গে সবাই পদত্যাগ করব।

অভিযোগের বিষয়ে আহবায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, বান্ধবী সম্পর্কিত ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আর আমি ২০১০ সালের কমিটিতেও পদ পেয়েছিলাম। কেন্দ্র খোঁজ-খবর নিয়েই কমিটি দিয়েছে। আর সদস্য-সচিবের বিয়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন। অভিযোগ সত্য হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রায়হান মাহবুব/আরএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]