শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় মুখর কসবা
আগামী ২৫ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুরো কসবা উপজেলায় এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। পৌর এলাকার রাজপথ, পাড়া-মহল্লার অলি-গলি সবখানেই শোভা পাচ্ছে প্রার্থীদের পোস্টার। নির্বাচনের আর মাত্র দুইদিন বাকি। আর তাই এখন চলছে প্রার্থীদের শেষ মুহূর্তের প্রচারণা।
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড খরতাপ উপেক্ষা করেই প্রার্থীরা দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় পিছিয়ে নেই সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর প্রার্থীরাও। তারা বিরামহীনভাবে ছুটছেন ভোটারদের কাছে। পৌরবাসীর উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারাও ভোট চাইছেন।
নির্বাচনে মেয়র পদে তিনজন, সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সির পদে ২৮ জন ও নারী কাউন্সিলর পদে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী এমরান উদ্দিন জুয়েল জাগো নিউজকে বলেন, আগামী ২৫ তারিখের নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। বিজয়ী হওয়ার পর সকলের সহযোগিতা নিয়ে কসবা পৌরসভাকে একটি আধুনিক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবেন।
তবে প্রচারণা চালানোর সময় দলীয় নেতাকর্মীদের নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ করে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী মো. ইলিয়াছ মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই আমার পক্ষে প্রচারণা চালাতে গেলে দলীয় নেতাকর্মীদের নানাভাবে পুলিশ হয়রানি করছে। কোনো ধরনের মামলা ছাড়াই পুলিশ আমার বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে গ্রেফতার করেছে।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থীর লোকজন ভোটারদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন তারা যেন ভোটকেন্দ্রে না যেতে পারেন। তাই ভোটাররা এখন আতঙ্কিত। তবে ভোটাররা যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে পারেন তাহলে আমি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবো এবং কসবা পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলবো।
উল্লেখ্য, কসবা পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা ২৫ হাজার ৮৭১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ হাজার ৮৫৩ ও নারী ভোটার ১৩ হাজার ১৮ জন। ৯টি ওয়ার্ডের মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১০টি।
আজিজুল আলম সঞ্চয়/এসএস/আরআইপি