ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে চাল চুরির অভিযোগ


প্রকাশিত: ০৫:৪৬ এএম, ২১ জুন ২০১৬

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম মিজানুর রহমান ও সচিব আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে জেলে কার্ডের চাল চুরির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাজার থেকে ৩০ বস্তা চাল আটক করেছে ইউএনও। সোমবার এ চুরির ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, প্রতি বছর চার মাসে ৪ বার মৎস জেলেদের জেলে স্মাট কার্ডের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৫২ জনের মধ্যে ৪০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। গোসাইরহাট উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ, তদারকি বিআরডিবি কর্মকর্তা নাইমা খানম, কোদালপুর ইউনিয়ন পরিষদ সচিব আনিছুর রহমান ও কোদালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এসএম মিজানুর রহমানের মাধ্যমে এ চাল বিতরণ করা হয়।

গত ১৬, ১৭ ও ১৮ জুন ৮৩০ জনের মধ্যে ৪০ কেজি চাল বিতরণের কথা থাকলেও বিতরণ হয়েছে ৭২৫ জনের মধ্যে। সেটাও আবার ২০ কেজি করে। বাকি চাল কোদালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সচিব জেলেদের না দিয়ে কোদালপুর বাজারে সিরাজ সরদারের গোডাউনে রেখে বিক্রির পায়তারা করছিলেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসে ৩০ বস্তা চাল আটক করেন।

স্থানয়িরা জানান,  কোদালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম মিজানুর রহমান ও সচিব আনিছুর রহমান মিলে জেলেদের চাল চুরি করে কোদালপুর বাজারে সিরাজ সরদারের গোডাউনে রাখেন। আমরা বিষয়টি টের পেয়ে গোসাইরহাটে ইউএনওকে জানাই। ইউএনও এসে ওই ৩০ বস্তা চাল আটক করেন।

গোসাইরহাট উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ ও তদারকি নাইমা খানম জানান, ১৬, ১৭ ও ১৮ জুন আমরা নিজেরা উপস্থিত থেকে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করেছি। কিন্তু এ চাল গোডউনে কোথা থেকে আসলো সেটা জানি না।

এ ব্যাপারে কোদালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এসএম মিজানুর রহমানরে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সগীর হোসেন বলেন, আমি চাল চুরির ঘটনাটি শুনে সঙ্গে সঙ্গে কোদালপুর বাজারে যাই। কোদালপুর বাজারে সিরাজ সরদারের গোডাউনে ৩০ বস্তা চাল আটক করি। তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ছগির হোসেন/এফএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।