নাটোরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত কলেজছাত্রের মৃত্যু
জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে নাটোর শহরতলীর তেবাড়িয়া এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় মিঠু হোসেন (১৮) নামের এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজশাহীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত মিঠু হোসেন তেবাড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার আব্দুস ছামাদের ছেলে। এ ঘটনায় নাটোর সদর থানায় ছয়জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, পুকুরের মালিকানার বিরোধের জের ধরে গত মঙ্গলবার (২১ জুন) দুপুরে তেবাড়িয়া মধ্যপাড়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় মিঠু হোসেন (১৮) আব্দুস ছামাদ (৫৫) ও মরিয়ম বেগম (৪৫) আহত হন। প্রথমে তাদের নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মিঠুকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে ওইদিনই তাকে রাজশাহীর আমানা হাসপাতালে ভর্তি করে মাথায় অস্রোপচার করা হয়। তখন থেকে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা (আইসিইউ) কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। অবশেষে রোববার রাতে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
সোমবার সকালে তার মরদেহ নাটোরে নিয়ে আসা হয়। সকাল ৯টায় ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
আহত আব্দুস ছামাদ আমানা হাসপাতালের চিকিৎসক মমতাজুল হকের বরাত দিয়ে জানান, প্রতিপক্ষের রডের আঘাতে মিঠুর মাথার অভ্যন্তরে রক্তক্ষরণ হওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও জানান, তার ছেলে মিঠু টিএমএসএস কলেজে দ্বাদশ বর্ষে পড়ালেখা করতো। ঘটনার আগে থেকে প্রতিপক্ষরা তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল।
এ ঘটনায় আব্দুস ছামাদ বাদী হয়ে রোববার রাতে সদর থানায় প্রতিপক্ষ শিমুল হোসেন, সোহাগ আলী ও লিখন আলীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তবে পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, আসামিরা ঘটনার পর থেকে পলাতক।
রেজাউল করিম রেজা/ এমএএস/পিআর