তারেক রহমানের আগমন ঘিরে বগুড়ায় সাজ সাজ রব
বগুড়ার রাজনীতির মাঠ থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকান—সবখানেই এখন একই আলোচনা। দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে অবশেষে নিজের জেলা বগুড়ায় আসছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী ১১ জানুয়ারি তার এই সফরকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে ব্যাপক উদ্দীপনা ও সাজ সাজ রব তৈরি হয়েছে। নেতাকর্মীদের ভাষ্য, ঘরের ছেলে ঘরে ফিরছে। এটিই এখন বগুড়ার সবচেয়ে বড় খবর।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১১ জানুয়ারি বগুড়ায় পৌঁছে রাতযাপন করবেন তারেক রহমান। পরদিন সকালে তিনি বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও তার মা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত এক গণদোয়ায় অংশ নেবেন।

২০০৭ সালে দেশ ছাড়ার পর রাজনৈতিক ও আইনি নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এটিই হবে তারেক রহমানের প্রথম বগুড়া সফর।
তারেক রহমানের আগমন ঘিরে শহরের নবাববাড়ি সড়কে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়কে নতুন করে সাজানো হচ্ছে। দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে কার্যত অব্যবহৃত থাকা তার রাজনৈতিক কক্ষটিও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে। দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন, বগুড়া থেকেই তিনি আবারও উত্তরাঞ্চলের রাজনীতির হাল ধরবেন।
আরও পড়ুন:
দুই দশক পর বগুড়া যাচ্ছেন তারেক রহমান
দুয়েকদিনের মধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান হচ্ছেন তারেক রহমান

বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেন, ‘বগুড়ার মানুষ তাদের প্রিয় নেতাকে বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। ঘরের ছেলেকে স্বাগত জানাতে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। এটি কেবল একটি রাজনৈতিক সফর নয়, বগুড়াবাসীর জন্য এটি এক আবেগঘন মুহূর্ত।’
জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমান দেশে ফিরেছেন। দেশনেত্রীর প্রয়াণে আমরা শোকাহত, কিন্তু তারেক রহমানের ফিরে আসা আমাদের নতুন শক্তি দিচ্ছে। তিনি ধ্বংসের কিনারা থেকে দেশকে তুলে আবারও উন্নয়নের জোয়ার আনবেন বলে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে।’

তারেক রহমানের সফর ঘিরে শুধু বিএনপি নয়, এর অঙ্গ-সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের মাঝেও নতুন করে প্রাণের সঞ্চার হয়েছে।
বগুড়ার সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই সফর নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল দেখা দিয়েছে। দীর্ঘসময় পর প্রিয় নেতার সরাসরি উপস্থিতি দেখতে ওইদিন কয়েক লাখ মানুষের জমায়েত হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় নেতারা।
এসআর/এমএস