রংপুরে রেকটিফাইড স্পিরিট পানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫
রংপুরের বদরগঞ্জে রেকটিফাইড স্পিরিট পান করে মৃত্যুর সংখ্যা পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে শ্যামপুর বাজার এলাকার রাশেদুল ইসলাম নামে একজন মারা যান। এর আগে সকালে মারা যান মানিক চন্দ্র রায় (৬০)।
তারা দুজন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মানিক চন্দ্র রংপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানার শিবের বাজার পশ্চিম হিন্দুপাড়ার মৃত অনিল চন্দ্র রায়ের ছেলে।
এর আগে বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের পূর্ব শিবপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সোহেল (৩০) এবং ওই ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন (৪০) এবং সদর উপজেলার শ্যামপুর শাহ পাড়ার জেনতার আলী (৪১) নিজ বাড়িতে মারা যান।
স্থানীয়রা জানান, রোববার (১১ জানুয়ারি) কিশামত বসন্তপুর নয়া পাড়া গ্রামের আনারুল ইসলামের ছেলে জয়নুল আবেদিনের (৪৬) কাছ থেকে রেকটিফাইড স্পিরিট কিনে এনে তারা পান করেন। পরে রাতে নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে সোহেল, আলমগীর ও জেনতার আলী মারা যান। এরপর মঙ্গলবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মানিক চন্দ্র রায় ও রাশেদুল।
বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার জানান, রেকটিফাইড স্পিরিট পান করে বদরগঞ্জ উপজেলার আরও দুজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় স্পিরিট বিক্রেতা জয়নুল আবেদিনকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রংপুর সদর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর গফুর জানান, রাশেদুলের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
জিতু কবীর/এফএ/এএসএম