ওসমানী হাসপাতাল

৩৮ ঘণ্টা পর ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সিলেট
প্রকাশিত: ০৩:৩৭ পিএম, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

আট দফা দাবি মেনে নেওয়ায় প্রায় ৩৮ ঘণ্টা পর কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন (শিক্ষানবিশ) চিকিৎসকরা। তবে আট দফা দাবির মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে আনসার সদস্য মোতায়েনের বিষয়টি বাস্তবায়ন দেখে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে কাজে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে দাবি পুরণের আশ্বাস পাওয়ায় কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

এরআগে শুক্রবার রাতে হাসপাতালে সেবা নিতে আসা এক রোগীর স্বজনদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাত থেকেই কর্মবিরতি শুরু করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

পরদিন শনিবার প্রশাসনের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে সমঝোতা না হওয়ায় কর্মবিরতি প্রত্যাহার না করার ঘোষণা দেন চিকিৎসকরা। এসময় তারা আট দফা দাবি জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাসপাতালের রোগীরা।

রোববার দুপুরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের নিয়ে ফের বৈঠকে বসেন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনিরসহ হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে আনসারদের হাসপাতালের জায়গায় ডিউটি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন মেডিকেল পরিচালক৷ পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আট দফা দাবি মেনে নেওয়ায় কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে আমরা কর্মবিরতি শুরু করেছিলাম। কর্তৃপক্ষ আমাদের দাবি পূরণে আশ্বাস দেওয়ায় কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। তবে মানসিক প্রস্তুতির বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা সোমবার সকাল ৮ টা থেকে কাজে যোগ দেবো।

ওসমানী মেডিকেল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎকরা আমাদের দাবি মেনে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নিয়েছে। আমরাও তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবো। ইতোমধ্যে হাসপাতালের বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় সার্বক্ষণিক আনসার মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আহমেদ জামিল/এনএইচআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।