৬ মাসেও সন্ধান মেলেনি মাদরাসাছাত্র রাফির
নিখোঁজের ছয় মাসেও নেত্রকোনার মাদরাসাছাত্র আব্দুল্লাহ আল-রাফির (১৩) সন্ধান মেলেনি। পরিবারের একমাত্র ছেলে সন্তান নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই দিশেহারা মা-বাবা।
গাজীপুরের শিমুলতলী ডিজেল প্লান্টে কর্মরত সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট আব্দুল সাত্তারের ছেলে রাফি। তিনি নেত্রকোনা শহরের পূর্বকাটলী এলাকার বাসিন্দা। মা ঝর্না আক্তার গৃহিণী।
রাফির পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাফি শহরের কুড়পাড় এলাকায় ভূঁইয়া বাড়ি হাফিজিয়া মাদরাসায় পড়তো। মাদরাসার ছাত্রাবাসেই থাকতো রাফি। ২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর রোববার সন্ধ্যায় বাড়িতে এসে পরদিন সোমবার সকাল ১০টার দিকে মাদরাসা যাওয়ার কথা বলে ঘর থেকে বের হয় রাফি। এরপর থেকে তাকে আর কোথাও খোঁজে পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজের শারীরিক গঠন ও সার্বিক বর্ণনা দিয়ে শিশুটির বাবা সেনা কর্মকর্তা আব্দুল সাত্তার জানান, রাফির উচ্চতা আনুমানিক সাড়ে চার ফুট, মুখমণ্ডল গোলাকার। ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তার পরনে একটি সাদা পাঞ্জাবি ও পায়জামা ছিল। এ ঘটনায় নেত্রকোনা মডেল থানায় নিখোঁজের পর দিন একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নেত্রকোনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান প্রামাণিক জাগো নিউজকে জানান, জেলায় এ পর্যন্ত সাতজন নিখোঁজ ছিল। তাদের মধ্যে ছয়জনকে সন্ধানের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে রাফি নিখোঁজ রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে তাকে খোঁজা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জেলায় পুলিশের কাছে তার তথ্যও পাঠানো হয়েছে।
কামাল হোসাইন/এএম/এআরএ/এবিএস