অভিযানের আগেই সরিয়ে ফেলা হলো সাঙ্গু নদী থেকে লুট করা পাথর
বান্দরবানের থানচি তিন্দু সাঙ্গু নদী থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করা পাথর প্রশাসনের অভিযানের আগেই সরিয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে।
স্থানীয়রা জানায়, তিন্দু উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন, তিন্দু বৌদ্ধ বিহার ও তিন্দু বাজারের বাজার সেট নির্মাণ কাজে ব্যবহার করতে ওই এলাকার সাঙ্গু নদী থেকে পাথর উত্তোলন করে তা সরবরাহ করছিলেন স্থানীয় যুবলীগ নেতা শৈবাচিং মারমা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১০ মার্চ ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে থানচি উপজেলা প্রশাসন। তবে অভিযানের আগের দিন ৯ মার্চ রাতেই পাথর থেকে প্রস্তুত করা খোয়াগুলো সরিয়ে ফেলেছে পাচারকারীরা। যা ৫টি ট্রাকে করে তিন্দু বাজার হতে দুই কিলোমিটার দূরত্বে ডিম পাহাড়-তিন্দু সড়কের আপ্রুমং চেয়ারম্যানের খামারের পাশে মজুত রাখা হয়েছে। পাথর লুট ও পাথরখেকোদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায় স্থানীয়রা।
এর আগে ‘সাঙ্গু নদী থেকে পাথর লুটের অভিযোগ’ শিরোনামে ৮ মার্চ জাগো নিউজে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এছাড়া আরও বেশকিছু গণমাধ্যমে পাথর লুট নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
এদিকে অভিযুক্ত শৈবাচিং মারমার মুঠোফোনে কল দেওয়া হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল বলেন, অভিযানে গিয়ে লুটের উদ্দেশে যে পাথরগুলো স্তূপ করে রাখা হয়েছিল সেগুলো পুনরায় নদীতে ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে সেখানে পাথরের খোয়া পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, অভিযানের আগের রাতে পাথরের খোয়া সরিয়ে নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলো জব্দের জন্য আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
নয়ন চক্রবর্তী/এনএইচআর/এমএস