বান্দরবান

সাঙ্গু নদী থেকে পাথর লুটের অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বান্দরবান
প্রকাশিত: ০৭:২২ পিএম, ০৮ মার্চ ২০২৬

বান্দরবানের থানচির সাঙ্গু নদী থেকে পাথর লুটের অভিযোগ উঠেছে। লুট করা এসব পাথর দিয়ে তিন্দু উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন, তিন্দু বৌদ্ধ বিহার ও তিন্দু বাজারের বাজার সেট নির্মাণ কাজে ব্যবহার করছে ঠিকাদার।

স্থানীয়রা জানায়, দেশের অন্যতম পাথরের রাজ্য নামে খ্যাত জনপ্রিয় পর্যটন স্পট থানচির তিন্দু এলাকা। এলাকাটি মূলত বিশাল আকারের পাথরের জন্য প্রসিদ্ধ। প্রাকৃতিক এ পাথরগুলোর সৌন্দর্য বিমোহিত করে আগত পর্যটকদের। যার কারণে জেলার সবচেয়ে পর্যটকের আগমন ঘটে এ পর্যটন কেন্দ্রটিতে। এসব পাথর উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পর্যটন স্পটটি ধ্বংসের পাশাপাশি সাঙ্গু নদীটি বিলুপ্তির সম্মুখীন হবে।

তারা জানান, নদীর জল শুকিয়ে যাওয়ায় অনাদিকাল থেকে ধীরে ধীরে বেড়ে উঠা পাথর দৃশ্যমান হয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় যুবলীগ নেতা শৈবাচিং মারমা এসব বিশাল আকারের পাথর উঠিয়ে রাতে আঁধারে বারুদের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছে।

সাঙ্গু নদী থেকে পাথর লুটের অভিযোগ

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নের তিন্দু গ্রোপিং পাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন অপর উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান থেকে বৌদ্ধ বিহারের একতলা ভবন ও বাজার সেট নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হলেও সম্প্রতি কাজ শুরু করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।

এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে ঠিকাদার মেহেদি ও জাফর উল্লাহ এসবে সম্পৃক্ত নন বলে জানান। অপর দিকে রেমাক্রী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমা রনির নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

অভিযুক্ত সরবরাহকারী শৈবাচিং মারমার মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে তিনি জুমে গেছেন বলে জানান তার পরিবারের সদস্যরা।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি বলেন, সাঙ্গু নদী থেকে পাথর উত্তোলনের বিষয়টি জানা ছিল না। তবে সত্যতা যাচায় করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নয়ন চক্রবর্তী/আরএইচ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।