ফাজিল মাদরাসার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি রাজশাহী
প্রকাশিত: ০৫:৩৬ পিএম, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহীর পবার নওহাটা সালেহিয়া দারুস সুন্নাত ফাজিল মাদরাসায় কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় মাদরাসার সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

এসময় তারা অভিযোগ করেন, মাদরাসার কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ইসমাইল হোসেনের মেয়ে ফৌজিয়া শাবনুরকে এবং ল্যাব সহকারী পদে মরিয়ম খাতুনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি লোকচক্ষুর আড়ালে এবং সম্পূর্ণ গোপনে সম্পন্ন করা হয়েছে। ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা জানান, এর আগে অনুষ্ঠিত একটি নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে তাদের ব্যাংক ড্রাফট ফেরত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে গোপনে এই নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়।

মানববন্ধনে তারা তিনটি দাবি জানান। দাবিগুলো হলো- অবিলম্বে এই অবৈধ নিয়োগ বাতিল করতে হবে; অভিযুক্ত অধ্যক্ষ আলতাফ উদ্দীনকে অপসারণ করতে হবে এবং বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিতে হবে।

এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্য দিয়েছেন খোদ নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি মশিউর রহমান। তিনি দাবি করেছেন, এই নিয়োগের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এমনকি নিয়োগসংক্রান্ত কোনো নথিতে তিনি স্বাক্ষরও করেননি বলে জানিয়েছেন। তার এই বক্তব্যে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে আরও বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তবে নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অনিয়ম ও ঘুষের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন মাদরাসার অধ্যক্ষ আলতাফ উদ্দীন। তিনি বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি, বরং সম্পূর্ণ নিয়ম-নীতি মেনে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতেই ওই দুজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষাবোর্ড এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

এমওএইচএম/কেএইচকে/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।