ইম্পেরিয়াল সম্মাননা পেলেন ফটো সাংবাদিক এস এম নাসির
ফটোসাংবাদিকতা শিল্পে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ইম্পেরিয়াল সম্মাননা পেয়েছেন ফটো সাংবাদিক এস এম নাসির।
শুক্রবার (১ মে) অনুষ্ঠিত হয় ‘ইম্পেরিয়াল ফটোসাংবাদিক অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ’। ফটোসাংবাদিকতা শিল্পে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ফটোসাংবাদিক অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সেলিব্রেশন কাউন্সিল এই বিশেষ সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকাস্থ নেপাল দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি এবং দি নিউ নেশনের ম্যানেজিং এডিটর ও ক্রীড়ালোক সম্পাদক আরশাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ন্যাশনাল ফোরাম অব ফটো জার্নালিস্ট নেপালের সভাপতি প্রদীপ রাজ অন্তার নেতৃত্বে ১০ জনের একটি প্রতিনিধিদল নেপাল থেকে ঢাকা সফর করে।
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার চাঁপাইনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আলোকচিত্র সাংবাদিক এস এম নাসির। ১৯৯০ সালের শুরুর দিকে বাংলা চলচ্চিত্রের সহকারী স্টিল ফটোগ্রাফার হিসেবে তার ফটোগ্রাফি ক্যারিয়ার শুরু। ২০০০ সালে টেলিভিশন চ্যানেল আই-এ ফটোসাংবাদিক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি চ্যানেল আই-এর সিনিয়র ফটো সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
আলোকচিত্র সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য একের পর এক সম্মাননা ও পুরস্কার অর্জন করে আলোচনায় এসেছেন এই গুণী ফটো সাংবাদিক।
২০২১ সালে “আমরা কুঁড়ি” থেকে কর্পোরেট ফটোসাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা লাভ করেন। ২০২১ সালে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে সংশপ্ত পুরস্কার অর্জন করেন। ২০২১ সালে তিনি টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব) অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। ২০২২ সালে তিনি এশিয়ান জার্নালিস্ট হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন—এজাহিকাফ অ্যাওয়ার্ড (২০২২) পান।
২০২৩ সালে তিনি স্মার্ট বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড (২০২৩) অর্জন করেন। বাংলাদেশ কালচারাল ডেভেলপমেন্ট ফেডারেশন (বিসিডিএফ) (২০২৩) এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিজনেস (২০২৩) অ্যাওয়ার্ড পান।
২০২৫ সালে তিনি মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড (২০২৫) অর্জন করেন। নেপালে অনুষ্ঠিত নেপাল-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ইউনিটি আয়োজিত গ্লোবাল আইকনিক গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ডস (২০২৫) অর্জন করেন। গ্লোবাল বিজনেস অ্যান্ড সিএসআর অ্যাওয়ার্ড (২০২৫) পেয়েছেন।
তার ৩৬ বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে এ পর্যন্ত তিনি দেশ-বিদেশ মিলিয়ে ২৬টি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। বাংলা চলচ্চিত্রের কিছু ছবিতে একক স্টিল ফটোগ্রাফার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
উল্লেখযোগ্য ছবিগুলোর মধ্যে—মতিন রহমান পরিচালিত রং নাম্বার, হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত ৯ নম্বর বিপদসংকেত, আমার আছে জল, তৌকীর আহমেদ পরিচালিত রূপকথার গল্প, কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুনের গল্প অবলম্বনে শাজাহান চৌধুরী পরিচালিত মধুমতি চলচ্চিত্রসহ আরও বেশকিছু চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন তিনি।
আরমান হোসেন রুমন/এএইচ/এমএস