পুলিশের ধাওয়া খেয়ে চোরাকারবারির মৃত্যু


প্রকাশিত: ০৫:১৪ পিএম, ১৭ জুলাই ২০১৬

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার গয়ড়া বাজারের কাছে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে যশোরের শার্শা উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের আবদুল খালেক (৫০) নামে এক চোরাকারবারির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

আবদুল খালেক শার্শা উপজেলার কয়বা গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পুলিশের ধাওয়া খেয়ে দৌড়ে পালাতে গিয়ে একটি ল্যাম্পপোস্টে আঘাত পান আবদুল খালেক। এরপরই তার মৃত্যু হয়।

পুলিশের ভাষ্য মতে, আবদুল খালেক একজন দাগি ইয়াবা ও ফেনসিডিল চোরাকারবারি। কলারোয়া ও শার্শা থানায় তার বিরুদ্ধে কয়েকটি চোরাচালান মামলা রয়েছে।

গয়ড়া গ্রামের কয়েকজন লোক জানান, রাতে ভবানীপুর গ্রামের চোরাকারবারি আবদুল মাজেদের বাড়িতে ইয়াবা বেচাকেনা হচ্ছিল। গ্রামটি সাতক্ষীরার কলারোয়া ও যশোরের শার্শা থানার সীমানায় হওয়ায় দুই থানার পুলিশ দুই দিক থেকে তাদের ঘিরে ফেলে ধাওয়া দেয়। এ সময় শার্শা থানা পুলিশের হাতে মাজেদ ও তার সহযোগী লাল্টু ধরা পড়ে। এসময় কলারোয়া থানা পুলিশ ১০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে।

দুই থানার পুলিশের ধাওয়া খেয়ে দৌড় দেন আবদুল খালেক। এরপরই তিনি ল্যাম্পপোস্টে আঘাত পেয়ে পড়ে যান। সেখানেই মারা যান তিনি। খবর পেয়ে তার স্ত্রী মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেছেন।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘দুই থানার পুলিশ খবর পেয়ে একই সময়ে অভিযান চালায়। এ সময় দু‘জন ধরা পড়লেও দৌড়ে পালাতে গিয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান খালেক।’

তিনি আরো বলেন, ‘এটি একটি স্বাভাবিক মৃত্যু। এর জন্য কোনো থানার পুলিশ কিংবা সাধারণ মানুষ কেউই দায়ী নন।’

মো. জামাল হোসেন/একে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।