রুয়েটে অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশনের দায়ে ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৫:২৯ পিএম, ১২ মে ২০২৬

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে যৌথ অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

রুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাকের আহ্বানে পরিচালিত অভিযানে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন, মেয়াদোত্তীর্ণ ও বাসি খাবার সংরক্ষণ, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, খাবার সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ না করা এবং খাদ্যের মান বজায় রাখতে ব্যর্থতার প্রমাণ পাওয়া যায়।

এসময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে কালিযুক্ত কাগজের প্যাকেট, বাসি খাবার ও অনুমোদনহীন ফুড কালার জব্দ করা হয়।

রুয়েটে অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশনের দায়ে ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

অভিযানে ফটিক জলকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া চারু আড্ডা, বাইটস অ্যান্ড ব্রিউ লাইফ বেকারি ও রুয়েট ক্যাফেটেরিয়াকে ২ হাজার টাকা করে সতর্কতামূলক অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। খাবারে পোকা পাওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে বাংলা টিফিন ক্যান্টিনকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে শহীদুলের টং থেকে কালিযুক্ত কাগজের প্যাকেট জব্দ করে সতর্কতামূলক নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ফজলে এলাহী, রাজশাহীর জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা চিন্ময় প্রামাণিক এবং বিএসটিআইয়ের ইনস্পেক্টিং অফিসার ইঞ্জিনিয়ার জোনায়েদ আহমেদ। রুয়েট প্রশাসনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম সরকার।

অভিযানের বিষয় ফজলে এলাহী বলেন, ‘রুয়েট ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের খাবারের স্থানগুলো পরিদর্শন করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে নিয়মের ব্যত্যয় পাওয়া গেছে। তাদের সতর্কতামূলকভাবে আর্থিক দণ্ড প্রদান করা হয়েছে।’

ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম সরকার বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের জন্য রুচিশীল ও মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করা রুয়েট প্রশাসনের অগ্রাধিকার। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

তবে শিক্ষার্থীদের অনেকেই অভিযানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ ও মনিটরিংয়ের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে কি না, সে বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মনির হোসেন মাহিন/এমএন/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।