তাপ বিদ্যুৎ : কয়লা পরিবহনে জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির আশঙ্কা


প্রকাশিত: ০১:০২ পিএম, ২২ আগস্ট ২০১৬

রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্পের কয়লা পরিবহনে বনের জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হবে কি-না, দীর্ঘ সমীক্ষা শেষে সেই প্রতিবেদন বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় কয়লা পরিবহনে জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

এছাড়া সমীক্ষা প্রতিবেদনে পশুর নৌপথে কয়লা পরিবহনে জীববৈচিত্র্যসহ ডলফিনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) ব্যবস্থাপনায় সোমবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
 
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মীর শওকাত আলী বাদশা।
 
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞ মোক্তারুজ্জামান, বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞ জালাল আহমেদ প্রমুখ।
 
সমীক্ষা রিপোর্ট উত্থাপন করেন বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর উজ্জ্বল ভট্টাচার্য।  সভায় সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি, পরিবেশবিদসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
 
নৌপথে কয়লা পরিবহনে সুন্দরবন, ডলফিনের ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির আশঙ্কা রোধে সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে কয়লা পরিবহনের জন্য তিনটি নৌপথ ব্যবহার ও ১৩টি নির্দেশনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
 
নৌপথ তিনটি হলো, পশুর নৌপথ: ফেয়ারওয়ে থেকে হিরণপয়েন্ট-আকরাম পয়েন্ট-হাড়বাড়িয়া-মংলা হয়ে রামপাল।
 
শিবশা নৌপথ: ফেয়ারওয়ে থেকে হিরণপয়েন্ট-আকরাম পয়েন্ট-চুনকুরি-চালনা হয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র।
 
মোংলা-ঘাষিয়াখালী নৌপথ: ফেয়ারওয়েবয়া থেকে বলেশ্বর, ঘাষিয়াখালী-মংলা-পশুর-মংলা বন্দর হয়ে রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র।
 
এদিকে রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের জন্য আমদানিকৃত কয়লা নৌ-পথে পরিবহনের সম্ভাব্য পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব নিরূপণের জন্য দীর্ঘ ছয় মাস ধরে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস এই সমীক্ষা পরিচালনা করে।

শওকত আলী বাবু/এএম/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।