বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের পথে সেই লজ্জাবতী বানরটি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৯:০২ এএম, ২৯ আগস্ট ২০১৬

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙায় স্কুলছাত্রদের ধরা পড়া বিরল প্রজাতির সেই লজ্জাবতী বানরটি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজরা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি. এম মশিউর রহমানের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বিলুপ্ত প্রায় বিরল প্রজাতির এ লজ্জাবতী বানরটির স্থায়ী নিবাস হতে চলেছে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক।

সোমবার দুপুরে মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি. এম মশিউর রহমান, চট্টগ্রাম বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ বিভাগের ওয়াইল্ড লাইফ রেঞ্জ অফিসার মো. ইসমাইল হোসেনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বানরটি হস্তান্তর করেন।

এসময় সহকারী কমশিনার (ভূমি) মো. রায়হানুল হারুন, মাটিরাঙা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক, মাটিরাঙা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসেন ও মাটিরাঙা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুবাস চাকমাসহ জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Banor

জানা গেছে, গত শনিবার বিকেলের দিকে স্কুল ছুটির পর বাড়ির ফেরার পথে গাছের ডালে বসে থাকতে দেখে বানরটি ধরে নিয়ে আসে মাটিরাঙার দুর্গম বামাগুমতির স্কুল পড়ুয়া দুষ্টু ছেলের দল। স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি. এম মশিউর রহমান বিরল প্রজাতির এ বানরটি নিজের হেফাজতে আনেন এবং চট্টগ্রাম বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি. এম মশিউর রহমান জানান, প্রাণীকূলের মধ্যে বিপদাপন্ন এবং বিলুপ্ত প্রজাতির প্রাণী এটি। তাই প্রাণীটি সংরক্ষণে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে এর স্থায়ী নিবাসের ব্যাবস্থা করেছি।

প্রসঙ্গত, বিরল প্রজাতির এ বানরটি পোকা-মাকড় ও পতঙ্গ ছাড়াও বিভিন্ন ফলমূল ও গাছের পাতা খেয়ে থাকে। দিনের অধিকাংশ সময় গাছের ঢালে ঘুমিয়ে থেকে রাতে বেলা চলাফেরা করে এই লজ্জাবতী বানর। অতিমাত্রায় লজ্জা পায় বলে কারো মুখোমুখি হয় না এরা। আমাদের দেশের সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামে লজ্জাবতী বানর বেশি দেখা যায়।

মুজিবুর রহমান ভুইয়া/এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।