টেকনাফে সিএনজি চালক ও রোহিঙ্গা শ্রমিকের মৃত্যু


প্রকাশিত: ১০:৩৮ এএম, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬

কক্সবাজারের টেকনাফে এক সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক ও রোহিঙ্গা শ্রমিকের অস্বাভাকি মৃত্যু হয়েছে। শনিবার পৃথক সময়ে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার হ্নীলার রঙ্গিখালী এলিট এ্যাকোয়া কালচার লিমিটেডস্থ প্রধান সড়কের পশ্চিমে লবণ মাঠ থেকে জাফর আলম (২৮) নামে এক সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

জাফর আলম টেকনাফ পৌরসভার পুরাতন পল্লান পাড়া এলাকার ছৈয়দ হোসন ওরফে লেডুর ছেলে।

নিহতের চাচা জিপ চালক মনু জানান, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে টেকনাফ পৌর এলাকা হতে যাত্রী নিয়ে হ্নীলা স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় জাফর। এরপর সারা রাত তার খোঁজ না পেয়ে সকালে বাড়ির সবাই তাকে খুঁজতে বের হয়। এক পর্যায়ে হ্নীলার রঙ্গিখালী লবণ মাঠে তার মরদেহ পাওয়া যায়। তার সিএনজিচালিত অটোরিকশাটিও পাওয়া যাচ্ছে না।

টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মজিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে লাশ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিষয়টির ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অপরদিকে, টেকনাফ স্থল বন্দরে মো. ইউনুস প্রকাশ চান মিয়া (৩২) নামে এক রোহিঙ্গা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার দুপুরে টেকনাফ স্থল বন্দরে এ ঘটনা ঘটে।

মো. ইউনুস প্রকাশ চান মিয়া লেদা অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-ব্লকের ৭০ নম্বর কক্ষের বাসিন্দা সালেহ আহমদের ছেলে ও তিন সন্তানের জনক।

স্থানীয় সূত্র জানায়, টেকনাফ-মংডু সীমান্ত বাণিজ্যের আওতায় মিয়ানমার থেকে আমদানি করা কাঠ আনলোড কালে মাথায় কাঠ পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান চান মিয়া। দুর্ঘটনার পর পরই তার মরদেহ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।

সায়ীদ আলমগীর/এসএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।