ব্রিজ ভেঙে ১০ গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ


প্রকাশিত: ১১:০৬ এএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬

ঝিনাইদহের শৈলকুপার নিত্যানন্দপুর ইউনিয়নের সাপখোলা গ্রামে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ব্রিজটি দীর্ঘ ১০ বছর ভেঙে রয়েছে। দীর্ঘ সময় পার হলেও মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে এলাকার মানুষ। সেই সঙ্গে প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে পণ্যবাহী গাড়িগুলো।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুটি ভেঙে পড়ায় বাগুটিয়া, গোপালপুর, সাহাবাসপুর, সাপখোলা, আশুর হাট, পীড়াগাতী, শেখরা, রুপদা, ব্যাসপুরসহ প্রায় ১০ গ্রামের সঙ্গে ঝিনাইদহ সদরের যোগাযোগবিছিন্ন রয়েছে।

জানা যায়, ১৯৮৮ সালের প্রথম দিকে ব্রিজটি তৈরি করা হয়। ২০০৬ সালে ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। স্থানীয়দের উদ্যোগে ব্রিজটি চলাচলের উপযোগী করে তোলা হলে ২০১০ সালে ব্রিজের এক পাশে ভেঙে যায়। পরে এলাকাবাসী বাঁশ, মাটি দিয়ে ভরাট করে আবার চলাচলের উপযোগী করে তোলে। কিন্তু ব্রিজটি আবারো ভেঙে যায়। ফলে এখন আর কোনোভাবে ব্রিজটি মেরামত করা যাচ্ছে না। এতে চলাচলের ক্ষেত্রে প্রায়ই দুর্ঘটনায় পড়ছে স্থানীয়রা।

bridge

সাপখোলা গ্রামের সারজিল হোসেন জানান, ব্রিজটি ভাঙার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য সবক্ষেত্রে প্রভাব পড়ছে। চাষীদের কলা হাটে নিতে প্রায় ১২ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। অসুস্থ অবস্থায় কোন রোগীকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিতে গেলে দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে। এতে হাসপাতালে নেয়ার পথে অনেকের মৃত্যু হয়েছে।

এ ব্যাপারে শৈলকুপা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী আশরাফ হোসেন বলেন, ব্রিজটির ডিজাইন করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ব্রিজটি মেরামত করা না করা এখন এলজিইডি’র কাজ। মেরামতের অনুমোদন না পেলে আমার কিছুই করার নেই।

আহমেদ নাসিম আনসারী/এএম/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।