৫ মাস পর কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন
মেহেরপুর সদর উপজেলার শ্যামপুর কবরস্থান থেকে ৫ মাস ১০ দিন পর হাসানুজ্জামান মিলনের মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। ডিএনএ টেস্টের জন্য আদালতের নির্দেশে সোমবার দুপুরে মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বপাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়র হোসেন।
সিআইডি পুলিশ ইনপেক্টর হাসান ইমাম জানান, গেল ২৪ এপ্রিল রাতে স্ত্রীর পরোকিয়ার কারণে খুন হয় কুয়েত প্রাবাসী হাসানুজ্জামান মিলন। ওই দিন সকালে গাংনী পৌরসভার ঝিনেরপুল এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে শ্যামপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। পরের দিন নিহতের বাবা আব্দুল মলিক বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামি করে গাংনী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় গ্রেফতার হয় নিহতের স্ত্রী মানছুরা খাতুন, ভাইরা আব্দুর রশিদ, আব্দুর রশিদের স্ত্রী মাছনুয়ারা খাতুন ও তাদের আত্মীয় মোজাম্মেল হককে।
মামলার অধিকতর তদন্ত ও হত্যাকারীদের সনাক্ত করার জন্য আদালতের নির্দেশে কবর থেকে মিলনের মরদেহ উত্তোলন করে কিছু নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে আসামিদের ও নিহত মিলনের ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে মূল হত্যাকারী সনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়ার হোসেন, সিআইডি ইন্সপেক্টর হাসান ইমামসহ পুলিশ ও গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আতিকুর রহমান টিটু/এসএস/আরআইপি