চুরি-ডাকাতি রোধে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী


প্রকাশিত: ০৪:৪৯ এএম, ০৬ অক্টোবর ২০১৬

ঝিনাইদহের গান্না ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে একের পর এক চুরি-ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। আর এ ঘটনা প্রতিরোধে চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন মালিথা ও বেতাই পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ তরিকুল ইসলামের প্রচেষ্টায় প্রতিটি গ্রামে গড়ে তোলা হয়েছে স্বেচ্ছাসেবক লাঠিয়াল বাহিনী।

গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন মালিথা জানান, আমি চেয়ারম্যান হওয়ার আগে ইউনিয়নের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী আমাকে হুমকি দিয়ে বলেছে যে আমাকে ৬ মাসও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে দেবে না। যার কারণে সেই সন্ত্রাসী বাহিনী ইউনিয়নে চুরি, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।

ইতোমধ্যে মহারাজপুর ইউনিয়ন থেকে একজন ও গান্না ইউনিয়ন থেকে আরো একজনসহ মোট দুইজন সন্ত্রাসী র্যাবের হাতে অস্ত্রসহ আটক হয়। কিন্তু এই দুইজন আটক হওয়ার পরও তাদের সঙ্গে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন আছে যারা এখন ইউনিয়নে বিভিন্ন প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরো জানান, এই সন্ত্রাসী বাহিনী মোকাবেলার জন্য গ্রামের প্রতিটি পরিবার থেকে একজন করে লোক নিয়ে গ্রামে স্বেচ্ছাসেবক লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করেছি। এখন কোনো গ্রামে ডাকাত দল প্রবেশ করতে হলে তাদের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীকে মোকাবেলা করতে হবে।

বেতাই ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই তরিকুল ইসলাম বলেন, পুলিশ সর্বদা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এখন পাহারা আরো জোরদার করা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকরা ঠিক মতো পাহারা দিচ্ছে কিনা তা আমরা মনিটরিং করছি। গত দুই মাসে আমার এলাকা থেকে বিভিন্ন মামলার ৮ জন আসামি ধরে থানাহাজতে পাঠিয়েছি।

আহমেদ নাসিম আনসারী/এসএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।