টানা দশ বছর বইমেলার অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছি: ইকবাল খন্দকার

সালাহ উদ্দিন মাহমুদ
সালাহ উদ্দিন মাহমুদ সালাহ উদ্দিন মাহমুদ , লেখক ও সাংবাদিক
প্রকাশিত: ০৫:০৯ পিএম, ১৩ মার্চ ২০২৬
ফাইল ছবি

ইকবাল খন্দকার একাধারে কথাসাহিত্যিক, টিভি উপস্থাপক, গীতিকার, নাট্যকার, টিভি স্ক্রিপ্ট লেখক। তবে কথাসাহিত্যিক ও উপস্থাপক হিসেবে বেশি পরিচিত। অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তিনি যখন অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র; তখনই সিদ্ধান্ত নেন লেখালেখির বাইরে কিছু করবেন না। লেখকজীবনই হবে তার কর্মজীবন। সেই লক্ষ্যে এখনো অবিচল। এগিয়ে যাচ্ছেন গন্তব্যে। এ পর্যন্ত তার লেখা প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা শতাধিক।

সম্প্রতি তার লেখালেখি, উপস্থাপনা ও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন জাগো নিউজের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কথাশিল্পী ও সাংবাদিক সালাহ উদ্দিন মাহমুদ

জাগো নিউজ: এবারের বইমেলা কেমন দেখলেন? একজন লেখক ও উপস্থাপক হিসেবে আপনার প্রত্যাশা কতটুকু পূরণ হলো?
ইকবাল খন্দকার: রমজানে বইমেলা হবে, এটা কারোরই প্রত্যাশিত ছিল না। অপ্রত্যাশিত সময়ে মেলা হলে মেলাটা যেমন হওয়ার কথা, তেমনই হয়েছে। আর আমিও তেমনই দেখেছি। প্রত্যাশা পূরণের কথা যদি বলেন, তাহলে বলবো, এই মেলাটা প্রত্যাশা পূরণের মেলা না। বরং নিয়মরক্ষার মেলা।

জাগো নিউজ: দেখলাম আপনার বইয়ের জন্য পাঠকের আগ্রহ ব্যাপক। সে হিসেবে আপনাকে ঘিরে নিশ্চয়ই মেলা জমে উঠেছিল? কী বলেন?
ইকবাল খন্দকার: জি, আমার বই কিছু পাঠক পছন্দ করেন। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। তারাসহ প্রকৃত বইপ্রেমীদের পদচারণায় মেলা সত্যিকার অর্থেই মুখরিত হয়েছে।

জাগো নিউজ: এবারের মেলায় আপনার বেশ কয়েকটি বই এসেছে। কেমন সাড়া পেলেন?
ইকবাল খন্দকার: বইমেলায় টানা ১১ বছর ধরে আমার নতুন ১০টি করে বই প্রকাশ হয়েছে। এবারও প্রস্তুতি ছিল ১০টার। তবে একটি বিশেষ কারণে ২টি বই স্থগিত রেখেছি পহেলা বৈশাখের জন্য। বাকি ৮টি বইমেলায় এসেছে। বইগুলো হলো- লাশবাহী লোহার ভ্যান (কথাপ্রকাশ), খুনি ওত পেতে ছিল (পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স), খান মহলের যমটুপি (অনিন্দ্য প্রকাশ), কবরস্থানের পাশের বাড়ি (আলোঘর প্রকাশনা), মধ্যরাতের হত্যাকাণ্ড (মেধা পাবলিকেশন্স), নিঝুম রাতের অশরীরী (কথাপ্রকাশ), বাঘ ধরা অভিযান (শৈশবপ্রকাশ), একটি দুমুখো চক্রান্ত (আনন প্রকাশন লিমিটেড)। জি, মেলা অনুযায়ী বইগুলোর জন্য সন্তোষজনক সাড়া পেয়েছি।

জাগো নিউজ: সামনেই পবিত্র ঈদুল ফিতর। কোথায় কাটাতে চান?
ইকবাল খন্দকার: ঈদ সাধারণত গ্রামের বাড়িতে কাটাই। এবারও তাই করবো।

জাগো নিউজ: এবার কতগুলো ঈদসংখ্যায় লিখলেন? এ সময়ের ঈদসংখ্যা কেমন হচ্ছে?
ইকবাল খন্দকার: আমি ঈদসংখ্যা নির্ভর লেখক নই। ঈদসংখ্যাগুলোও আমার ওপর নির্ভর করে না। তবু বছরে ৪-৫টা ঈদসংখ্যায় লেখা হয়। এবারও হয়েছে। জি, আমাদের ঈদসংখ্যাগুলো মন্দ হয় না।

জাগো নিউজ: ছেলেবেলার মজার কোনো ঈদস্মৃতি পাঠককে জানাবেন কি?
ইকবাল খন্দকার: ছেলেবেলার ঈদ নিয়ে কোনো মজার স্মৃতি আমার মনে পড়ে না। বরং মনে পড়ে ঈদ-কেন্দ্রিক অভাব আর দারিদ্র্যের স্মৃতি।

জাগো নিউজ: প্রতি বছরই দেখি বইমেলার অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন, অনুভূতি বা অভিজ্ঞতা কেমন?
ইকবাল খন্দকার: জি, টানা ১০ বছর ধরে আমি বইমেলাকেন্দ্রিক টিভি অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করছি। যেটি একটি রেকর্ড। কারণ এত লম্বা সময় ধরে এই অনুষ্ঠান কেউ উপস্থাপনা করেননি। হয়তো কেউ কেউ যৌথভাবে উপস্থাপনা করে থাকতে পারেন। তবে একক উপস্থাপক হিসেবে এই কৃতিত্ব আর কারো নেই।

এসইউ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।