কুমিল্লা-মীরপুর সড়ক যেন মরণ ফাঁদ


প্রকাশিত: ০৮:২৫ এএম, ২৩ অক্টোবর ২০১৬

কুমিল্লা-মীরপুর সড়কের জেলার আদর্শ সদর উপজেলার আড়াইওড়া এলাকায় আধা কিলোমিটার সড়ক যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিন সীমাহীন ভোগান্তি পোহাচ্ছেন বিভিন্ন পরিবহনের যাত্রীসহ হাজারো জনগণ।  

সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, জেলার আদর্শ সদর, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলাসহ উত্তরাঞ্চলের জনগণ কুমিল্লা-মীরপুর সড়কের আড়াইওড়া এলাকা দিয়ে চলাচল করে থাকে। মালামাল পরিবহনের ট্রাক-ট্রাক্টর ছাড়াও যাত্রীবাহী বাস, মিনিবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন এ সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত আসা-যাওয়া করে থাকে।

ওইসব এলাকার জনগণ কুমিল্লা মহানগরীর প্রবেশদ্বার শাসনগাছা এলাকায় পৌঁছার আগেই আড়াইওড়া এলাকায় এসে সীমাহীন দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন। এ সড়কের ওই স্থানে প্রায় আধা কিলোমিটার সড়কের কার্পেটিংসহ ইট-সুড়কি একেবারে ওঠে গেছে। বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে পানি জমাট বেঁধে খানা-খন্দসহ অনেকটা কূপের মতো হয়ে আছে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকাবাসী জানান, বৃষ্টি হোক আর না হোক সব সময় এখানে পানি জমাট বেধে থাকে। এলাকার লোকজন স্বাভাবিকভাবে হাটাচলাও করতে পারছে না। এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীসহ এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এ সড়কে ইজিবাইক, রিকশা, সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল উল্টে দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার ঘটনা ঘটছে।

এছাড়া বাস, ট্রাক-ট্রাক্টর চলাচলের কারণে এ সড়কে বড় বড় গর্তের তৈরি হয়েছে। যানবাহন হেলে-দুলে চলার পথে কখনো কখনো গর্তে পড়ে আটকে থাকতে দেখা যায়। এতে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ছাড়াও বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-মাদরাসার শিক্ষার্থী, নারী-শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

সড়কটির এ বেহাল অবস্থার বিষয়ে কুমিল্লা সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফ উদ্দিন জানান, সড়কটি নিচু হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে এ স্থানে পানি জমে যায়। এতে সড়কের বিটুমিন ওঠে যায়। তাই বিটুমিন দিয়ে কাজ না করে এবার সলিংয়ের উপর একটি লেয়ার দিয়ে উঁচু করে এ সড়কটি সংস্কারের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হবে।  

কামাল উদ্দিন/এসএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।