কঠিন চীবর দানোৎসব ঘিরে মুখরিত পাহাড়ি পল্লী
বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব ঘিরে মুখরিত রাঙামাটির পাহাড়ি পল্লী। শহরসহ জেলাব্যাপী প্রতিদিন কোনো না কোনো বৌদ্ধ মন্দিরে আয়োজন চলছে এই মহাধর্মযজ্ঞের।
প্রবারণা পূর্ণিমার পরপরই গত ১৪ অক্টোবর থেকে মাসজুড়ে শুরু হয় উৎসবটি। উৎসবে নামছে পুণ্যার্থীর ঢল। এছাড়া উৎসবে চীবরসহ দানীয় সামগ্রী সজ্জিত কল্পতুরুর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় মুখরিত হচ্ছে পাহাড়ি জনপদ।
সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নের ধনপাতা বন বিহারে দুদিনব্যাপী কঠিন চীবর দানোৎসব বৃহস্পতিবার শুরু হয়ে শেষ হয় শুক্রবার সন্ধ্যায়। 
আগামী ১০-১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের প্রধান বৌদ্ধধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রাঙামাটি রাজবন বিহারে। দুদিনব্যাপী উৎসবটি ঘিরে আয়োজন প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে রাজবন বিহার উপাসক-উপাসিকা পরিষদের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ।
মহামতি গৌতম বুদ্ধের জীবদ্দশায় তার প্রধান সেবিকা মহাপুণ্যবতী বিশাখা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তুলা থেকে চরকায় সুতা কেটে বুনন ও চীবর (বৌদ্ধভিক্ষুদের পরিধেয় বস্ত্র) তৈরি সম্পাদন করে গৌতম বুদ্ধকে দান করেন। বিশাখা প্রবর্তিত হাজার বছরের সেই ঐতিহ্যবাহী নিয়মে প্রতি বছর রাঙামাটিসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন বৌদ্ধ মন্দিরে কঠিন চীবর দানোৎসবটির আয়োজন করেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।
সুশীল প্রসাদ চাকমা/এএম/এমএস