বাফার গুদামে নষ্ট হচ্ছে ১২ হাজার টন সার


প্রকাশিত: ০৫:০৭ এএম, ১৩ জানুয়ারি ২০১৭

মাদারীপুরের টেকেরহাট বন্দরের বাফার গুদামে সৌদি আরব থেকে আমাদানি করা ১২ হাজার টন ইউরিয়া সার অবিক্রিত হওয়ায় খোলা আকাশের নিচে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে।

আবার দীর্ঘদিন পড়ে থেকে জমাট বেধে যাওয়ায় সেগুলোকে বস্তা থেকে বের করে শ্রমিক দ্বারা অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে ভাঙা হচ্ছে। এতে সরকারকে লোকসান গুনতে হচ্ছে। আর তাই চলতি মৌসুমে বাফার গুদামে সার বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে আনা হয়েছে।

টেকেরহাট বাফার গুদাম সূত্রে জানা গেছে, গত ইরি-বোরো মৌসুমে সরকার সৌদি আরব থেকে ইউরিয়া সার আমদানি করে। যার মধ্যে মাদারীপুর-গোপালগঞ্জের আওতাভুক্ত টেকেরহাট বাফার গুদামে ৪৪ হাজার টন ইউরিয়া সার ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রি করার জন্য বরাদ্দ করা হয়।

কিন্তু ওই মৌসুমে ৩২ হাজার টন সার বিক্রি হলে, আরো ১২ হাজার টন ইউরিয়া সার বাফার গুদামে প্রায় এক বছর খোলা আকাশের নিচে ফেলে রাখা হয়। এতে সারের গুণগত মানের ক্ষতি সাধন হয়। পাশাপাশি প্রায় সবগুলো বস্তার ভেতরে সার দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় বস্তার চাপে সারগুলো পাথরের মতো জমাট বেধে গেছে।

Madaripur

এদিকে গুণগত মান হ্রাস পাওয়া জমাট বাধা সারগুলো বাফার গুদাম থেকে বিক্রির জন্য গুদামের ভেতরেই শ্রমিক দ্বারা ভাঙা হচ্ছে। এতে সরকারকে আরো লোকসান গুনতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে টেকেরহাট বাফার গুদামের উপ-ব্যবস্থাপক মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, দীর্ঘদিন ইউরিয়া সারগুলো পড়ে থাকায় বস্তায় জমাট বেধে গেছে। তাই ডিলারদের কাছে সারগুলো সহজে বিক্রি করার জন্যই মূলত বস্তা খুলে শ্রমিক দিয়ে তা ভেঙে জমাট ছড়ানো হচ্ছে।

এসময় তিনি বলেন, গত বছর বরাদ্দকৃত সার বিক্রি করতে না পারার কারণে চলতি মৌসুমে সার বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে আনা হয়েছে। চলতি বছর ৪০ হাজার ৬৩০ মেট্রিক টন সার বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছর ৪৪ হাজার মেট্রিক টন ছিল।

নাসিরুল হক/এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।