ডিমলায় মুক্তিযোদ্ধাদের আমরণ অনশন


প্রকাশিত: ১০:১৫ এএম, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

নীলফামারীর ডিমলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা আমরণ অনশন শুরু করেছেন। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে স্থানীয় শহীদ মিনার চত্বরে শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।

১৯৭১ সালের ৬নং সেক্টরের অধীনে রণাঙ্গনে মুক্তিযোদ্ধা (এফএফ) বৃন্দের ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযোগ, ডিমলা উপজেলার ১৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ১৩ জন বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেন। এদের মধ্যে ১২৯জন ভারতীয় তালিকাভুক্ত ও ১৮জন মুজিব বাহনীর সদস্য।

সরকারিভাবে উপজেলার ২২৫ জন মুক্তিযোদ্ধাকে ভাতা প্রদান করা হয়। চলতি বছর নতুন করে ৪৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্ত হতে জন্য আবেদন করেন। আবেদনকারীদের মধ্যে অনলাইনে ৪০৩ ও লিখিতভাবে ৭৩ জন রয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রাণালয় যাচাই-বাছাই কার্যক্রম স্থগিত করে।

গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় ই-মেইল ও ফ্যাক্সযোগে নীলফামারী জেলার ছয় উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. মাহবুবুর রহমান ফারুকী স্বাক্ষরিত ওই আদেশের কপি সংশ্লিষ্ট উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি ও সদস্য সচিব বরাবর প্রেরণ করা হয়।

শুক্রবার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফজলুল হক। তবে এটি কতদিনের জন্য স্থগিত তা পত্রে উল্লেখ নেই বলে তিনি জানান।

মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযোগ, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কারণে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা চরম বিপাকে পড়েছেন।

আমরণ অনশন কর্মসূচি থেকে দ্রুত সময়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া যেন বাধাগ্রস্থ করা না হয় এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশের দাবি জানানো হয়।

এসময় বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, মিয়ার উদ্দিন, মকবুল হোসেন, আব্দুল্লাহ চৌধুরী, সাহাদাত হোসেন,  ডা. বিমল চন্দ্র রায় প্রমুখ।

জাহেদুল ইসলাম/আরএআর/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।