খাগড়াছড়িতে মুক্তিযোদ্ধা বাছাই নিয়ে পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ
খাগড়াছড়িতে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই নিয়ে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের পাশাপাশি সাংবাদিক সম্মেলন করেছে পরস্পর বিরোধী মুক্তিযোদ্ধারা।
ইতোমধ্যে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের আবেদনের প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে দিয়েছেন।
প্রতি পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বুধবার বেলা ১২টার দিকে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে খাগড়াছড়ি জেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির নেতারা।
সাংবাদিক সম্মেলনে খাগড়াছড়ি জেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি মো. আলী আশরাফ, সহকারী জেলা কমান্ডার মো. মোস্তফা, মো. হানিফ হাওলাদার ও মাটিরাঙা পৌর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. আবুল হাসেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনলাইনে আবেদনকারী নতুন ১৮০ জনের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয় অভিযুক্ত ১১৯ জনের যাচাই-বাছাই পক্রিয়া উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত আছে।
এদিকে, সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে অপর অংশটি সাংবাদিক সম্মেলন স্থলে ঢুকে পড়ে এবং সাংবাদিক সম্মেলন বন্ধ করতে বলে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মো. আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে একটি অংশ খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ সময় তাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা বানানোর বিনিময়ে এক কোটি ৩০ লাখ টাকা গ্রহণেরও অভিযোগ করেন।
এর আগে ৯ ফ্রেব্রুয়ারি মো. আলী আশরাফকে সভাপতি করে মন্ত্রণালয় ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করে। এই কমিটি ১১ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফা শুনানি করে।
মুজিবুর রহমান ভুইয়া/এএম/আরআইপি