রাত পোহালেই গুইমারায় ভাগ্য নির্ধারণী ভোট
প্রার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটারসহ বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা আর আতঙ্কের মধ্য দিয়ে রাত পোহালেই পার্বত্য খাগড়াছড়ির নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলা নির্বাচনের ভাগ্য নির্ধারণী ভোট অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ হবে।
নির্বাচনে ভোট গ্রহণের লক্ষে রোবাবর বেলা ১২টা থেকেই নির্বাচনী মালামাল নিয়ে স্ব স্ব কেন্দ্রে পৌঁছেছেন ভোট গ্রহণের দায়িত্বে নিযুক্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ১৪টি ভোট কেন্দ্রের ৯৮টি বুথে ২৭ হাজার ৯৯২জন ভোটার নতুন নির্বাচনের লক্ষে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪ হাজার ৩৬৭ জন, ও মহিলা ভোটার ১৩ হাজার ৬২৫ জন।
এ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম মশিউর রহমান।
নির্বাচনকে যেকোনো মূল্যে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য করার কথা জানিয়েছেন তিনি। এ নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চারজন নির্বাহী মেজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
গুইমারা উপজেলা নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় থাকবে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়। নির্বাচনে পুলিশের তিনটি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও এগারোটি মোবাইল টিম দায়িত্ব পালন করবে নিরাপত্তাসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায়।
প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবে ৫ জন পুলিশের পাশাপাশি থাকবে ১২ জন আনসার-ভিডিপি সদস্য। পাশাপাশি নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় থাকবে তিন প্লাটুন বিজিবি ও র্যাবের দুটি বিশেষ টিম।
সবমিলিয়ে নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো থাকবে গুইমারা এমনটাই জানিয়েছেন গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম মশিউর রহমান।
চেয়ারম্যানসহ ভাইস চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপি-আওয়ামী লীগ দুই শিবিরেই রয়েছে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা।
কাঙ্ক্ষিত জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে শেষ মুহূর্তে ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে ছুটছেন প্রার্থীসহ দুই দলের সিনিয়র নেতারা। সবারই লক্ষ্য কাঙ্ক্ষিত বিজয়। বিজয় ছাড়া বিকল্প কিছু ভাবছেন না কেউই। দুই দলের স্থানীয় দুই শীর্ষ নেতা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
মুজিবুর রহমান ভুইয়া/এএম/জেআইএম