কৃমিনাশক ট্যাবলেট খেয়ে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী হাসপাতালে
কুষ্টিয়ার বিভিন্ন স্কুলে কৃমিনাশক ওষুধ খেয়ে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।
শনিবার দুপুর থেকে অসুস্থ হয়ে একের পর এক শিক্ষার্থী কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। আক্রান্তের অধিকাংশই ছাত্রী।
শিক্ষক ও স্বজনরা জানান, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে শনিবার সকালে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়।
এরপর শিশু শিক্ষার্থীদের মাথা ঘুরতে শুরু করে এবং তারা বমি করতে করতে দুর্বল হয়ে পড়ে। এর সঙ্গে খিঁচুনি আর পেটে ব্যথাও রয়েছে অনেকের।
কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বেলা ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অন্তত দুই শতাধিক শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অসুস্থ হওয়ার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে কুষ্টিয়া সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে একটি মেডিকেল টিম হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন।

বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য সিভিল সার্জন ডা. নাজমুল ইসলামকে প্রধান করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক তাপস কুমার পাল জানান, খালি পেটে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ার ফলে এমন ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। পর্যাপ্ত বিশ্রাম আর চিকিৎসায় দ্রুত আরোগ্য হবে শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যা নাগাদ ভর্তিকৃতদের মধ্যে ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে গেছে বলে তাপস কুমার জানান।
কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে শিক্ষার্থীরা কৃমিনাশক ট্যাবলেট খেয়েছে। এখন পর্যন্ত কারও অবস্থা গুরুতর নয়। এটি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা।
আল-মামুন সাগর/এএম/পিআর