প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভুলে ভরা প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা!
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ হাজার ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা ভুলে ভরা প্রশ্নপত্র দিয়ে প্রথম সাময়িক পরীক্ষা দিচ্ছে।
শনিবার দুপুর ১টা থেকে ৪টা পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গণিত পরীক্ষা দিয়ে শেষ হয় প্রথম সাময়িক পরীক্ষা। ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণির পরীক্ষা শুরু থেকেই শেষ পর্যন্ত ৭টি বিষয়ের প্রতিটি প্রশ্নপত্রেই ভুল অব্যাহত ছিল। আর সেই ভুল নিয়ে পরীক্ষা দিয়ে আসছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, লালমনিরহাট জেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে প্রথম সাময়িক পরীক্ষা শুরু হয়। এতে প্রতিটি উপজেলার জন্য আলাদা আলাদা প্রশ্নপত্র তৈরি করা হলেও হাতীবান্ধা উপজেলায় দেখা গেছে প্রতি বিষয়ে ভুলে ভরা প্রশ্নপত্র।
অভিভাবকরা হতাশ হয়ে বলছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতা শিক্ষার্থীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তুলেছেন তারা।
শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৭৬টি। বেসরকারি রয়েছে ১৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা হচ্ছে প্রায় ৩৯,৩০০।
দেখা যায়, তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বিষয়ে অসংখ্য বানান ভুল রয়েছে। আর ওইসব ভুল বানান প্রশ্নটিকে দুর্বোধ্য করে তুলেছে। একই ভুল চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির প্রশ্নপত্রেও। তৃতীয় শ্রেণির গণিত পরীক্ষার ৭ ও ৮ নং প্রশ্ন দুটি দু`বার ছাপানো হয়েছে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
হাতীবান্ধা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম জাগো নিউজকে জানান, বিষয়টি প্রথম জানলাম। প্রশ্নপত্রে কেন বানান ভুল তা আমরা খতিয়ে দেখছি।
লালমনিরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ডি,পি,ও) নবেজ উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় ভুল প্রশ্ন বা বানান নিঃসন্দেহে কাম্য নয়। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন কমিটির কাছে জানতে চাওয়া হবে।
এমজেড/আরআইপি